1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:১৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সৈয়দপুরে জীবিত স্বামীকে মৃত দেখিয়ে ১৭ বছর থেকে বিধবা ভাতা উত্তোলন, সমাজসেবা কর্তৃপক্ষ নির্বিকার ঝিকরগাছায় আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত জলঢাকায় ১১ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশের মাঝে ১০৯টি বাইসাইকেল বিতরণ জলঢাকায় যানজটে জনদুর্ভোগ বেড়েই চলছে : নিরসনের দাবি পৌরবাসির বেনাপোলে গৃহহীনদের ঘর নিয়ে ভুমি অফিসের সহকারীর বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ। ঝিকরগাছায় সাপের কামড়ে ১ গৃহবধূর মৃত্যু বেনাপোলে র‍্যাবের অভিযানে গাজাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী আটক সৈয়দপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বাইসাইকেল বিতরণ সৈয়দপুরে সাহিত্য আসরের ৪থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন সৈয়দপুরে উপজেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় বক্তারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রকৃত সৈনিকেরা ষড়যন্ত্রকে ভয় পায়না তারা লড়াই করেই বাঁচে, বিজয়ী হয়

জলকদর খালের ভাঙনের ঝুঁকিতে বাঁশখালীর বিস্তৃীর্ণ এলাকা

অনলাইন ডেস্ক |
  • প্রকাশকাল | রবিবার, ২ মে, ২০২১
  • ৪৬ বার পঠিত

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বুক চিরে বয়ে যাওয়া জলকদর খাল কখনও আশির্বাদ আবার কখনও অভিশাপে পরিণত হয়েছে এলাকাবাসীর জন্য। যোগাযোগ ও মালামাল পরিবহনের একমাত্র মাধ্যম জলকদর খাল দখল করে বাড়ি বানিয়ে কেউ হয়েছেন কোটিপতি আবার খালের ভাঙনের কবলে পড়ে কেউ হয়েছেন নিঃস্ব।

বাঁশখালীর পুকুরিয়া, সাধনপুর, বাহারছড়া, কাথরিয়া, সরল, গন্ডামারা, শেখেরখীল, চাম্বল বাংলাবাজার, পুইছড়ি ও ছনুয়া হয়ে জলকদর খালটি আবারও বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়েছে।

জলকদর খালের দু’পাশে বাহারছড়া, কাথরিয়া, গন্ডামারা, চাম্বল বাংলাবাজার, পুইছড়ি, শেখেরখীলসহ বিভিন্ন স্থানে ৫ শতাধিক ব্যক্তি অবৈধ দখল করে নানা ধরনের স্থাপনা করলেও অজ্ঞাত কারণে তা উচ্ছেদ করার কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ।

এদিকে জলকদর খালের ভাঙনে অন্যান্য স্থানের মতো শেখেরখীল ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সরকার হাট, মাহব্বত আলী পাড়া, কাছারী পাড়া, সিকদার পাড়া, বাতার পাড়ার ৫ সহ¯্রাধিক মানুষ রয়েছে ঝুঁকিতে।

যে কোনো সময় বাঁধ ভেঙে জোয়ারের লবণাক্ত পানি ঢুকে ঘটতে পারে বড় ধরনের বিপর্যয়। তাই স্থানীয় জনগণ জরুরি ভিত্তিতে এ এলাকায় বাঁধ সংস্কারে জন্য প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

গতকাল সরেজমিনে এ ভাঙন এলাকা পরিদর্শনকালে স্থানীয় ব্যবসায়ী আবদুর রশিদ, ইসহাক, আলী, আমিন সওদাগর, জাফর উল্লাহ, আবুসহ অনেকে জানান, জোয়ার আসলে স্থানীয়রা শঙ্কায় থাকেন কখন জানি বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকে।

ব্যবসায়ী আবদুর রশিদ জানান, সরকার হাট এলাকার এ বাঁধ জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার করা না হলে বর্ষা মৌসুমে ৫ সহস্রাধিক মানুষের দুর্ভোগের শেষ হবে না।

শেখেরখীল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইয়াছিন বলেন, জলকদর খালের শেখেরখীল এলাকায় বাঁধ সংস্কারের জন্য নানাভাবে আবেদন করা হয়েছে। এ এলাকার বাঁধ সংস্কার না হলে বর্ষায় অনেক বেশি কষ্ট পাবে জনগণ এমনকি চলাচলও করতে পারবে না।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁশখালীর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী প্রকাশন চাকমা বলেন, বাঁশখালীর অভ্যন্তরীণ জলকদর খালের দু’পাশে ৬০ কি.মি. এবং সাঙ্গু নদীর ৪.৭০ কিলোমিটার বাঁধ সংস্কারের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। আর বাঁশখালীর উপকূলীয় ২৯৩ কোটি টাকার চলমান কাজে ছনুয়া ছাড়া অন্যান্য এলাকার কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

বাঁশখালীর উপকূলে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের ব্যাপারে বাঁশখালীর সাংসদ আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, আমি প্রথম সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর আমার প্রথম দাবি ছিল বাঁশখালীর উপকূলে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার দাবি রেখেছেন। বর্তমানে স্থায়ী বাধেঁর কাজ শেষ পর্যায়ে। উপকূলে আবারো নতুন করে শুরু হয়েছে বসতি ও নানা ধরনের সবজি চাষ।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!