1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত জলঢাকায় ইএসডিও- ডাভ সেলফ এস্টিম প্রকল্পের অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত তিস্তায় পানি বৃদ্ধি ২২ গ্রাম প্লাবিত হুমকির মুখে তিস্তার তীরবর্তী মানুষ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন জলঢাকায় শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন করেছে যুবলীগ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নারী উদ্দোক্তা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আনন্দের ভাগিদার হতে ছুটে এসেছি জলঢাকায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে ড. তুরিন আফরোজ জলঢাকায় মঙ্গলদ্বীপের উদ্যোগে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত জলঢাকায় প্রতিমাকে দৃষ্টিনন্দন করতে রং তুলির কাজে ব্যস্ত এখন কারিগররা জলঢাকায় অনির্বাণ স্কুলে একাডেমিক ভুবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

অনলাইনে উপহারের লোভ দেখিয়ে কী লাভ?

অনলাইন ডেস্ক |
  • প্রকাশকাল | শনিবার, ১৩ মার্চ, ২০২১
  • ৫২ বার পঠিত

সহজলভ্য অনলাইন যোগাযোগের এমন সময়ে উপহারের প্রলোভন দেখিয়ে নানা সময়ে মোবাইল, ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, হোয়াটসঅ্যাপ বা ই-মেইলে বিভিন্ন ধরনের বার্তা আসতে পারে।

সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞরা এই সব বার্তা বা লিংক থেকে সাবধান থাকার পরামর্শ দেন। তবে অনেকের প্রশ্ন— উপহারের লোভ দেখিয়ে কোনো পক্ষ কী ধরনের সুবিধা পেয়ে থাকে?

বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ নিয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে।

সেখানে বলা হচ্ছে, সাধারণত নামি ব্র্যান্ডের পক্ষ থেকে মেসেজ আসলেও মূলত থার্ড পার্টি বা তৃতীয় একটা পক্ষ এই লিংক বা বার্তা পাঠিয়ে থাকে।

যে ব্র্যান্ড বা প্রতিষ্ঠানের নামে লিংকগুলো আসে তারা এগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে না। তাই মোবাইল, ল্যাপটপ বা এ ধরনের কোনো উপহারের লোভে মেসেজের নির্দেশনা অনুসরণ করলে শেষ পর্যন্ত হতাশই হতে হয়।

এই থার্ড পার্টি ওই সব নামকরা প্রতিষ্ঠানের সুনাম, খ্যাতি ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে।

সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ জেনিফার আলম বলেন, “এটা এক ধরনের স্ক্যাম বা প্রতারণা। একটা ফিশিং লিংক ব্যবহার করে তারা এই প্রতারণাটা করে। এতে করে একজনের ব্যক্তিগত তথ্য চলে যায় থার্ড পার্টির কাছে।”

এ সব ক্ষেত্রে আপাতদৃষ্টিতে থার্ড পার্টির দুটি লাভ দেখা যায় বলে জানান জেনিফার।

প্রথমত. যদি তারা কোন ব্যক্তিবিশেষকে টার্গেট করে তাহলে তারা সরাসরি এই ফিশিং লিংক তাকে পাঠাবে বা তার আশপাশের মানুষকে পাঠাবে যাতে করে টার্গেট করা ব্যক্তি পর্যন্ত এই লিংক বা বার্তাটা পৌঁছাতে পারে। এই ক্ষেত্রে ওই ব্যক্তি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহটা লক্ষ্য থাকে থার্ড পার্টির।

দ্বিতীয়ত, সর্বসাধারণের কাছে তারা এটা পাঠায়। এখানে কিছু মজার খেলা তারা সেট করে। যেমন একটা ধাপ পার করে আপনি পরের ধাপে যাবেন। সেখানে হয়তো দেখা যাবে আপনাকে বলবে আপনি একটা মোবাইল ফোন বা কোন ডিভাইস জিতেছেন। তবে ওই ডিভাইসটির দাম এক লাখ টাকা। তবে তারা (থার্ড পার্টি) আপনাকে অর্ধেক দামে দিতে পারবে। এই সময়ে অনেকে প্রলোভনে পড়ে টাকা দিয়ে দিতে পারে। আর থার্ড পার্টি সেই টাকাটা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়ে যাবে।

সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন উপহারের প্রলোভন দেখিয়ে যেসব বার্তা বা ই-মেইল আসে সেসব থেকে সতর্ক থাকতে হবে বিশেষ করে যখন কোন নামি প্রতিষ্ঠানের নামে এসব লিংক আসে।

সাবধানতা হিসেবে সঙ্গে সঙ্গে লিংকে ক্লিক থেকে বিরত থাকুন। সোশ্যাল মিডিয়াতে ওই প্রতিষ্ঠানের কোন ভেরিফায়েড পেজ থাকলে সেখানে এ সংক্রান্ত কোন পোস্ট আছে কি না সেটা আগে দেখতে হবে। কোম্পানিটির হটলাইন থাকলে সেখানে ফোন করে জেনে নিতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!