1. admin@theinventbd.com : admin :
শুক্রবার, ০৬ অগাস্ট ২০২১, ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
জলঢাকায় শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকীর কর্মসূচী পালন করছে উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠন জলঢাকায় শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী পালন করেছে উপজেলা যুবলীগ ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ এর জন্মদিনে জলঢাকার ফাউন্ডেশনে কর্মীদের মিষ্ট মুখ সৈয়দপুরে করোনায় সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্টসহ দুই জনের মৃত্যু নীলফামারীর সৈয়দপুরে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) অভিযান পরিচালনা করে ৫শ’৭০ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছেন। জলঢাকায় ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গ্রেফতার – ১ সৈয়দপুরে মাদক ব্যবসার জের, ভুড়ি বের করে দিলো প্রতিপক্ষ পাথর বোঝাই ৪০টি ওয়াগন নিয়ে বাংলাদেশে আসলো ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রেন ডিমলায় ভিজিডি কার্ডের চাল না দেয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের নামে থানায় জিডি জলঢাকায় ক্যান্সার আক্রান্ত দুই শিক্ষককে চিকিৎসা সহায়তা প্রদান

আবিষ্কারের নেশায় তিনবার সরকারি চাকরি ছেড়েছি’

কেএম হিমেল আহমেদঃ
  • প্রকাশকাল | বুধবার, ৩ মার্চ, ২০২১
  • ১২৫ বার পঠিত

 

‘আমি খুব ছোটবেলা থেকেই এসব যন্ত্রের প্রতি আসক্ত ছিলাম। প্রথম তৈরি করি বিমান। এতে আমাকে অনেক বেগ পেতে হয়েছে। এই বিমান পরীক্ষামূলক চালাতে গিয়ে একজনের ক্ষেতে আঁচড়ে পড়লে সব ফসল নষ্ট হয়ে যায়। তারপর থেকে কিছুটা ঘাবড়ে গিয়েছিলাম।’ কথাগুলো বলছিলেন রংপুর সদর উপজেলার কিশামত হরকলি গ্রামের হারুন আর রশিদ।

তিনি নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে, বাড়ির আশেপাশের মানুষের অনেক কটু কথা হজম করে তৈরি করছেন মহাকাশ দেখার যন্ত্র টেলিস্কোপসহ চার চারটি ভিন্ন ক্ষমতাসম্পন্ন মাইক্রোস্কোপ ও একটি ফিল্ম প্রজেক্টর। ইতোমধ্যে তিনি একটি হেলিকপ্টার তৈরির কাজও শুরু করেছেন। পেশায় তিনি একজন স্কুল শিক্ষক। পাশাপাশি একজন উদ্ভাবক ও চিত্রশিল্পী। ছোটবেলা থেকেই ক্লাসে মেধাবীদের একজন ছিলেন তিনি।

ছাত্রজীবনে বেশ কৃতিত্বের সঙ্গে মাধ্যমিকে রাজশাহী বোর্ডে চতুর্থ স্থান অধিকার করেন। এরপর উচ্চমাধ্যমিকের গণ্ডি পেরিয়ে রাশিয়ায় উচ্চশিক্ষার মেধাবৃত্তি পেলেও আর্থিক সমস্যার কারণে যেতে পারেননি। পরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত একটি কলেজে ফলিত পদার্থবিজ্ঞানে পড়ালেখা শুরু করলেও সমাপ্ত করা হয়ে উঠেনি। ব্যক্তিজীবনে তিনটি সরকারি চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন আবিষ্কারের নেশায়।

হারুন আর রশিদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ও জেলা প্রশাসকের কাছে সাহায্যের আবেদন করেও কাজ হয়নি। কোনো প্রকার সাহায্য না পেলেও থেমে থাকিনি। নিজের চাকরির অর্ধেক টাকা সংসার আর অর্ধেক টাকা দিয়ে যন্ত্রপাতি কিনি। এই মুহূর্তে সরকার যদি আমাকে সহযোগিতা করে, তাহলে আমি আমার চিন্তা-ভাবনা আরো ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারবো। আমি যেই যন্ত্রপাতি তৈরি করছি, তা বাজারে অন্য যন্ত্রপাতি থেকে কম খরচে উৎপাদন করতে পারি।

হারুন আর রশিদকে যারা সামনে থেকে দেখেছেন, তার কাজ পর্যবেক্ষণ করেছেন, তারা মনে করছেন, এমন প্রতিভাবানকে সুযোগ দিলে দেশ উন্নতির দিকে এগিয়ে যাবে। তারা চাইলে দেশের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারেন। তাই তাদের কৌশল নির্ধারণ করা এবং তা বাস্তবায়ন করার দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ‘হারুন আর রশিদ যে যন্ত্রগুলো তৈরি করেছেন, তা আমাদের জন্য খুবই গর্বের বিষয়। আমি তার এই কাজের পেছনে যতটুকু সহযোগিতা প্রয়োজন, করবো। আমাদের দেশের সুনাম তার মাধ্যমে বাড়বে, এই কামনাই করি।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!