1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০২:০৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত জলঢাকায় ইএসডিও- ডাভ সেলফ এস্টিম প্রকল্পের অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত তিস্তায় পানি বৃদ্ধি ২২ গ্রাম প্লাবিত হুমকির মুখে তিস্তার তীরবর্তী মানুষ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন জলঢাকায় শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন করেছে যুবলীগ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নারী উদ্দোক্তা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আনন্দের ভাগিদার হতে ছুটে এসেছি জলঢাকায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে ড. তুরিন আফরোজ জলঢাকায় মঙ্গলদ্বীপের উদ্যোগে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত জলঢাকায় প্রতিমাকে দৃষ্টিনন্দন করতে রং তুলির কাজে ব্যস্ত এখন কারিগররা জলঢাকায় অনির্বাণ স্কুলে একাডেমিক ভুবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

মার্কেট খোলার ঘোষণা গণপরিবহন চালুর চাপ

অনলাইন ডেস্ক |
  • প্রকাশকাল | শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১
  • ১২০ বার পঠিত

দ্বিতীয় দফা কঠোর বিধিনিষেধের অথবা ‘সর্বাত্মক লকডাউনে’র দ্বিতীয় দিনের মাথায় কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসার বার্তা আসতে শুরু করেছে। এ পর্যায়ে কাল রবিবার থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শপিং ও দোকানপাট খোলার প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে গতকাল শুক্রবার। দোকানপাট খোলার সরকারি সিদ্ধান্তের সঙ্গে সঙ্গে গণপরিবহন খুলে দেওয়ার দাবিও উঠে এসেছে বিভিন্ন মহল থেকে। দ্বিতীয় দফার বিধিনিষেধের সময়ই সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, এরপর আর কঠোর বিধিনিষেধ না-ও থাকতে পারে। সরকারের দায়িত্বশীলরা বলেছিলেন, দ্বিতীয় দফার বিধিনিষেধ ২৮ এপ্রিল শেষ হলে ধীরে ধীরে  শিথিল করা হবে। সংক্রমণের হার ও মৃত্যুর সংখ্যা পর্যবক্ষেণ করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা বলছেন, হুট করে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেই দোকানপাট খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তারাও মনে করেন, আর্থসামাজিক অবস্থা বিবেচনায় দেশে বেশিদিন লকডাউন রাখা সম্ভব নয়। এতে অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তবে তারা ২৮ এপ্রিলের আগে দোকানপাট খোলার বিষয়টিকে ঝুঁকি মনে করছেন। তারা বলেন, দোকানপাট খুলে দিলে মানুষের চাপ বাড়বে এবং পরিবহনসংকট দেখা দেবে। ফলে একটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হবে। তারা বলছেন, ৫ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত যে ঢিলেঢালা বিধিনিষেধ ছিল তাতে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কিছুটা কাজ হলেও উচ্চ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। ফলে কঠোর বিধিনিষেধ দিতে হয়েছে। ঈদ সামনে রেখে এমনিতেই বড় ধরনের ঝুঁকির আশঙ্কা রয়েছে। তাই সরকারের উচিত ছিল ২৮ এপ্রিলের পর সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনা।

গতকাল শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আগামী রবিবার থেকে দোকানপাট ও শপিং মল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট খোলা যাবে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, কভিড-১৯ বিস্তার রোধে সার্বিক কার্যাবলি ও চলাচলে চলমান বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল হতে পারে। চলমান বিধিনিষেধ ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। পরবর্তী শিথিলতার বিষয়ে সিদ্ধান্ত ২৮ তারিখের মধ্যে জানানো হবে। তবে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে  এবং নো মাস্ক নো সার্ভিস নিশ্চিত করা হবে বলেও জানান তিনি। এর আগে গত বৃহস্পতিবার থেকে আরও এক সপ্তাহ লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়ে মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করে।

এদিকে করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে লকডাউনের মধ্যেই সরকার পুনরায় শপিং মল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় এবার বাস ও মিনিবাস চলাচল শুরু করতে চান সড়ক পরিবহন নেতারা। গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ দেশ রূপান্তরকে বিষয়টি জানিয়েছেন। এনায়েত উল্লাহ বলেন, ‘আমরা মন্ত্রী এবং সচিবের সঙ্গে কথা বলছি। আলোচনা করছি কিন্তু ২৮ তারিখের আগে গণপরিবহন খোলা সম্ভব না।’ কবে আলোচনা হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গতকাল (বৃহস্পতিবার) কথা হয়েছে। আবার কথা বলব। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই আমরা পরিবহন পরিচালনা করব।’ তিনি বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। কিন্তু এ বিষয়ে তারা এখনো কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি।’

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. বেনজীর আহমেদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, লম্বা সময় লকডাউন সম্ভব নয়, এটা সত্যি। কিন্তু বারবার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনও কিন্তু ক্ষতির দিকে নিয়ে যেতে পারে। এমনিতেই ২৮ এপ্রিল কঠোর বিধিনিষেধের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এর মধ্যে ২৫ এপ্রিল রবিবার দোকানপাট খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত না হলেই ভালো ছিল। মাত্র তিন দিনের জন্য বিশৃঙ্খলা করার দরকার ছিল না। কারণ, এই দোকানপাট খোলার সিদ্ধান্তের সঙ্গে সঙ্গে কাল (শনিবার) থেকেই জনগণের মুভমেন্ট বাড়বে। গণপরিবহন বন্ধ আর দোকান মালিকরা কর্মীদের আসতে চাপ দেবেন কিংবা কর্মীরা চাকরি হারানোর ভয়ে যেকোনা উপায়ে কর্মস্থলে আসার চেষ্টা করবেন। ফলে হয়রানির পাশাপাশি একটা অস্থিরতা দেখা দেবে। আমরা যেভাবেই দেখি না কেন, ২০ দিনে ধীরে ধীরে যে সংক্রমণ কমে এসেছে, তা কিন্তু কঠোর বিধিনিষেধেরই সুফল। শেষ মুহূর্তে এসে ধৈর্য হারানোর কারণ খুঁজে পাচ্ছি না। এখন জনগণকে সচেতন করতে ক্যাম্পেইন দরকার। মাস্ক ও স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে শতভাগ সতর্ক থাকতে হবে। আর এখন গ্রাম থেকে কর্মস্থলে কীভাবে মানুষ আসবে, সেদিকটা চিন্তা করার সময় হয়েছে। দোকানপাটের সঙ্গে গণপরিবহন চালুর বিষয় একেবারেই জড়িত।

জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. লেনিন চৌধুর বলেন, লকডাউন বা কঠোর বিধিনিষেধ নিয়ে এবার সিদ্ধান্তহীনতা ছিল শুরু থেকেই। আর ব্যবসায়ীদের চাপটা একটু বেশি হয়ে গেছে। আমরা এখনো ঝুঁকিমুক্ত নয়। ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে কোনো শিথিলতার সুযোগ দেওয়া মনে হয়ে সঠিক হয়নি।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের একাধিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেছেন, সরকারপক্ষ চেয়েছিল ২৯ এপ্রিল থেকে ধীরে ধীরে লকডাউন শিথিল করতে। কিন্তু করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে উচ্চ সংক্রমণের পর সরকার সর্বাত্মক লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিলেও এবার ব্যবসায়ীরা লকডাউন না দেওয়ার দাবিতে সোচ্চার ছিলেন। একইভাবে শ্রমজীবী মানুষদের মধ্যেও বিধিনিষেধ না মানার বিষয়টি প্রকট হয়। ফলে চলমান লকডাউনের মধ্যেই কয়েক দিন নানা উপায়ে মানুষ শহর থেকে গ্রামে এবং গ্রাম থেকে শহরে আসা-যাওয়া করছে; বিশেষ করে গত বৃহস্পতিবার দোকান মালিকদের কাছ থেকে দোকানপাট খোলার আভাস পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার রাত থেকেই রাজধানীসহ দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরে মানুষ আসতে শুরু করেছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় অনেককে পিকআপ ভ্যান, মাইক্রো, প্রাইভেট কারে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েও আসতে দেখা গেছে। আবার কেউ সিএনজি অটোরিকশায় ভেঙে ভেঙে আসছেন।

ঢাকার সাভার, গাজীপুর, যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত ট্রাকে এসে বাকিটা পথ হেঁটে হেঁটে অনেককে ঢাকায় আসতে দেখা গেছে গতকাল।

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ ভয়ংকর আকারে আছড়ে পড়ে গত মার্চ থেকে। গত ২৯ মার্চ ৫ হাজার ১৮১ জন করোনা শনাক্তের মধ্য দিয়ে গত বছরের রেকর্ড ভাঙে। আর ৭ এপ্রিল ৭ হাজার ৬২৬ জন করোনার রোগী শনাক্ত হয়, যা এযাবৎকালের সর্বোচ্চ। ৬ এপ্রিল অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ৬৬ জনের মৃত্যু হয়। আর ১৯ এপ্রিল সর্বোচ্চ ১১২ জনের মৃত্যুর মাধ্যমে নতুন রেকর্ড গড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গত ৩১ মার্চ থেকে গণপরিবহনে সক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচলের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এ ছাড়া ১ এপ্রিল থেকে লঞ্চ ও ট্রেনেও সক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ ছাড়া ৪ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সারা দেশে নতুন বিধিনিষেধ জারি করে সরকার। ওই সময়ে প্রথমে সরকার দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। এ ছাড়া সক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন চলাচলের সিদ্ধান্তও বলবৎ থাকে। দুপুর ১টা পর্যন্ত ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বলা হয়। দোকানপাট বন্ধ রাখার প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন ব্যবসায়ীরা। তারা দেশব্যাপী বিক্ষোভ করতে থাকেন। বাধ্য হয়ে সরকার ৮ এপ্রিল এক প্রজ্ঞাপনে জানায়, ৯ এপ্রিল থেকে দোকানপাট খোলা থাকবে। এ ছাড়া ১০ এপ্রিল এক সিদ্ধান্তে বিধিনিষেধের মেয়াদ ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। এদিকে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুতে নিত্যনতুন রেকর্ড গড়তে থাকে দেশ।

৯ এপ্রিল সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘দেশে করোনা সংক্রমণ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার। সেই সঙ্গে বাড়ছে জনগণের অবহেলা ও উদাসীনতা। এ অবস্থায় সরকার জনস্বার্থে ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের জন্য সর্বাত্মক লকডাউনের বিষয়ে সক্রিয় চিন্তাভাবনা করছে।’ সেতুমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে নড়েচড়ে বসেন দেশের রপ্তানিমুখী কারখানার মালিকরা; বিশেষ করে পোশাক কারখানার মালিকরা একজোট হয়ে কারখানা খোলা রাখার বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ করতে থাকেন।

১১ এপ্রিল দুপুরে পোশাক কারখানার মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, টেক্সটাইল মিল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএ, রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিইএসহ এই খাতের সব সংগঠনের নেতারা পোশাক কারখানা খোলা রাখার দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে পোশাক কারখানা মালিকদের কয়েকজন নেতা অংশ নিয়ে কারখানা খোলা রাখার জন্য বিভিন্ন যুক্তি উপস্থাপন করেন। ওই বৈঠকে শিল্পকারখানা খোলা রেখেই ১৪ এপ্রিল থেকে কঠোর বিধিনিষেধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এমনকি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। ১২ এপ্রিল এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। সেখানে বেশ কিছু নির্দেশনাও দেওয়া হয়। যাদের বাইরে বের হতে হবে, তাদের জন্য পুলিশ পাসের ব্যবস্থা করা হয়। একত্রে বহু মানুষ পাস নিতে গিয়ে ওয়েবসাইটে অতিরিক্ত ট্যারিফ হয়। অনেকেই পাস নিতে পারছিলেন না।

এদিকে ১৪ এপ্রিল থেকে ব্যাংক বন্ধ থাকবে এমন সংবাদে ব্যাংকে ভিড় করতে থাকেন গ্রাহকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। ব্যাংকগুলোতে টাকা ফুরাতে থাকে। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে অনেককে টাকা না তুলেই ফেরত যেতে হয়। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন স্তরে সমালোচনার ঝড় ওঠে। সরকার বাধ্য হয়ে ১৩ এপ্রিল আরেক প্রজ্ঞাপনে জানায়, নতুন বিধিনিষেধের মধ্যেও সকাল ১০টা থেকে ১২.৩০ পর্যন্ত কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যাংক খোলা রাখা যাবে। ওই দিনই বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। ২০ এপ্রিল সরকারের আরেক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিধিনিষেধের মেয়াদ ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বর্ধিত হয়েছে বলে জানানো হয়। এদিকে রমজান ও ঈদ উপলক্ষে দোকানপাট বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ বাড়তে থাকে। তারাও সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ চালিয়ে যান।

সারা দেশে ১৪ এপ্রিল শুরু হওয়া কঠোর লকডাউন শেষ হওয়ার কথা ছিল ২১ এপ্রিল। তার আগেই রবিবার রাতে কভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির ৩১তম সভায় ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়। এরপরই সোমবার মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সচিবদের সভা থেকে লকডাউন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আসে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর ২২ থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত আরও এক সপ্তাহ লকডাউন বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

দ্বিতীয় দফা কঠোর বিধিনিষেধের অথবা ‘সর্বাত্মক লকডাউনের’ দ্বিতীয় দিনের মাথায় কঠোরতা থেকে সরে আসতে শুরু করল সরকার। গতকাল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের (মাঠ প্রশাসন সমন্বয় অধিশাখা) উপসচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত জারি করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে রবিবার থেকে দোকানপাট খোলা রাখা যাবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সব ধরনের দোকান ও শপিং মল খুলবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!