1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত জলঢাকায় ইএসডিও- ডাভ সেলফ এস্টিম প্রকল্পের অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত তিস্তায় পানি বৃদ্ধি ২২ গ্রাম প্লাবিত হুমকির মুখে তিস্তার তীরবর্তী মানুষ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন জলঢাকায় শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন করেছে যুবলীগ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নারী উদ্দোক্তা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আনন্দের ভাগিদার হতে ছুটে এসেছি জলঢাকায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে ড. তুরিন আফরোজ জলঢাকায় মঙ্গলদ্বীপের উদ্যোগে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত জলঢাকায় প্রতিমাকে দৃষ্টিনন্দন করতে রং তুলির কাজে ব্যস্ত এখন কারিগররা জলঢাকায় অনির্বাণ স্কুলে একাডেমিক ভুবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

মৌসুম শেষেও প্রণোদনা পায়নি পাট চাষিরা

অনলাইন ডেস্ক |
  • প্রকাশকাল | শনিবার, ১ মে, ২০২১
  • ৯১ বার পঠিত

দেশের অন্যতম প্রধান অর্থকরী ফসল সোনালি আঁশখ্যাত পাট চাষে উদ্বুদ্ধ করতে সরকারি দেওয়া প্রণোদনা এখনো পায়নি ফরিদপুর অঞ্চলের চাষিরা। তাদের অভিযোগ, প্রতিটি ইউনিয়নে গুটিকয় চাষির মাঝেই দেওয়া হয়েছে এই প্রণোদনা।

দীর্ঘদিন ধরে পাট উৎপাদনের শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে ফরিদপুর জেলা। প্রতিবছরই দেশের সেরা মানের পাট উৎপাদন হয় এ জেলার মাঠ থেকে। চলতি মৌসুমে জেলায় পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৮৬ হাজার হেক্টর জমিতে। কৃষি বিভাগ বলছে, এ পর্যন্ত জেলার লক্ষ্যমাত্রার ৯০ শতাংশ পাট চাষ সম্পন্ন হয়েছে। আর অল্প কিছুদিনের মধ্যে শেষ হবে পাট চাষের মৌসুম।

জেলার পাট অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ‘উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর পাট ও পাট বীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায়’ জেলা প্রতিটি উপজেলায় ২৫ শ চাষির মধ্যে প্রণোদনা হিসাবে (পাট বীজ ও সার) বিতরণ করা হচ্ছে। পাট চাষে চাষীদের আগ্রহী করতে সরকার পাট অধিদপ্তর জেলা পাট উন্নয়ন কর্মকতাদের মাধ্যমে চাষিদের বিঘা প্রতি এক কেজি উন্নত মানের বীজ ও তিন প্রকারের (টিএসপি, ইউরিয়া ও এমওপি) ১২ কেজি সার বিনামূল্যে প্রণোদনা হিসেবে দিচ্ছে। কিন্তু পাট চাষের মৌসুম শেষ হওয়ার প্রাক্কালেও জেলার নয় উপজেলার মধ্যে চারটিতে এখনো ওই প্রণোদনা দেওয়া শেষ হয়নি।

জেলার অধিকাংশ পাট চাষিরা বলছে, পাট চাষে সরকারি কোনো প্রণোদনা তাদের হাতে পৌঁছেনি, তাই বাধ্য হয়ে বাজারে পাওয়া অধিক মূল্য দিয়ে বীজ ক্রয় করে ক্ষেতে চাষ করতে বাধ্য হতে হচ্ছে।

ফরিদপুর সদর উপজেলার চরমাধবদিয়া ইউয়িনের কয়েকটি মাঠে গিয়ে কথা হয় পাট চাষি কবির শেখ, মো. হানিফ শেখ, ছগির শেখ, হাফেজা বেগমসহ বেশ কয়েক পাট চাষীর সঙ্গে ।

তারা জানান, ‘প্রকৃত পাট চাষিরা সরকারিভাবে সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। স্থানীয় জনপ্রতিধিরা পছন্দের লোকদেরই সরকারি যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকে। এখানে প্রকৃত চাষিরা অধিকাংশই বঞ্চিত থেকে যায়। তাদের দাবি কৃষকের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি যে কোনো প্রণোদনা সঠিকভাবে বণ্টন করা হোক।’

চাষিরা আরো বলেন, পাট অধিদপ্তরের কোনো কর্মকর্তা চাষিদের কাছে আসে না, তারা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান-মেম্বরদের কাছ থেকেই চলে যায়।

ফরিদপুর জেলা পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক মো. লুৎফর আমিন এ প্রসঙ্গে জানান, উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট ও পাট বীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় আমরা উপজেলা পর্যায়ে ২৫ শ চাষির মধ্যে সরকারি প্রণোদনা দিচ্ছি। ইতিমধ্যে জেলার নয় উপজেলার মধ্যে পাঁচটিতে সরকারি প্রণোদনা দেওয়ার কাজ শেষ হয়েছে। এ ছাড়া অন্য চার উপজেলার কাজ চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রত্যেক উপজেলায় প্রণোদনা বন্টনের কমিটি রয়েছে, কোথাও কোনো অনিয়ম হলে তারাই তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

ফরিদপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. হয়রত আলী জানান, ফরিদপুর অঞ্চলের মাটিতে জগতবিখ্যাত পাট যেটাকে আমরা সোনালী আঁশ বলি সেটি উৎপাদিত হয়। চলতি মৌসুমে জেলায় পাটে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৮৬ হাজার হেক্টর জমিতে।

তিনি বলেন, চাষিদের যেকোনো প্রণোদনা সময়মতো দেওয়া দরকার। যাতে তারা সঠিক সময়ে ব্যবহার করতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!