1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:১৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
জলঢাকায় ফেন্সিডিল সহ গ্রেফতার- ২ পলাতক-১’জন মোটরসাইকেল জব্দ সৈয়দপুরে জীবিত স্বামীকে মৃত দেখিয়ে ১৭ বছর থেকে বিধবা ভাতা উত্তোলন, সমাজসেবা কর্তৃপক্ষ নির্বিকার ঝিকরগাছায় আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত জলঢাকায় ১১ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশের মাঝে ১০৯টি বাইসাইকেল বিতরণ জলঢাকায় যানজটে জনদুর্ভোগ বেড়েই চলছে : নিরসনের দাবি পৌরবাসির বেনাপোলে গৃহহীনদের ঘর নিয়ে ভুমি অফিসের সহকারীর বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ। ঝিকরগাছায় সাপের কামড়ে ১ গৃহবধূর মৃত্যু বেনাপোলে র‍্যাবের অভিযানে গাজাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী আটক সৈয়দপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বাইসাইকেল বিতরণ সৈয়দপুরে সাহিত্য আসরের ৪থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

পুড়ছে সবুজ পাহাড়

অনলাইন ডেস্ক |
  • প্রকাশকাল | শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৪৯ বার পঠিত

রাঙ্গামাটিতে এখন সবুজ পাহাড় পুড়ছে জুমের আগুনে। এতে নষ্ট হচ্ছে মাটির গুণাগুণ। পাশাপাশি ধ্বংস হচ্ছে প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য।

সাধারণত পাহাড়িরা বংশপরম্পরায় পাহাড়ে জুম চাষের মাধ্যমে তাদের জীবিকা নির্বাহ করে। একটি পাহাড়ে কয়েক বছর ধান, মরিচ, মারফাসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করে জুমচাষিরা। কয়েক বছর পর পাহাড়টি চাষাবাদের অনুপযুক্ত হলে অন্য একটি পাহাড়ে চাষাবাদ শুরু করা হয়। চৈত্র-বৈশাখ মাসের শুকনো মৌসুমে পাহাড়ে আগুন দিয়ে সব পরিষ্কার করার পর বর্ষার বৃষ্টির পরপরই জমি চাষাবাদের উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়। চৈত্র-বৈশাখ মাসে পাহাড়ে আগুন দেওয়ার কারণে পাহাড়ের পর পাহাড় আগুনে পুড়ে যায়।

এতে শুধু বিভিন্ন প্রাণী ধ্বংস হচ্ছে না, নষ্ট হয় মাটির গুণাগুণ, ধ্বংস হচ্ছে প্রকৃতিও। তবে বেশ কয়েক বছর ধরে জুম চাষের ক্ষতিকারক দিক নিয়ে সচেতন করতে সরকারের পক্ষ থেকে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। অন্যদিকে জুমচাষিদের সমতল জমি না পেয়ে নিরুপায় হয়ে জুম চাষে নিযুক্ত থাকতে হচ্ছে। তবে বর্তমানে জুম চাষের স্থানে অনেকেই মিশ্র ফলের চাষ শুরু করেছে।

জুমিয়াদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জুমে উৎপাদিত বিভিন্ন ফসল ফাল্গুনে তোলা শেষ হওয়ার পর চৈত্র ও বৈশাখের শুকনো মৌসুমে পরবর্তী বছরের জমি প্রস্তুতির জন্য ঝোপজঙ্গল ও আগাছা পরিষ্কারের জন্য পাহাড়ে আগুন দেওয়া হয়। শুকনো মৌসুম হওয়ায় এসময় এক জায়গায় আগুন লাগিয়ে দিলে পাহাড়ের পর পাহাড় পুড়ে ন্যাড়া হয়ে যায়। পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় ঝোপঝাড় পরিষ্কার করা শ্রমসাধ্য বিষয়। এ জন্য বছরের পর বছর পাহাড়িরা পাহাড়ে ফসল ফলানোর জন্য আগুন দিয়ে জমি পরিষ্কার করে। এরপর বর্ষা মৌসুমে জমি চাষাবাদের উপযোগী করে তোলা হয়। এদিকে পাহাড়ে বছরের পর বছর আগুন দেওয়ায় নষ্ট হচ্ছে জমির গুণাগুণ। ধ্বংস হচ্ছে প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য। মাটি পুড়ে গুণাগুণ নষ্টের পাশাপাশি নরম হয়ে যাওয়ার কারণে বর্ষায় পাহাড়ে মাটি ক্ষয় হচ্ছে। জুমের আগুনে সবুজ পাহাড়গুলো পোড়ানোর কারণে তাপমাত্রাও আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে রাঙ্গামাটিতে। জুমিয়া পরিবারগুলো পাহাড়ে আগুন দিয়ে আদি পদ্ধতিতে জুম চাষ করে সারা বছরের খাদ্যশস্য ঘরে তুলতে পারলেও জুমচাষ প্রাকৃতিক পরিবেশকে বিপন্ন করার পাশাপাশি মাটি ক্ষয় এবং প্রাণিজসম্পদের আশ্রয়স্থল ধ্বংস করে দেয়। তাই পাহাড়ে পরিবেশসম্মতভাবে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে জুম চাষের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এ সময় রাত হলেই রাঙ্গামাটি শহর থেকে বিভিন্ন পাহাড়ে আগুনের শিখা দেখা যায়।

প্রকৃতি ও ইকো ট্যুরিজম নিয়ে কাজ করা রাইন্যা টুগুনের পরিচালক ললিত সি চাকমা বলেন, জুমচাষ একটি বৈজ্ঞানিক চাষ পদ্ধতি। আদিকাল থেকে পাহাড়ের মানুষ এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে আসছে। নির্দিষ্ট এলাকা আগুনে পুড়িয়ে চাষাবাদ করলে জুমচাষ কোনোভাবে ক্ষতিকারক নয়। তবে মাঝেমধ্যে অসতর্কতার কারণে পাহাড়ের পর পাহাড় পুড়ে যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!