1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সৈয়দপুরে জীবিত স্বামীকে মৃত দেখিয়ে ১৭ বছর থেকে বিধবা ভাতা উত্তোলন, সমাজসেবা কর্তৃপক্ষ নির্বিকার ঝিকরগাছায় আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত জলঢাকায় ১১ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশের মাঝে ১০৯টি বাইসাইকেল বিতরণ জলঢাকায় যানজটে জনদুর্ভোগ বেড়েই চলছে : নিরসনের দাবি পৌরবাসির বেনাপোলে গৃহহীনদের ঘর নিয়ে ভুমি অফিসের সহকারীর বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ। ঝিকরগাছায় সাপের কামড়ে ১ গৃহবধূর মৃত্যু বেনাপোলে র‍্যাবের অভিযানে গাজাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী আটক সৈয়দপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বাইসাইকেল বিতরণ সৈয়দপুরে সাহিত্য আসরের ৪থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন সৈয়দপুরে উপজেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় বক্তারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রকৃত সৈনিকেরা ষড়যন্ত্রকে ভয় পায়না তারা লড়াই করেই বাঁচে, বিজয়ী হয়

আল্লাহর আনুগত্য প্রকাশে ইতিকাফ

মুফতি মিজানুর রহমান
  • প্রকাশকাল | সোমবার, ৩ মে, ২০২১
  • ৭১ বার পঠিত

পবিত্র রমজানের দ্বিতীয় ভাগ মাগফিরাতের শেষ দিন আজ। আগামীকাল থেকে শুরু রমজানের নাজাতের অংশ। এই অংশের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত- ইতিকাফ। রমজানের শেষ ১০ দিন ইতিকাফ করা বিশেষ সওয়াবের কাজ। ইতিকাফের মাধ্যমে মুমিন বান্দারা লাইলাতুল কদর অন্বেষণ করেন। এ উপমহাদেশে লাইলাতুল কদর শবেকদর নামে বেশি পরিচিত। এ রাতটি হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। তাই প্রত্যেকেরই মহিমান্বিত এ রাতের তালাশে আত্মনিয়োগ করা উচিত। ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় রমজান মাসের শেষ ১০ দিন অথবা অন্য কোনো দিন জাগতিক কাজকর্ম ও পরিবার-পরিজন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ইবাদতের নিয়তে মসজিদে অথবা ঘরে নামাজের স্থানে অবস্থান করা ও স্থির থাকাকে ইতিকাফ বলে। ইতিকাফের মূল উদ্দেশ্য হলো, মসজিদে বসে আল্লাহর আনুগত্য করা, আল্লাহর অনুগ্রহ লাভে সচেষ্ট হওয়া, সওয়াব অর্জনের আশা করা এবং লাইলাতুল কদরের বরকত লাভে ধন্য হওয়া। এ জন্য ইতিকাফকারীকে আল্লাহর জিকির, কোরআন তেলাওয়াত, নামাজ, রোজা, দোয়া-দরুদ ও অন্যান্য ইবাদতে ব্যস্ত থাকা এবং পার্থিব বিষয়ে কথাবার্তা ও আলাপ-আলোচনা থেকে দূরে থাকা আবশ্যক।

হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) নিয়মিতভাবে প্রতি বছর রমজান মাসের শেষ ১০ দিন মসজিদে ইতিকাফ করতেন এবং সাহাবায়ে কেরামও ইতিকাফ করতেন। নবী করিম (সা.) ইতিকাফের খুব গুরুত্ব দিতেন। ইতিকাফের বিধিসম্মত সময় রমজানের ২০ তারিখ সূর্য অস্ত যাওয়ার কিছু আগে থেকে শুরু হয় এবং ঈদের চাঁদ দেখার সঙ্গে সঙ্গে তা শেষ হয়। ইতিকাফকারী পুরুষ রমজান মাসের ২০ তারিখ আসরের নামাজের পর সূর্যাস্তের আগে মসজিদে পৌঁছবেন এবং মসজিদের কোণে একটি ঘরের মতো পর্দা দিয়ে ঘেরাও করা স্থানে অবস্থান নেবেন। ঘেরাওকৃত স্থানে এমনভাবে পর্দা স্থাপন করবেন, যেন প্রয়োজনে জামাতের সময় তা খুলে মুসল্লিদের জন্য নামাজের ব্যবস্থা করা যায়। এ স্থানে পানাহার ও শয়ন করবেন এবং বিনাপ্রয়োজনে এখান থেকে বের হবেন না। তবে প্রাকৃতিক প্রয়োজনে অথবা ফরজ গোসল প্রভৃতি কাজে অথবা শরিয়তের প্রয়োজনে যেমন জুমার নামাজ প্রভৃতির জন্য বের হওয়া জায়েজ। কিন্তু প্রয়োজন পূরণের সঙ্গে সঙ্গেই ইতিকাফের স্থানে ফিরে যেতে হবে। ঈদের চাঁদ দেখা গেলে মসজিদ থেকে বেরিয়ে আসবেন। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে যে কেউ ইতিকাফ করলে সুন্নতে কিফায়া আদায় হয়ে যাবে। কিন্তু গ্রামের বা পাড়া-মহল্লার কেউ ইতিকাফ না করলে সবাই গোনাহগার হবে।

ইতিকাফকারীকে অবশ্যই রোজাদার হতে হবে। ইতিকাফের সর্বনিম্ন সময়সীমা এক রাত বলে হাদিসে উল্লেখ আছে। তবে ইতিকাফ দীর্ঘ সময় ধরে করা উত্তম, বিশেষত মাহে রমজানের শেষ ১০ দিন ইতিকাফ অবস্থায় থাকায় ‘লাইলাতুল কদর’ লাভের সৌভাগ্য হতে পারে।

লেখক : সিনিয়র পেশ ইমাম, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!