1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
জলঢাকায় ইএসডিও- ডাভ সেলফ এস্টিম প্রকল্পের অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত তিস্তায় পানি বৃদ্ধি ২২ গ্রাম প্লাবিত হুমকির মুখে তিস্তার তীরবর্তী মানুষ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন জলঢাকায় শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন করেছে যুবলীগ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নারী উদ্দোক্তা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আনন্দের ভাগিদার হতে ছুটে এসেছি জলঢাকায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে ড. তুরিন আফরোজ জলঢাকায় মঙ্গলদ্বীপের উদ্যোগে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত জলঢাকায় প্রতিমাকে দৃষ্টিনন্দন করতে রং তুলির কাজে ব্যস্ত এখন কারিগররা জলঢাকায় অনির্বাণ স্কুলে একাডেমিক ভুবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন জলঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু পরিষদের আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

একজনের মৃত্যুর অপেক্ষায় দুজন আইসিইউ প্রত্যাশী

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশকাল | বুধবার, ২১ এপ্রিল, ২০২১
  • ২৭ বার পঠিত

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মুমূর্ষু অবস্থায় রয়েছেন একাধিক রোগী। দরকার নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) একটি বেড। কিন্তু হাসপাতালে আইসিইউর সব বেডই রোগীতে পরিপূর্ণ। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, একটি বেডের রোগী মারা গেলে তবেই আরেকজন আইসিউতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

একজনের সুচিকিৎসার জন্য আরেকজনের মৃত্যুর অপেক্ষা। কঠিন এ সময়ের মধ্য দিয়ে স্বজনদের দিন পার হচ্ছে দেশের প্রথম কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড হাসপাতালটিতে।’

মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) সকালে হাসপাতালটিতে গিয়ে দেখা যায়, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের স্বজনরা হাহাকার করছেন একটি আইসিউ বেডের জন্য। আইসিইউ বেডের জন্য মরিয়া হয়ে ছুটে চলছেন তারা, যেন কারও সঙ্গে কথা বলার সময় নেই তাদের। হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা ব্যস্ত রোগীর সেবায়। পুরো আঙিনা জুড়ে সারাক্ষণই অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেনের আওয়াজ আর মৃত রোগীদের নিয়ে যাওয়ার ব্যস্ততা। মাঝেমধ্যেই ভেসে আসছে কান্নার আওয়াজ। হাসপাতাল করিডোরের বাইরে রোগীর স্বজনদের অপেক্ষার প্রহর। এ সবকিছুই যেন স্বাভাবিক হয়ে গেছে ওই হাসপাতালে অবস্থান করা চিকিৎসক ও রোগীর স্বজনদের কাছে।

হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত আইসিইউতে বাইরের কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। কেবল চিকিৎসক ও নার্সরা চিকিৎসাসেবা দিতে সেখানে যাচ্ছেন।

কুয়েত মৈত্রী সরকারি হাসপাতালের আইসিইউ ইউনিটের দায়িত্বে রয়েছেন অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ও ক্রিটিক্যাল কেয়ারের বিভাগীয় প্রধান ডা. মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, আইসিইউর চাহিদা অনেক বেড়েছে। দেখা যাচ্ছে, রাতে বেড ফাঁকা হচ্ছে সকালেই আরেকজনকে ভর্তি করাতে হচ্ছে। একজন মারা গেলে আরেকজন এসে তা পূরণ করছেন।

কবে থেকে আইসিইউ বেডের চাহিদা বেড়েছে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, আইসিইউ বেডের চাহিদা বেড়েছে মার্চ থেকে। সম্প্রতি ১০টি নতুন বেড চালু করা হয়েছে। হাসপাতালটিতে বর্তমানে আইসিইউ বেডের সংখ্যা ২৬টি। দেখা যাচ্ছে, চলতি মাস থেকে প্রতিদিন গড়ে চার থেকে পাঁচজন রোগী মারা যাচ্ছেন। কিন্তু আইসিইউ বেডের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে সাত থেকে আটজনকে। এর মধ্যে যাদের অবস্থা বেশি খারাপ তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আইসিইউ বেডে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

এ চিকিৎসক মনে করেন, হাসপাতালটিতে আরও ১০টির বেশি আইসিইউ বেড দরকার। ১০টি বেড যুক্ত করা গেলে তবেই রোগীর চাপ কিছুটা সামাল দেওয়া যাবে।

হাসপাতালের কন্ট্রোল রুমে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মুমূর্ষু অবস্থায় থাকা করোনা আক্রান্ত রোগীর জন্য প্রতিনিয়ত আইসিইউ বেডের খোঁজ করছেন স্বজনরা। কিন্তু বেড স্বল্পতার কারণে সবাইকে সেই সেবা দিতে পারছে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খবর কৃতজ্ঞতা: ঢাকা পোষ্ট

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!