1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
জলঢাকায় ইএসডিও- ডাভ সেলফ এস্টিম প্রকল্পের অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত তিস্তায় পানি বৃদ্ধি ২২ গ্রাম প্লাবিত হুমকির মুখে তিস্তার তীরবর্তী মানুষ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন জলঢাকায় শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন করেছে যুবলীগ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নারী উদ্দোক্তা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আনন্দের ভাগিদার হতে ছুটে এসেছি জলঢাকায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে ড. তুরিন আফরোজ জলঢাকায় মঙ্গলদ্বীপের উদ্যোগে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত জলঢাকায় প্রতিমাকে দৃষ্টিনন্দন করতে রং তুলির কাজে ব্যস্ত এখন কারিগররা জলঢাকায় অনির্বাণ স্কুলে একাডেমিক ভুবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন জলঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু পরিষদের আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

মমতার হ্যাটট্রিক

অনলাইন ডেস্ক |
  • প্রকাশকাল | সোমবার, ৩ মে, ২০২১
  • ৬৬ বার পঠিত
সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের রাজনীতি ফের ব্যর্থ হলো ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। ‘সাম্প্রদায়িকতার ঝাণ্ডা’ উড়িয়ে আপ্রাণ চেষ্টার পরও রাজ্যটির বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে হেরে গেল দেশটির কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দফায় দফায় বাংলা সফর, তৃণমূল কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন নেতাকে দলে ভিড়িয়েও লাভ হলো না। আটকাতে পারল না তৃণমূল কংগ্রেসকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বিধানসভার ৮ দফার ভোটে ২৯৪ আসনের মধ্যে ভোট হয়েছে ২৯২টিতে। সেগুলোর মধ্যে এখন পর্যন্ত মমতার দল তৃণমূল পেয়েছে ২১৫টি আসন। অন্যদিকে বিজেপির ঝুলিতে গেছে ৭৫টি। তিন দশকের বেশি সময় ধরে রাজ্য শাসন করা বামফ্রন্ট পেয়েছে মাত্র ১ আসন, আরেকটি পেয়েছেন স্বতন্ত্র এক প্রার্থী। বাকি দুটি আসনের মধ্যে ‘ব্যাটেল গ্রাউন্ড’খ্যাত নন্দীগ্রাম আসনে নানা নাটকীয়তার পর বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীকে বিজয়ী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এই আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নির্বাচন কমিশন জানায়, নন্দীগ্রাম আসনে ১ লাখ ৯ হাজার ৬৭৩ ভোট পেয়েছেন শুভেন্দু। আর মমতা পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৯৩৭ ভোট। এর আগে রবিবার দিনভর এই আসনের ভোট গণনায় মমতার সঙ্গে বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলতে থাকে। সন্ধ্যায় এনডিটিভি, টাইমস অব ইন্ডিয়া ও আনন্দবাজার পত্রিকাসহ ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো খবর দেয়, শুভেন্দুকে ১ হাজার ২০২ ভোটে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর কিছুক্ষণ পর আনন্দবাজার শুভেন্দু অধিকারীর জয়ের খবর দেয়। আলোচিত আসনটির ফল যাই হোক, তৃতীয়বারের মতো রাজ্যটির জনগণ তাদের শাসক হিসেবে তৃণমূলকেই পাচ্ছে। নবান্নের প্রধান হচ্ছেন মমতাই!

এদিকে নিজে আসনের ফল নিয়ে বিভ্রান্তির মধ্যেই রাজ্যবাসীকে ধন্যবাদ জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল বিকেলে প্রথম দফায় নন্দীগ্রামে তাকে জয়ী ঘোষণার পর কালীঘাটে উপস্থিত হওয়া অগণিত কর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে মমতা বললেন, ‘এই জয় বাংলার জয়। বাংলাই পারে।’ এরপরই মমতা স্পষ্ট করে দেন, ‘এখন প্রথম কাজ করোনা নিয়ন্ত্রণ। কভিডের জন্য সবাই যত্ন নিন।’

মমতা বলেন, ‘জেতার পর আমাদের প্রধান কাজ হবে রাজ্যের কভিড পরিস্থিতি মোকাবিলা করা। আমি কেন্দ্রের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি বিনামূল্যে সবাইকে টিকা দেওয়ার জন্য। নইলে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে ধরনা শুরু করব আমি।’

কভিডের মধ্যে দলীয় কর্মীদের সংযত থাকারও বার্তা দেন মমতা। তিনি বলেন, ‘আমি সবাইকে বলব এই মুহূর্তে বিজয় উৎসব করবেন না। কভিড পরিস্থিতি ঠিক হয়ে গেলে ব্রিগেডে বিজয় উৎসব করব আমরা।’

এরপরই কালীঘাটে নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে পায়ে হেঁটে অফিসে ঢুকেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ১১ মার্চ নন্দীগ্রামের বিরুলিয়া বাজারে পায়ে চোট পেয়েছিলেন মমতা। তার পর থেকে হুইলচেয়ারই ছিল তার সবসময়ের সঙ্গী। সম্প্রতি জানিয়েছিলেন, বাড়ি ফিরতে পারছেন না বলে প্লাস্টার কাটাতে পারছেন না পায়ের। অবশেষে রাজ্যে ফের ক্ষমতায় আসার দিনই নিজের পায়ে উঠে দাঁড়ালেন মমতা।

এর কিছু সময় পরে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীকে জয়ী ঘোষণা করা হলে কমিশনের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন মমতা। বলেন, ‘প্রথমে বলল আমি জিতেছি। পরে আবার অন্য কথা বলছে। একটা রাজ্যের সব কেন্দ্রের এক রায় আর একটা কেন্দ্রে অন্য রায় হতে পারে না। চার ঘণ্টা সার্ভার ডাউন ছিল। কারচুপি, ভোট লুট হয়েছে। দল পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছে। দরকার পড়লে আদালতে যাব।’

আনন্দবাজার লিখেছে, মমতা পরে সাংবাদিকদের সামনে বলেন, ‘নন্দীগ্রাম নিয়ে উদ্বিগ্ন হবেন না। আমি নন্দীগ্রামের পক্ষে লড়াই করেছি কারণ আমি একটি আন্দোলনে লড়েছি। নন্দীগ্রামের মানুষদের তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী রায় দিতে দিন। আমি রায় মেনে নেব। আমি কিছু মনে করব না। আমরা ২১৫টির বেশি আসনে জিতেছি এবং বিজেপি নির্বাচনে হেরে গেছে।’

এরপরই আবার মমতার দল তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনের গণনা যেহেতু শেষ হয়নি, এ নিয়ে অনুমাননির্ভর কথা না বলাই শ্রেয়।

গতকাল রবিবার আসনটির ভোট গণনায় কখনো শুভেন্দু এগিয়ে থেকেছেন, কখনো এগিয়েছেন মমতা। বিকেল ৫টার দিকে মমতাকে প্রাথমিকভাবে জয়ীও ঘোষণা করা হয়। তবে ঘণ্টাখানেক পরেই শুভেন্দু সংবাদমাধ্যমকে জানান, আসনটিতে তারই জয় হয়েছে। এরপরই মমতা ঘোষণা দেন নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হবেন। এরপরই আসনটির ফল স্থগিত করে কমিশন।

এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, মমতা হেরে গেলে তিনি কি মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন? ভারতের সংবিধানের আর্টিকেল ১৬৩ ও ১৬৪ অনুযায়ী, কাউকে মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্যের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য হতে চাইলে বিধানসভার সদস্য হতে হবে। ওই ধারায় বলা হয়েছে, রাজ্যের বিধানসভার সংখ্যাগরিষ্ঠ আইন প্রণেতারাই মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন করবেন। আরও বলা হয়েছে, টানা ছয় মাস মন্ত্রী কিংবা মুখ্যমন্ত্রী থাকতে গেলে তাকে রাজ্যের কোনো একটি আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে আসতে হবে। অন্যথায় ১৮০ দিন পর তার পদ বাতিল হয়ে যাবে।

সংবিধানের এসব ধারা অনুযায়ী, তৃণমূল কংগ্রেসকে ক্ষমতা ধরে রেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরে যান তাহলে তিনি অন্য কোনো একটি আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে আসতে ৬ মাস সময় পাবেন। সেক্ষেত্রে দলের কোনো এক সদস্যকে পদত্যাগ করে তার আসনটি শূন্য করে দিতে হবে। আর সেখান থেকেই নির্বাচন করে রাজ্যের আইনপ্রণেতা নির্বাচিত হবেন তিনি।

গতকাল ফলাফল ঘোষণায় দেখা যায়, তৃণমূল প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ ভোট পেয়েছে। বিজেপি পেয়েছে ৩৬ শতাংশ। কংগ্রেস আড়াই ও সিপিএম সাড়ে চার শতাংশ ভোট পেয়েছে। অবশ্য দেশটির অন্যতম শক্তিশালী রাজনৈতিক দল কংগ্রেস এবারের ভোটে না আসায় এবং বামফ্রন্টের ভরাডুবি হওয়ায় ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় তৃণমূল ও বিজেপি দুই দলেই আসন বেড়েছে। ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলোর হিসাবে এবারের বিধানসভায় আসন সবচেয়ে বেশি বেড়েছে বিজেপির। এবার দলটির আসন বেড়েছে ৭২ শতাংশ, ২০১৬ সালে যেখানে মাত্র ৩টি আসন ছিল ধর্মভিত্তিক দলটির সেখানে এবার জিতেছে ৭৫টিতে। তৃণমূলের বেড়েছে ৬ শতাংশ। অন্যদিকে বামফ্রন্টের আসন কমেছে ৭২ শতাংশ। এই ফলাফলের কারণে অবশ্য বিজেপির রাজ্য প্রধান দিলীপ ঘোষের দাবিÑ হারলেও রাজ্যে তাদের উন্নতি হয়েছে বিস্তর।

দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘আমরা মাত্র ৩ আসনে জিতেছিলাম ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে। সেই জায়গায় ৫ বছরে আমরা যেখানে পৌঁছেছি সেটা কম নয়। তবে এটা ঠিক, যে লক্ষ্য আমরা নিয়েছিলাম তার তুলনায় আমাদের সাংগঠনিক ক্ষমতা কম।’

অবশ্য এই দিলীপ ঘোষই মোদি কিংবা অমিত শাহের মতোই বলেছিলেন, ২০০ এর কাছাকাছি আসন পাবে বিজেপি। কিন্তু ফলাফলে তিন অঙ্কেও পৌঁছাতে পারেনি দল। কিন্তু কেন এমন ফল হলো? দিলীপের বক্তব্য, ‘ক্ষমতায় আসার জন্য আরও পরিশ্রম করতে হবে আমাদের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২৫ বছর পরিশ্রমের পরে ক্ষমতায় এসেছেন। আমাদের অনেক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।’

এই নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব প্রায় গোটাটাই নিজেদের হাতে নিয়ে নিয়েছিল বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেটাও কি ফল খারাপ হওয়ার কারণ? দিলীপের ভাষ্য, এখনই ওই ভাবে কিছু বলা ঠিক হবে না। এই ফলের কারণ, দলের মধ্যে বিশ্লেষণ করে খুঁজে বার করতে হবে।’

তবে দলটির রাজ্য নেতাদের একাংশের মতো দিলীপের উল্টো। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহের নাম না নিলেও রাজ্যের এক শীর্ষ নেতা বলেছেন, যারা সেনাপতি হয়েছিলেন, জিতলে তারা কৃতিত্ব নিতেন। তাদের এখন হারের দায়ও নিতে হবে।

তার ভাষ্য, ‘প্রার্থী ঠিক করার ক্ষেত্রেও রাজ্য নেতাদের কথা অনেক সময়ই শোনা হয়নি। তাতে নিচুস্তরের কর্মীদের মনোবল ভাঙা হয়েছিল। সমর্থকদের মনোবলও যে ভেঙে গিয়েছিল তাও এখন স্পষ্ট।’

বিজেপির স্বপ্নভঙ্গের কারণ সম্পর্কে রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গী বলেন, ‘হয়তো বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে পছন্দ করেন।’

এবারের নির্বাচনে আরেকটি বিষয়ও পরিষ্কার হয়েছে যে, পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা কেবল হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপিকে ভোট দেয়নি। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের মতো হিন্দু বাঙালিরা এবার বিজেপিকে ঢেলে ভোট দিলে দলটি অনেকটাই এগিয়ে থাকত। কিন্তু সেই সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের রাজনীতি এবার ব্যর্থ করে দিয়েছে বাঙালি হিন্দুরা। যদিও রাজনীতি বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করছেন, কিছু হিন্দু ভোট বিজেপি পেয়েছে। মেরুকরণের সেই রাজনীতি একেবারে বৃথা যায়নি। তবে হিন্দুদের একটা বড় অংশ যে এবার তৃণমূলকে ভোট দিয়েছে সেটাও তারা স্বীকার করছেন।

এদিকে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইট করে প্রতিদ্বন্দ্বী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিনন্দন জানিয়েছেন। টুইটে তিনি বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়ে মমতা দিদিকে অভিনন্দন জানাই। জনগণের আকাক্সক্ষা পূরণে ও কভিড-১৯ মহামারী কাটিয়ে উঠতে কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা করবে।’

বিজেপির শীর্ষ নেতাদের অন্যতম ও ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনে বিজয়ের জন্য তৃণমূল নেত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। রাজনাথ বলেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই জয়ের জন্য অভিনন্দন। তার পরবর্তী মেয়াদে তার প্রতি আমার শুভেচ্ছা রইল।

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল মমতাকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘এই জয়ের জন্য অভিনন্দন। কী অসাধারণ লড়াই! পশ্চিমবঙ্গের মানুষকেও আমার শুভেচ্ছা।’

মমতাকে অভিনন্দন জানিয়ে টুইট করেছেন বিহারের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও ভারতের আলোচিত রাজনীতিবিদ লালুপ্রসাদ যাদব।

সমাজবাদী দলের প্রধান অখিলেশ যাদবও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি টুইটে বলেন, একজন নারীকে বিজেপি যেভাবে ‘দিদি, ও দিদি’ বলে কটাক্ষ করছিল, তার যোগ্য জবাব দিয়েছে বাংলার জনগণ। হ্যাশট্যাগে তিনি লিখেছেন ‘দিদি, জিও দিদি’।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!