1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
জলঢাকায় ফেন্সিডিল সহ গ্রেফতার- ২ পলাতক-১’জন মোটরসাইকেল জব্দ সৈয়দপুরে জীবিত স্বামীকে মৃত দেখিয়ে ১৭ বছর থেকে বিধবা ভাতা উত্তোলন, সমাজসেবা কর্তৃপক্ষ নির্বিকার ঝিকরগাছায় আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত জলঢাকায় ১১ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশের মাঝে ১০৯টি বাইসাইকেল বিতরণ জলঢাকায় যানজটে জনদুর্ভোগ বেড়েই চলছে : নিরসনের দাবি পৌরবাসির বেনাপোলে গৃহহীনদের ঘর নিয়ে ভুমি অফিসের সহকারীর বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ। ঝিকরগাছায় সাপের কামড়ে ১ গৃহবধূর মৃত্যু বেনাপোলে র‍্যাবের অভিযানে গাজাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী আটক সৈয়দপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বাইসাইকেল বিতরণ সৈয়দপুরে সাহিত্য আসরের ৪থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

গানের জন্য মন খারাপ ফরিদা পারভীনের

অনলাইন ডেস্ক |
  • প্রকাশকাল | সোমবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২১
  • ১০৪ বার পঠিত

টানা ৮ দিন হাসপাতালে করোনার চিকিৎসা নিয়ে গত ২০ এপ্রিল বাসায় ফিরেছেন লালন সংগীতের কিংবদন্তি শিল্পী ফরিদা পারভীন। তবে এখনো তিনি পুরোপুরি সুস্থ নন। স্বাস্থ্যঝুঁকি না থাকায় তাকে বাসায় ফেরার অনুমতি দিলেও ফরিদা পারভীন এখনো করোনামুক্ত হননি। গতকাল বিকেলে দেশ রূপান্তরকে এই শিল্পী বলেন, ‘আগামী ২৮ এপ্রিল আবার নমুনা পরীক্ষা করাব। আশা করছি ফলাফল নেগেটিভ আসবে। এখন করোনার নেগেটিভ রিপোর্টের অপেক্ষায় আছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাসায় ফিরলেও আমি পুরোপুরি সুস্থ নই। এখনো টানা কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে। তাই এতদিন ফোনটা বন্ধ ছিল। কিন্তু গত পরশু আমার ছোট ছেলে ফোনটা চালু করে দিয়েছে। তবে খুব একটা কথা বলা নিষেধ। এখন বাসাতেই ট্রিটমেন্ট চলছে। দুর্বলতা এখনো কাটেনি। এই বয়সে বেশ বড় একটা ধাক্কা গেল শরীরের ওপর দিয়ে। সেই ধকল কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি।’

এখন কী ধরনের খাবার খাচ্ছেন জানতে চাইলে ফরিদা পারভীন বলেন, ‘স্বাভাবিক খাবারই খেতে পারছি। তবে চিকিৎসকরা পুষ্টিকর খাবার বেশি খেতে বলেছেন। তাই খাবার তালিকায় ডিম, মাছ, মাংস, দুধ, ফলমূল রাখছি বেশি বেশি। আর পুরোটা সময় গরম পানির ওপরে আছি। গরম পানি দিয়ে গোসল, গরম পানি খাওয়া, গরম পানি দিয়ে ওযু করা, এসব চলছেই।’

ফরিদা পারভীনের মনটা আরও খারাপ হয়েছে দীর্ঘদিন গানের সঙ্গে থাকতে পারছেন না বলে। চিকিৎসকের কড়া নির্দেশ, দেড় দুই মাস গান করা যাবে না।

হাসপাতালে থাকলেও ফরিদা পারভীনের শারীরিক অবস্থা খুব বেশি আশঙ্কাজনক ছিল না। তিনি বলেন, ‘মানুষের ভালোবাসা আর একবার টের পেলাম। সবাই আমাকে এত ভালোবাসেন। সবাই মন খুলে আমার জন্য দোয়া করেছেন। তাদের দোয়ার বদৌলতেই আমি দিন দিন সেরে উঠছি। প্রত্যেকের প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।’

ফরিদা পারভীন যখন করোনার সঙ্গে লড়ছেন তখনই দেশের সিনেমার মিষ্টি মেয়ে কবরী করোনাযুদ্ধে পরাজয় বরণ করে না ফেরার দেশে চলে যান। সে খবর কখন পেলেন? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে একটা টিভি সেট রয়েছে। সেখানেই কবরী ম্যাডামের খবরটা জানতে পারি। খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। মানসিকভাবে আমিও কিছুটা ভীত হয়ে পড়েছিলাম। তবে চেষ্টা করেছি শক্ত থাকতে, নিজেকে সামলে নিয়েছি। এ সময় নিজেকে মানসিকভাবে শক্ত রাখা সবচেয়ে জরুরি। যদিও এই কাজটিও সবচেয়ে কঠিন।’

করোনা পজিটিভ হয়ে গত ১২ এপ্রিল থেকে রাজধানীর ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন লালনসম্রাজ্ঞী ফরিদা পারভীন। করোনা পজিটিভ ছাড়াও এই শিল্পী অনেক দিন ধরে কিডনি, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, থাইরয়েডসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন।

ফরিদা পারভীন লালনের গান গেয়ে দেশে-বিদেশে খ্যাতি পেয়েছেন। ১৯৫৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর নাটোর জেলার সিংড়া থানার শাওল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। জন্ম নাটোরে হলেও বড় হয়েছেন কুষ্টিয়ায়। ১৯৬৮ সালে রাজশাহী বেতারের তালিকাভুক্ত শিল্পী হিসেবে নজরুল সংগীত দিয়ে শুরু করেন। ১৯৭৩ সালের দিকে দেশাত্মবোধক গান গেয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। এরইমধ্যে সাধক মোকসেদ আলী শাহের কাছে ফরিদা পারভীন লালন সংগীতের তালিম নেন। এরপর থেকে তিনি মূলত লালনের গান সংগ্রহ, স্টাফনোটেশন তৈরি ও গাওয়া নিয়েই মূলত আছেন। ১৯৮৭ সালে ফরিদা পারভীন সংগীতাঙ্গনে বিশেষ অবদানের জন্য একুশে পদক পান। এছাড়া ২০০৮ সালে তিনি জাপান সরকারের পক্ষ থেকে এশিয়ার নোবেলখ্যাত ফুকুওয়াকা পুরস্কারও পেয়েছেন। সেরা প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে ১৯৯৩ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন লালন সঙ্গীতের এই নন্দিত শিল্পী।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!