1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সৈয়দপুরে জীবিত স্বামীকে মৃত দেখিয়ে ১৭ বছর থেকে বিধবা ভাতা উত্তোলন, সমাজসেবা কর্তৃপক্ষ নির্বিকার ঝিকরগাছায় আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত জলঢাকায় ১১ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশের মাঝে ১০৯টি বাইসাইকেল বিতরণ জলঢাকায় যানজটে জনদুর্ভোগ বেড়েই চলছে : নিরসনের দাবি পৌরবাসির বেনাপোলে গৃহহীনদের ঘর নিয়ে ভুমি অফিসের সহকারীর বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ। ঝিকরগাছায় সাপের কামড়ে ১ গৃহবধূর মৃত্যু বেনাপোলে র‍্যাবের অভিযানে গাজাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী আটক সৈয়দপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বাইসাইকেল বিতরণ সৈয়দপুরে সাহিত্য আসরের ৪থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন সৈয়দপুরে উপজেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় বক্তারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রকৃত সৈনিকেরা ষড়যন্ত্রকে ভয় পায়না তারা লড়াই করেই বাঁচে, বিজয়ী হয়

কিয়ামতের দিন কেউ কারও উপকারে আসবে না

মুফতি মাহফূযুল হক
  • প্রকাশকাল | মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১
  • ১৫৪ বার পঠিত

পবিত্র রমজানের ২২তম খতমে তারাবিতে আজ তেলাওয়াত করা হবে ২৫তম পারা অর্থাৎ সুরা হা-মিম সেজদার ৪৭ নম্বর আয়াত থেকে শুরু করে সুরা আশ শুরা, সুরা আজ জুখরুফ, সুরা আদ দুখান ও সুরা আল জাসিয়া শেষ পর্যন্ত। আজকের তেলাওয়াতকৃত অংশ থেকে সুরা আদ দুখান নিয়ে আলোচনা করা হলো।

সুরা আদ দুখান পবিত্র কোরআনের ৪৪তম সুরা। মক্কায় অবতীর্ণ হওয়া এ সুরায় রয়েছে ৫৯ আয়াত। দুখান শব্দের অর্থ ধোঁয়া। সুরার দশম আয়াতে এসেছে এই শব্দ। কোরআনে কারিমের মহত্ত্ব, পবিত্র এক রাতে কোরআন নাজিলের ঘটনা, আল্লাহর একত্ববাদ ও সৃষ্টি জগতে আল্লাহর মহত্ত্বের নানা নিদর্শন এবং কাফেরদের পরিণতি ও শাস্তি সুরা দুখানের প্রধান আলোচ্য বিষয়। এ ছাড়া সৃষ্টি জগতের অস্তিত্ব উদ্দেশ্যবিহীন না হওয়া, কিয়ামত ও দোজখবাসীর শাস্তি এবং খোদাভীরুদের পুরস্কার বেহেশত সম্পর্কেও আলোচনা রয়েছে এ সুরায়।

সুরার শুরুতে আল্লাহ বলছেন, ‘হা-মিম। শপথ সুস্পষ্ট কিতাবের। আমি একে নাজিল করেছি এক বরকতময় রাতে, নিশ্চয় আমি সতর্ককারী। এ রাতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয় স্থিরীকৃত হয়। আমার পক্ষ থেকে আদেশক্রমে, আমিই প্রেরণকারী।’ (সুরা দুখান : ১-৫)

ইসলামি স্কলারদের মতে, কোরআনে কারিমের বাণী অত্যন্ত স্পষ্ট, প্রকাশ্য, জীবন্ত ও গঠনমূলক। বরকতময় এক রাতে নাজিল হয় এই মহাগ্রন্থ। সেই রাতটি চিরস্থায়ী সব কল্যাণ আর ভালো বিষয়গুলোর উৎস। বেশির ভাগ ব্যাখ্যাবিদদের মতে, এখানে যে রাতটির কথা বলা হচ্ছে, তা হচ্ছে মহিমান্বিত রজনী শবেকদর। কোরআন নাজিল হওয়ার এই রাতটি মানবজাতির ভাগ্যকে করেছে স্বর্ণোজ্জ্বল সম্ভাবনায় প্রোজ্জ্বল। এ রাতের সমৃদ্ধিতে কুল-মাখলুকের প্রাণে জাগে অশেষ আনন্দের হিল্লোল।

এরপর সুরা দুখানের ৮ থেকে ১২ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলছেন, ‘তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি জীবনদান করেন ও মৃত্যু দেন। তিনি তোমাদের পালনকর্তা এবং তোমাদের পূর্ববর্তী পিতৃ-পুরুষদেরও পালনকর্তা। এতদসত্ত্বেও এরা সন্দেহে পতিত হয়ে ক্রীড়া-কৌতুক করছে। অতএব আপনি সেদিনের অপেক্ষা করুন, যখন আকাশ ধোঁয়ায় ছেয়ে যাবে (কোনো শাস্তিকিংবা বিপদ), যা মানুষকে ঘিরে ফেলবে। এটা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। (তখন মানুষ বলবে) হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের ওপর থেকে শাস্তি প্রত্যাহার করুন, আমরা বিশ্বাস স্থাপন করছি।’ কিন্তু বিপদ কেটে গেলে কিংবা শাস্তি চলে গেলে তারা আগের অবস্থায় ফিরে যায়।

এর মাধ্যমে মূলত তারা কোরআনে কারিমের সত্যতা এবং নবী করিম (সা.)-এর নবী হওয়া সম্পর্কে গভীর সন্দেহ পোষণ করে। সত্যের বিরুদ্ধবাদী এমন লোকদের বিষয়ে আল্লাহ বলছেন, ‘অতএব আপনি সেদিনের অপেক্ষা করুন, যখন আকাশ স্পষ্ট ধোঁয়ায় ছেয়ে যাবে, যা মানুষকে ঘিরে ফেলবে। এটা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। আর তখন ওরা বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের ওপর থেকে শাস্তি প্রত্যাহার করুন, আমরা বিশ্বাস স্থাপন করছি।’ এখানে স্পষ্ট ধোঁয়া বলতে আকাশের সেই স্পষ্ট ধোঁয়ার কথাই বলা হচ্ছে, যা কিয়ামতের প্রাক্কালে দেখা যাবে এবং তা গোটা আকাশকে ছেয়ে ফেলবে।

আসলে মন্দ লোকদের স্বভাব হলো, তারা কোনো বিপদে পতিত হলে, কিংবা কোনো শাস্তি আসতে দেখলে অনুশোচনা করে ও সঠিক পথে চলার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু শাস্তির লক্ষণ সরে গেলে, বিপদ কেটে গেলে আবারও অন্যায় এবং পাপাচার শুরু করে। এমন স্বভাব কোনো মুমিন-মুসলমানের হতে পারে না। এখান থেকে শিক্ষণীয় হলো, কোনোভাবেই স্বভাবে দ্বিচারিতা করা যাবে না। আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস, রাসুলের প্রতি ইমান এবং আনীত ধর্মকে মানতে হবে মনেপ্রাণে, গভীর বিশ্বাসের সঙ্গে।

সুরা দুখানের ৪০ নম্বর আয়াতের পর থেকে কয়েকটি আয়াতে কিয়ামত তথা বিচার দিবস, পাপীদের পরিণতি, বেহেশত আর বেহেশতবাসীর সুখময় জীবনের বিষয়ে বক্তব্য রয়েছে। ৪০ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলছেন, ‘নিশ্চয় ফয়সালার (কিয়ামত) দিন তাদের সবারই নির্ধারিত সময়।’ এরপরের দুই আয়াতে আল্লাহ বলছেন, ‘যেদিন কোনো বন্ধুই কোনো বন্ধুর উপকারে আসবে না এবং তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না। তবে আল্লাহ যার প্রতি দয়া করেন, তার কথা ভিন্ন। নিশ্চয় তিনি পরাক্রমশালী ও দয়াময়।’

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!