1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
জলঢাকায় ফেন্সিডিল সহ গ্রেফতার- ২ পলাতক-১’জন মোটরসাইকেল জব্দ সৈয়দপুরে জীবিত স্বামীকে মৃত দেখিয়ে ১৭ বছর থেকে বিধবা ভাতা উত্তোলন, সমাজসেবা কর্তৃপক্ষ নির্বিকার ঝিকরগাছায় আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত জলঢাকায় ১১ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশের মাঝে ১০৯টি বাইসাইকেল বিতরণ জলঢাকায় যানজটে জনদুর্ভোগ বেড়েই চলছে : নিরসনের দাবি পৌরবাসির বেনাপোলে গৃহহীনদের ঘর নিয়ে ভুমি অফিসের সহকারীর বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ। ঝিকরগাছায় সাপের কামড়ে ১ গৃহবধূর মৃত্যু বেনাপোলে র‍্যাবের অভিযানে গাজাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী আটক সৈয়দপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বাইসাইকেল বিতরণ সৈয়দপুরে সাহিত্য আসরের ৪থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

তাসকিনের বোলিং প্রথম টেস্টে মুমিনুলের মূল প্রাপ্তি

অনলাইন ডেস্ক |
  • প্রকাশকাল | সোমবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২১
  • ৫৩ বার পঠিত
তাসকিনের বোলিং দেখে মনে হয় না…এটা তার মাত্র ৬ নম্বর টেস্ট। ও গত এক দেড় বছর থেকে অনেক চেষ্টা করছে, অনেক কষ্ট করছে। আমার মনে হয় এটা কষ্টের ফল। এই কন্ডিশনে এত লম্বা সময় বল করাও কঠিন। আমি খুবই খুশি ওর পারফরম্যান্সে মুমিনুল হক

মাথায় বিস্তর চাপ নিয়ে এই সিরিজে নামেন মুমিনুল হক। সিরিজের আগে সংবাদ সম্মেলনে তার উত্তরগুলোও সামলোচনার মূলে ছিল। এবার ভালো না করলে নেতৃত্ব নড়বড়ে হয়ে যেত তার। পাল্লেকেলে টেস্টের পর সব বোঝা মুমিনুলের মাথা থেকে নেমে যাবে। অ্যাওয়েতে ভারত-পাকিস্তান এবং হোমে উইন্ডিজের বিপক্ষে ব্যর্থতার পর মুমিনুলের জন্য চরম গরমে এক পশলা বৃষ্টির মতো স্বস্তি এনে দিল এই টেস্টের ফল। প্রথম টেস্ট থেকে মুমিনুলের জন্য ইতিবাচক দিক বেশ কয়েকটি। কাল ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সেসব নিজেই জানালেন। বিদেশে নিজের নেতৃত্বে প্রথম ড্র, প্রথম সেঞ্চুরি, তামিম ইকবালের ব্যাটিং, তাসকিন আহমেদের বোলিং; সব মিলিয়ে মুমিনুলরা ‘দল’ হিসেবে ভালো করেছেন। এই ইতিবাচক দিকগুলো থেকে আত্মবিশ্বাস নিয়ে দ্বিতীয় টেস্টে পা রাখবেন মুমিনুল।

এই টেস্টে সব বিভাগেই উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। সবচেয়ে বড় কথা দল হিসেবে সাফল্য পাওয়া। ‘আমরা গত হোম সিরিজ-অ্যাওয়ে সিরিজে এইরকম রেজাল্ট করতে পারিনি। একটা হোম সিরিজ হারার পর বিদেশে টেস্ট ড্র করতে পারা আমার কাছে মনে হয় ভালো দিক। দ্বিতীয় টেস্টে অবশ্যই সবার ভেতরে আত্মবিশ্বাস দেবে। সবাই দলগতভাবে খেলেছে, এটা বড় ব্যাপার। বাংলাদেশ যখনই দলগতভাবে খেলে তখনই ভালো করে। উন্নতির তো শেষ নেই। তবে তিনটা বিভাগেই আরও ভালো করতে পারি আমরা। নতুন বলে পেসারদের আরও উন্নতি করতে হবে। আমার কাছে মনে হয় ব্যাটিং আমাদের মূল শক্তি। কাজেই এই টেস্টের চেয়েও ব্যাটিংয়ে উন্নতি করতে হবে।’

প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের ব্যাটিং উন্নতির চিত্র লেখা হয়েছে তামিম ইকবালের ব্যাটে। তামিম যেন পুরনো ছন্দ ফিরে পেয়েছেন এই টেস্ট দিয়ে। এছাড়া নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরি এবং নিজের সেঞ্চুরিকে বড় করে দেখছেন মুমিনুল। বিশেষ করে তামিম ইকবালের ব্যাটিংকেই আলাদা করে দেখছেন তিনি। বাকিদের চেয়ে বেশি আত্মবিশ্বাসের কারণে নয়, তামিম স্বাভাবিক খেলেছেন বলেই এমন ভালো করেছেন, ‘আমাদের টোন সেট করে দিয়েছে তামিম ভাই। ওর ৯০ রানের ইনিংসটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তামিম ভাইয়ের খেলার ধরনই এরকম। আমার খেলার ধরেন আরেক রকম। উনি শটস খেলতে পছন্দ করে। আমার আজ ১১টা একশো, উনার মতো খেলতে গেলে হয়তো পাঁচটা হতো কি না সন্দেহ। তো একেকজনের খেলার প্যাটার্ন একেক রকম, একেকজনের খেলার প্ল্যান একেকরকম।’ সঙ্গে নিজের ব্যাটিংয়ের কথা বললেন এভাবে, ‘আমি চেষ্টা করি দলের হয়ে অবদান রাখার। বিদেশে এসে ওইভাবে হয়তো বড় করে অবদান রাখা হয়নি। আল্লাহর রহমতে এবার কিছুটা অবদান রাখতে পেরে খুশি।’

অধিনায়ক হিসেবে এই টেস্টে তার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি তাসকিনের বোলিং। এই পেসারের বল খুব উপভোগ করেছেন তিনি। একজন পরিণত পেসারের মতো খেলেছেন তাসকিন। ‘ওর বোলিং দেখে মনে হয় না…এটা তার মাত্র ৬ নম্বর টেস্ট। ও গত এক দেড় বছর থেকে অনেক চেষ্টা করছে, অনেক কষ্ট করছে। আমার মনে হয় এটা কষ্টের ফল। এই কন্ডিশনে এত লম্বা সময় বল করাও কঠিন। আমি খুবই খুশি ওর পারফরম্যান্সে।’

এদিকে ক্যারিয়ার সেরা স্কোরে (২৪৪) ম্যাচ সেরা হওয়া করুনারতেœকে নিয়ে বিস্ময় ছিল কীভাবে এতটা সময় মাঠে ছিলেন। লঙ্কান অধিনায়ক নিজের ক্লান্তি ছাপিয়ে দলের প্রয়োজনকেই সামনে রাখলেন। জানালেন পঞ্চম দিনেও দলের পরিকল্পনা যদি না থাকত তাহলে সারা দিন ব্যাট করতেন। লঙ্কার পরিকল্পনা ছিল কিছু রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করা। উইন্ডিজ সিরিজে বড় স্কোর মিস করার জেদ তাকে এই টেস্টে এতদূর নিয়েছে, ‘আসলে টেস্টে নামলে ৫ দিন মাঠে থাকার মানসিকতা থাকা দরকার। আমি সেটাই চিন্তা করেছি। হ্যাঁ কষ্ট হবে, কিন্তু দলের জন্য এটা সহ্য করা একজন পেশাদার ক্রিকেটারের কাজ। আর আমি এই উইকেটে দ্রুত আউট হতে চাচ্ছিলাম না। দেখলাম বাংলাদেশের সবাই ফিফটি করছে, কিন্তু আমি ফিফটি করে থামতে চাইনি। উইন্ডিজে ভালো ইনিংস খেলেও আউট হই। তাই এই কন্ডিশনে সেরকম ভুল যেন না করি সেদিকে খেয়াল রেখেছি। ধনঞ্জয়া আমাকে খুব সমর্থন দিয়েছে। সব মিলিয়ে লম্বা সময় ব্যাট করার চেষ্টায় সফল হয়েছি।’

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!