1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত জলঢাকায় ইএসডিও- ডাভ সেলফ এস্টিম প্রকল্পের অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত তিস্তায় পানি বৃদ্ধি ২২ গ্রাম প্লাবিত হুমকির মুখে তিস্তার তীরবর্তী মানুষ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন জলঢাকায় শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন করেছে যুবলীগ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নারী উদ্দোক্তা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আনন্দের ভাগিদার হতে ছুটে এসেছি জলঢাকায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে ড. তুরিন আফরোজ জলঢাকায় মঙ্গলদ্বীপের উদ্যোগে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত জলঢাকায় প্রতিমাকে দৃষ্টিনন্দন করতে রং তুলির কাজে ব্যস্ত এখন কারিগররা জলঢাকায় অনির্বাণ স্কুলে একাডেমিক ভুবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

অনিশ্চয়তার মুখে কোভ্যাক্স

অনলাইন ডেস্ক |
  • প্রকাশকাল | শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১
  • ৯৮ বার পঠিত

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় পৃথিবীর দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তার উদ্দেশ্য নিয়েই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তত্ত্বাবধানে জাতিসংঘ কোভ্যাক্স প্রকল্প চালু করেছিল। এই প্রকল্পের আওতায় ধনী দেশগুলোর পাশাপাশি দরিদ্র দেশগুলোতেও ভ্যাকসিন নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু কোভ্যাক্স কর্মসূচির আওতায় বিশ্বজুড়ে আগামী মে মাসের মধ্যে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার যে পরিমাণ টিকা সরবরাহের কথা ছিল, তার মাত্র এক-পঞ্চমাংশ সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে। রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা, সংগ্রহ ও সরবরাহের ঘাটতির কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

অপর একটি কারণ হচ্ছে ভারতের সাম্প্রতিক করোনা পরিস্থিতি। টানা এক সপ্তাহ দুই লাখের বেশি সংক্রমণের পর দেশটিতে এখন সংক্রমণ তিন লাখের বেশিতে গিয়ে ঠেকেছে। গত কয়েক দিনে একের পর এক রেকর্ড ভেঙে করোনায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ভারত। দেশটিতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভ্যাকসিন সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। বিশ্বের ফার্মেসি হিসেবে আত্মপ্রকাশের কথা ছিল ভারতের। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে করোনা পরিস্থিতি দেশটিকে একেবারেই বিপর্যস্ত করে ফেলেছে। দেশটির টিকা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউট অর্থাভাবে প্রায় অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

এদিকে করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সবচেয়ে জোর দেওয়া হচ্ছে ভ্যাকসিনের ওপর। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একমাত্র ভ্যাকসিনের মাধ্যমেই করোনা থেকে বাঁচা সম্ভব। কিন্তু ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রেও দেখা দিয়েছে জটিলতা। অনেক ধনী দেশ ইতিমধ্যেই পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন মজুদ করতে পারলেও দরিদ্র দেশগুলো কবে নাগাদ ভ্যাকসিন পাবে তা এখনো নিশ্চিত নয়।

নিজ দেশের করোনা সংক্রমণের লাগাম টেনে ধরতে ভারত এখন অন্যসব দেশে আপাতত ভ্যাকসিন সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে ভারত কেবল ১২ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন বিদেশে সরবরাহ করতে পেরেছে। এর আগের তিন মাসে দেশটি বিভিন্ন দেশে ৬ কোটি ৪ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন সরবরাহ করেছে। দেশটির বেসরকারি সংস্থা সেরাম ইনস্টিটিউট সেখানে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন উৎপাদন করছে। ব্রিটেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং কোভ্যাক্স কর্মসূচির সঙ্গে সংস্থাটির যে প্রতিশ্রুতি ছিল তারা তা রাখতে পারছে না।

ভারতে আগামী ১ মে থেকে নতুন ধাপে শুরু হচ্ছে করোনারোধী ভ্যাকসিন কার্যক্রম। এ পর্যায়ে ১৮ বছরের বেশি বয়সী সবাইকেই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে প্রতি মাসে দেশটির আরও ২০ লাখ ডোজ বেশি প্রয়োজন পড়বে। তাই এই মুহূর্তে ভারতকে নিজেদের দেশে ভ্যাকসিন কার্যক্রমে বেশি জোর দিতে হচ্ছে। ফলে বিভিন্ন দেশে ভ্যাকসিনের সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক দেশই এখন ভারতকে বাদ দিয়ে অন্য কোনো দেশ থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে টিকা সরবরাহের দৌড়ে অনেকটা এগিয়েছে রাশিয়ার ভ্যাকসিন স্পুৎনিক-ভি।

ব্রাজিল এবং ইন্দোনেশিয়ার মতো বড় দেশগুলো আগামী মে নাগাদ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার যে পরিমাণ ভ্যাকসিন পাওয়ার কথা ছিল তারা পেয়েছে তার মাত্র এক-দশমাংশ। অপরদিকে কোভ্যাক্স কর্মসূচির আওতায় এ পর্যন্ত এক ডোজ ভ্যাকসিনও পায়নি বাংলাদেশ, মেক্সিকো, মিয়ানমার, পাকিস্তানসহ বেশ কয়েকটি দেশ। তবে মলডোভা, টুভালু, নাউরু ও ডোমিনিকা কোভ্যাক্স কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দকৃত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার সবগুলো ডোজের সরবরাহই পেয়েছে। এমন আরও অনেক দেশ এক-তৃতীয়াংশ বা তার কম ভ্যাকসিন ডোজ পেয়েছে।

আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডা পেয়েছে বরাদ্দের ৩২ শতাংশ টিকা। এই মহাদেশে তারাই সবচেয়ে বেশি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন পেয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!