1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত জলঢাকায় ইএসডিও- ডাভ সেলফ এস্টিম প্রকল্পের অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত তিস্তায় পানি বৃদ্ধি ২২ গ্রাম প্লাবিত হুমকির মুখে তিস্তার তীরবর্তী মানুষ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন জলঢাকায় শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন করেছে যুবলীগ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নারী উদ্দোক্তা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আনন্দের ভাগিদার হতে ছুটে এসেছি জলঢাকায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে ড. তুরিন আফরোজ জলঢাকায় মঙ্গলদ্বীপের উদ্যোগে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত জলঢাকায় প্রতিমাকে দৃষ্টিনন্দন করতে রং তুলির কাজে ব্যস্ত এখন কারিগররা জলঢাকায় অনির্বাণ স্কুলে একাডেমিক ভুবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

আল্লাহর তরফে দোয়া কবুলের ওয়াদা

মুফতি মাহফূযুল হক
  • প্রকাশকাল | সোমবার, ৩ মে, ২০২১
  • ১৩৬ বার পঠিত

আজ সূর্যাস্তের পর শুরু হবে রমজানের তৃতীয় ভাগ নাজাতের অংশ। এই অংশে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতময় কিছু ইবাদত রয়েছে। এর অন্যতম হলো- ইতিকাফ।

ইতিকাফের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য হলো- নিরবচ্ছিন্ন ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন এবং পবিত্র শবে কদরের সন্ধান লাভ। হাদিসের মধ্যে বর্ণনা করা হয়েছে, শবে কদরকে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানের শেষ দশ দিন বেজোড় রাতগুলোতে তালাশ করার কথা বলেছেন। সেই হিসেবে যারা ইতিকাফের নিয়ত করেছেন, তারা সূর্যাস্তের আগে মসজিদে গমন করবেন।

আজ অনুষ্ঠিত হবে একুশতম তারাবি। আজকের খতম তারাবিতে কোরআনে কারিমের চব্বিশতম পারা তেলাওয়াত করা হবে। সুরা যুমারের ৩২ নম্বর আয়াত থেকে তেলাওয়াত শুরু করে সুরা আল মুমিন ও সুরা হা-মিম সেজদার ৪৬ নম্বর আয়াত পর্যন্ত তেলাওয়াত করা হবে।

আজকের তেলাওয়াতকৃত অংশে দোয়ার স্বরূপ এবং দোয়া কবুলের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়েছে। সুরা আল মুমিনের ৬০ নম্বর আয়াতে ইরশাদ হচ্ছে, ‘তোমাদের পালনকর্তা বলেন, তোমরা আমাকে ডাকো; আমি সাড়া দেব। যারা আমার ইবাদত অহংকার করে তারা সত্বরই জাহান্নামে দাখিল হবে লাঞ্ছিত হয়ে।’

দোয়ার শাব্দিক অর্থ ডাকা। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো প্রয়োজনে ডাকার অর্থে ব্যবহৃত হয়। কখনো জিকিরকেও দোয়া বলা হয়। উম্মতে মুহাম্মদির বিশেষ সম্মানের কারণে এই আয়াতে তাদেরকে দোয়া করার আদেশ করা হয়েছে এবং তা কবুল করার ওয়াদা করা হয়েছে। যারা দোয়া করে না তাদের জন্য শাস্তির বাণী উচ্চারণ করা হয়েছে।

তাফসিরে ইবনে কাসিরে বলা হয়েছে, আগের যুগে কেবল পয়গম্বরদের বলা হতো, দোয়া করুন; আমি দোয়া কবুল করব। এখন এই আদেশ সবার জন্য ব্যাপক করে দেওয়া হয়েছে এবং এটা উম্মতে মুহাম্মদির বৈশিষ্ট্য।

হজরত নোমান ইবনে বশির (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, দোয়াই ইবাদত। অতঃপর তিনি আলোচ্য আয়াত তেলাওয়াত করেন।

দোয়া প্রসঙ্গে হাদিসে আরও ইরশাদ হয়েছে, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আল্লাহর কাছে দোয়া অপেক্ষা অধিক সম্মানিত কোনো বিষয় নেই।’ -তিরিমিজি

অন্য হাদিসে আরও বলা হয়েছে, ‘দোয়া ইবাদতের মগজ।’ -তিরিমিজি

তিরিমিজি শরিফের হাদিসে, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে তার প্রয়োজন প্রার্থনা করে না, আল্লাহ তার প্রতি রুষ্ট হন।’

বর্ণিত আয়াতে ওয়াদা করা রয়েছে যে, বান্দা আল্লাহর কাছে যে দোয়া করে, তা কবুল হয়। কিন্তু মানুষ মাঝে-মধ্যে দোয়া কবুল না হওয়াও প্রত্যক্ষ করেন। এর জবাবে হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘মুসলমান আল্লাহর কাছে যে দোয়াই করে, আল্লাহতায়ালা তা দান করেন; যদি তা কোনো গোনাহ অথবা সম্পর্কচ্ছেদের দোয়া না হয়। দোয়া কবুল হওয়ার উপায় তিনটি। এর মধ্যে কোনো না কোনো উপায়ে দোয়া কবুল হয়। এক. যা চাওয়া হয়, তাই পাওয়া। দুই. প্রার্থিত বিষয়ের পরিবর্তে পরকালের কোনো সওয়াব ও পুরস্কার দান করা এবং তিন. প্রার্থিত বিষয় না পাওয়া। কিন্তু কোনো সম্ভাব্য বিপদ-আপদ সরে যাওয়া।’ -তাফসিরে মাজহারি

তবে এ আয়াতে দোয়া কবুলের কোনো শর্তের উল্লেখ নেই। কিন্তু একাধিক হাদিসে দোয়া কবুলের অন্তরায় হিসেবে যে সমস্ত বিষয় রয়েছে, সেগুলো থেকে দূরে থাকার কথা বলা হয়েছে। বিশেষ করে সব ধরনের হারাম থেকে দূরে থাকা, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন না করা, পিতা-মাতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করা ইত্যাদির প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

আজ থেকে যেহেতু রমজানের শেষ ভাগ শুরু হচ্ছে, তাই আমাদের কর্তব্য হলো ইবাদত-বন্দেগির পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়া। বিশেষ করে কোরআন তেলাওয়াত ও নফল নামাজ বেশি বেশি পড়া এবং শেষ রাতে আল্লাহর কাছে দোয়া করা। কারণ, রাতের ইবাদত ও দোয়া আল্লাহর কাছে অনেক মর্যাদা ও সম্মানের। রাতের দোয়া ও ইবাদতে তাওহিদের সাক্ষ্য দিয়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করলে সে দোয়া আল্লাহ ফেরত দেন না। হাদিসে এসেছে, ‘যখন তোমাদের কেউ রাতে জেগে আল্লাহর কাছে দোয়া করে, আল্লাহতায়ারা তার দোয়া কবুল করেন। আর যদি ওই ব্যক্তি অজু করে এবং নামাজ আদায় করে তবে সে নামাজও কবুল করা হয়।’ -সহিহ বোখারি

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!