1. admin@theinventbd.com : admin :
বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ০১:১২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
করোনায় একদিনে আরো ২৫৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৪৯২৫ করোনা টেস্টে গ্রামীণ জনগণের ভীতি নিরসনে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী সৈয়দপুরে বিধিনিষেধ না মানায় ১০ জনের ২৩ হাজার টাকা জরিমানা ও চোলাই মদসহ আটক যুবকের ৩ মাসের কারাদণ্ড সৈয়দপুর ব্যস্ততম বাজারের সড়কে ময়লার ভাগার॥ দুর্গন্ধে অতিষ্ট এলাকাবাসী ও পথচারী সৈয়দপুরে ধসে পড়ল সরকারী নির্মাণাধীন ভবন জলঢাকায় ক্যান্সার আক্রান্ত শিক্ষক মাধবকে শিক্ষক সংঘের পক্ষ থেকে চিকিৎসা সহায়তা প্রদান জলঢাকায় সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন উপলক্ষে যুবলীগের বৃক্ষরোপণ করোনায় একদিনে সর্বোচ্চ ২৪৭ মৃত্যু, ১৫১৯২ শনাক্ত সৈয়দপুরে ভুয়া কেসস্লিপসহ মাইক্রোবাস আটক করোনা: ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু আরও ২২৮, শনাক্ত ১১২৯১

কুড়িগ্রামে প্রায় ৮ হাজার মানুষের টিকার দ্বিতীয় ডোজ অনিশ্চিত

অনলাইন ডেস্ক |
  • প্রকাশকাল | শনিবার, ১ মে, ২০২১
  • ৫৪ বার পঠিত

কুড়িগ্রামে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রথম ডোজ নেওয়া টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে প্রায় ৮ হাজার মানুষের দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তবে, সরকারের চলমান তৎপরতায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই টিকার সরবরাহ পাওয়া যাবে বলে আশা করছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সর্বশেষ তথ্য মতে, জেলায় মোট ৮ হাজার ৫০০ ভায়ালে ৮৫ হাজার ডোজ টিকা সরবরাহ করা হয়। এর মধ্যে প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন ৪৬ হাজার ১২৮ জন। আর ১ মে (শনিবার) পর্যন্ত দ্বিতীয় ডোজের টিকা গ্রহণ করেছেন ২১ হাজার ৮০৬ জন। প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ মিলে জেলায় মোট ৬৭ হাজার ৯৩৪ ডোজ টিকা গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এখনও ২৪ হাজার ৩২২ জনের দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ বাকি রয়েছে। অন্যদিকে, ডোজের হিসেবে জেলায় অবশিষ্ট রয়েছে ১৭ হাজার ৬৬ ডোজ (অপচয় হওয়া ডোজের সংখ্যাসহ)। সে হিসেবে প্রথম ডোজ গ্রহণকারী ৭ হাজার ২৫৬ জনের দ্বিতীয় ডোজের টিকা সংকট রয়েছে।

তবে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ভ্যাকসিন স্টোরের তথ্য মতে গত বুধবার (২৮ এপ্রিল) পর্যন্ত স্টোরে কেবল মাত্র ৭৫০টি ভায়াল (৭ হাজার ৫শ’ ডোজ) অবশিষ্ট ছিলো। এছাড়াও উপজেলাগুলোতে কিছু ভায়াল সরবরাহ করা হয়েছে। তবে সেগুলো দিয়েও প্রথম ডোজ গ্রহণকারীদের দ্বিতীয় ডোজের চাহিদা পূরণ সম্ভব নয়। এছাড়াও কিছু ডোজের অপচয় তো রয়েছেই। সে হিসেবে দ্বিতীয় ডোজ থেকে বঞ্চিতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তাই টিকা সংকটের সংখ্যা ৮ হাজারকেও ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে টিকা সংকটে দ্বিতীয় ডোজ না পেলেও প্রথম ডোজ গ্রহণকারীদের ভ্যাকসিনেশন বিফলে যাওয়ার কোনও সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, প্রথম ডোজ গ্রহণ করার পর একজন মানুষের শরীরে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে প্রায় ৪০ ভাগ অ্যান্টিবডি তৈরি হতে পারে। এরপর এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া বারণ রয়েছে। ১২ সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পর শরীরে প্রায় ৭০ ভাগ করোনা প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরি হতে পারে। কোনও কারণে দ্বিতীয় ডোজ দিতে ব্যর্থ হলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির দেহে প্রথম ডোজের কারণে কিছু না কিছু অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। ফলে ভ্যাকসিন বিফলে যাওয়ার সুযোগ নেই।

তবে সরকারের গৃহীত তৎপরতা ও কার্যক্রমে দ্রুততম সময়ে দেশে টিকার সরবরাহ নিশ্চিত হবে বলে আশবাদ ব্যক্ত করেন এই চিকিৎসা কর্মকর্তা।

জেলায় ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমে টিকার কী পরিমাণ ডোজ নষ্ট হয়েছে সে হিসেব দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. হাবিবুর রহমান। তিনি অপচয়ের হিসাব প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আমরা এই (অপচয়ের) হিসাবটা দিতে চাচ্ছি না। দ্বিতীয় ডোজের সংকট থাকলেও আশা করি সরকারের চলমান তৎপরতায় খুব শিগগির আরও টিকা আমরা পেয়ে যাবো।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!