1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
জলঢাকায় ইএসডিও- ডাভ সেলফ এস্টিম প্রকল্পের অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত তিস্তায় পানি বৃদ্ধি ২২ গ্রাম প্লাবিত হুমকির মুখে তিস্তার তীরবর্তী মানুষ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন জলঢাকায় শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন করেছে যুবলীগ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নারী উদ্দোক্তা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আনন্দের ভাগিদার হতে ছুটে এসেছি জলঢাকায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে ড. তুরিন আফরোজ জলঢাকায় মঙ্গলদ্বীপের উদ্যোগে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত জলঢাকায় প্রতিমাকে দৃষ্টিনন্দন করতে রং তুলির কাজে ব্যস্ত এখন কারিগররা জলঢাকায় অনির্বাণ স্কুলে একাডেমিক ভুবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন জলঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু পরিষদের আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

কল্যাণকর ইবাদত হজ

অনলাইন ডেস্ক |
  • প্রকাশকাল | সোমবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২১
  • ১০৪ বার পঠিত

পবিত্র রমজানের চৌদ্দতম তারাবিতে আজ তেলাওয়াত করা হবে কোরআনে কারিমের সতেরতম পারা। অর্থাৎ সুরা আম্বিয়ার শুরু থেকে সুরা হজের শেষ পর্যন্ত। আজকের তারাবিতে পঠিতব্য অংশে মৃত্যু, মানুষের ত্বরা প্রবণতার নিন্দা এবং হজরত ইবরাহিম (আ.) কে অগ্নিকু-ে নিক্ষেপের ঘটনাসহ বেশ কয়েকজন নবীর ঘটনা আলোচিত হয়েছে। এসব বিষয়ের মধ্যে বিশেষভাবে রয়েছে পবিত্র হজের আলোচনা। সুরা হজের ২৬ থেকে ৩৩ নম্বর পর্যন্ত আয়াতে এ প্রসঙ্গটি স্থান পেয়েছে। এ ছাড়া সুরা বাকারা ও সুরা আলে ইমরানেও হজ প্রসঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে।

হজ ইসলামের পঞ্চম স্তম্ভ। সামর্থ্যবানের ওপর জীবনে একবার হজ ফরজ। তাই হজ ইসলামের অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত। মহান আল্লাহ ইরশাদ করছেন, ‘যখন আমি ইবরাহিমকে বায়তুল্লাহর স্থান ঠিক করে দিয়ে বলেছিলাম, আমার সঙ্গে কাউকে শরিক করো না এবং আমার ঘরকে পবিত্র রাখ তওয়াফকারীদের জন্যে, নামাজে দ-ায়মানদের জন্যে এবং রুকু-সেজদাকারীদের জন্যে। এবং মানুষের মধ্যে হজের ঘোষণা দাও। তারা তোমার কাছে আসবে পায়ে হেঁটে এবং সর্বপ্রকার কৃশকায় উটের পিঠে সওয়ার হয়ে দূর-দূরান্ত থেকে। যাতে তারা তাদের কল্যাণের স্থান পর্যন্ত পৌঁছায় এবং নির্দিষ্ট দিনগুলোতে আল্লাহর নাম স্মরণ করে তার দেওয়া চতুষ্পদ জন্তু জবাই করার সময়। অতঃপর তোমরা তা থেকে আহার করো এবং দুঃস্থ-অভাবগ্রস্তকে আহার করাও। এরপর তারা যেন দৈহিক ময়লা দূর করে, তাদের মানত পূর্ণ করে এবং এই সুসংরক্ষিত ঘরের তওয়াফ করে। এটা শ্রবণযোগ্য, আর কেউ আল্লাহর সম্মানযোগ্য বিধানাবলির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করলে তার পালনকর্তার কাছে তা তার জন্যে উত্তম। উল্লেখিত ব্যতিক্রমগুলো ছাড়া তোমাদের জন্য চতুষ্পদ জন্তু হালাল করা হয়েছে। সুতরাং তোমরা মূর্তিগুলোর অপবিত্রতা থেকে দূরে থাক এবং মিথ্যা কথন থেকে দূরে থাক। আল্লাহর দিকে একনিষ্ঠ হয়ে, তার সঙ্গে শরিক না করে এবং যে কেউ আল্লাহর সঙ্গে শরিক করল, সে যেন আকাশ থেকে ছিটকে পড়ল, অতঃপর মৃতভোজী পাখি তাকে ছোঁ মেরে নিয়ে গেল অথবা বাতাস তাকে উড়িয়ে নিয়ে কোনো দূরবর্তী স্থানে নিক্ষেপ করল। এটা শ্রবণযোগ্য কেউ আল্লাহর নামযুক্ত বস্তুসমূহের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করলে তা তো তার হৃদয়ের আল্লাহভীতিপ্রসূত।’

উল্লেখিত আয়াতে কয়েকটি বিষয় লক্ষণীয়। যেমন আল্লাহতায়ালা হজরত ইবরাহিম (আ.) কে কাবার ঠিকানা বলে দিয়েছিলেন। এ থেকে বোঝা যায়, তার আগে কাবা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর প্রতিষ্ঠাতা নন, তিনি পুনঃনির্মাতা মাত্র।

কাবা ঘর পুনঃনির্মাণ সম্পন্ন হলে মহান আল্লাহ হজরত ইবরাহিম (আ.) কে দুটি আদেশ দিলেন। নামাজি ও হাজিদের জন্য এ ঘরকে পবিত্র রাখা এবং হজের ঘোষণা দেওয়ার। পবিত্রতার দুটি অর্থ। ময়লা, নোংরা, নাপাক থেকে আল্লাহর ঘরকে পবিত্র রাখা। আর মূর্তি, প্রতিমা, ভাস্কর্য, প্রতিকৃতি থেকে পবিত্র রাখা।

হজ সম্পর্কে আল্লাহ বলেছেন, ‘যাতে তারা পৌঁছায় তাদের কল্যাণের স্থানে।’ এ কল্যাণ যেমনিভাবে পার্থিব কল্যাণ তেমনিভাবে পরকালীন কল্যাণও। কাবা ঘর মানুষের সীমাহীন কল্যাণের স্থান। এ ঘরে মানুষ আসে দুটি উদ্দেশ্যে। হজের উদ্দেশ্যে অথবা উমরার উদ্দেশ্যে। আর এ দুই কাজের কোনোটা দ্বারাই মানুষ অভাবী হয় না, দরিদ্র হয় না। বরং হজ ও উমরা মানুষের অভাব, দারিদ্য দূর করে। কারও যদি অভাব থাকে আর কোনোভাবে হজ বা উমরা করার সামর্থ্য থাকে তবে সে তা করুক। এতে অবশ্যই সে অভাবমুক্ত হবে। এটা আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর ঘোষণা। পরকালীন কল্যাণ তো আলোচনার অপেক্ষাই রাখে না। এ ঘরের দিকে তাকিয়ে থাকাও সওয়াব, এ ঘরের চারপাশে প্রদক্ষিণ (তাওয়াফ) করাও সওয়াব, এ ঘরে অবস্থান করাও সওয়াব।

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের নিমিত্তে ইবাদত হিসেবে পশু জবাই করার সময় নির্ধারিত। জিলহজের ১০ তারিখ সকাল থেকে ১২ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত। বছরের অন্য কোনো সময় পশু জবাই করলে কোনো সওয়াব হয় না। কোরবানির পশুর গোশত কোরবানিদাতা নিজে খেতে পারবে, গরিব-মিসকিনকেও দিতে পারবে। শিকার হারাম হলেও গৃহপালিত পশু ইহরাম অবস্থায়ও হালাল। ইরশাদ হয়েছে, ‘এরপর তারা যেন দৈহিক ময়লা দূর করে দেয়, তাদের মানত পূর্ণ করে এবং এ সুসংরক্ষিত ঘরের তওয়াফ করে।’ এখানে হজের দুটি মাসয়ালা বলা হয়েছে। ইহরাম খোলা, মাথা মু-ন করা এবং শরীরে বিভিন্ন পশম পরিষ্কার করা এগুলো করতে হবে কোরবানির পর। আর এরও পরে করতে হবে তওয়াফে জিয়ারত, যে তওয়াফ হজের একটি ফরজ। যার অন্তরে আল্লাহর ভয় আছে সে আল্লাহর নাম জড়িত বস্তুসমূহের সম্মান করবেই। আল্লাহর নাম জড়িত বস্তুকে সম্মান করা অন্তরে আল্লাহর প্রতি সম্মান থাকার প্রমাণ।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!