1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
জলঢাকায় ইএসডিও- ডাভ সেলফ এস্টিম প্রকল্পের অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত তিস্তায় পানি বৃদ্ধি ২২ গ্রাম প্লাবিত হুমকির মুখে তিস্তার তীরবর্তী মানুষ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন জলঢাকায় শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন করেছে যুবলীগ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নারী উদ্দোক্তা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আনন্দের ভাগিদার হতে ছুটে এসেছি জলঢাকায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে ড. তুরিন আফরোজ জলঢাকায় মঙ্গলদ্বীপের উদ্যোগে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত জলঢাকায় প্রতিমাকে দৃষ্টিনন্দন করতে রং তুলির কাজে ব্যস্ত এখন কারিগররা জলঢাকায় অনির্বাণ স্কুলে একাডেমিক ভুবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন জলঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু পরিষদের আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

মিয়ানমারে ২৩ হাজার বন্দির মুক্তি

অনলাইন ডেস্ক |
  • প্রকাশকাল | শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ৬০ বার পঠিত

নতুন বছর উদযাপনের মুহূর্তে সাধারণ ক্ষমার অংশ হিসেবে ২৩ হাজার ১৮৪ জন বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। কারাগার কর্তৃপক্ষের একজন মুখপাত্র এই খবর নিশ্চিত করেছেন।

আল-জাজিরা জানিয়েছে, মুক্তি পাওয়াদের মধ্যে চলমান জান্তাবিরোধী আন্দোলনকারীদের সংখ্যা খুব কম।

মিয়ানমারের ঐতিহ্যবাহী বছরের প্রথমদিন শনিবার। এ উপলক্ষে দেশটিতে পাঁচদিনের যে ছুটি থাকে তার শেষ দিন চলছে আজ। দিনটিতে বৌদ্ধ মন্দিরে শতশত মানুষ উৎসবে মাতেন।

কিন্তু এবার গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনকারীরা সব ধরনের উৎসব বাতিল করে সাধারণ মানুষকে রাস্তায় থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

১ তারিখের অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সুচি-সহ প্রায় সাড়ে তিন হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে।

সেনা অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে মান্দালে শহরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী তাইজার সান বিবিসিকে জানান, বিক্ষোভকারীদের হামলা করার জন্যই বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন।

তিনি বলেন, ‘জনগণের কাছে খুব খারাপ নজির আছে। ১৯৮৮ সালে সামরিক জান্তা সামরিকপন্থী বন্দিদের মুক্তি দিয়েছিল। সেসময় তারা গণতন্ত্রের পক্ষে জনগণের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকে নষ্ট করে।’

১৯৮৮ সালের গণতন্ত্রপন্থী বিদ্রোহে হামলার ঘটনায় কয়েক হাজার মানুষ মারা যান বলে ধারণা করা হয়।

জাতীয় দিবসগুলোতে বহু বন্দিকে ক্ষমা করে দেওয়ার বিষয়টি দেশটিতে প্রচলিত আছে। প্রায়শই উপচে পড়া কারাগারে বন্দির সংখ্যা কমাতে এটি করা হয়ে থাকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!