1. admin@theinventbd.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৯:০৭ অপরাহ্ন

একটা ঈদে জামাকাপড় না কিনলে কী হয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক |
  • প্রকাশকাল | বৃহস্পতিবার, ৬ মে, ২০২১
  • ৩২ বার পঠিত

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘যে ভিড় মার্কেটে দেখতে পাচ্ছি, এর মাধ্যমে সংক্রমণ বাড়বে বলে আমার ধারণা। একটা ঈদে জামাকাপড় না কিনলে কী হয়? মার্কেট সরকার খুলেছে, যাওয়া না যাওয়া আমাদের বিষয়। অনেক নারী ও শিশু মাস্ক পরছে না। সবকিছু তো সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। লোকজন এগুলো (স্বাস্থ্যবিধি) সেভাবে মানছে, বিষয়টা তা নয়।’

‘কোভিড-১৯–এর দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় করণীয় এবং অক্সিজেন–সংকট ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক এক ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় স্বাস্থমন্ত্রী এসব বলেন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ টিটু মিয়াসহ বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালের প্রতিনিধিরা।

লকডাউনের ফলে সংক্রমণ কমে এসেছে দাবি করে জাহিদ মালেক বলেন, ‘সংক্রমণ কমাতে এটা ছিল সবচেয়ে কার্যকরী পন্থা।’

লকডাউন দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয় উল্লেখ করে জাহিদ মালেক বলেন, ‘এটা ক্ষতি করে, অস্থিরতা তৈরি করে। কাজেই ব্যালেন্স (ভারসাম্য) করে চিন্তা করেছি মহানগরের ভেতর লকডাউন দিতে।’

সরকারের সচেতনতামূলক ‘নো মাস্ক, নো সার্ভিস’ গ্লোগান স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তৈরি দাবি করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এটা খুব কাজে দিয়েছে। এই স্লোগানে সচেতনতা বেড়েছে। বিশ্বের অনেক দেশে এটা অ্যাডাপ্ট (অবলম্বন) করেছে। এটা আমাদের এখান থেকে শুরু করেছি।’

বছরের লকডাউনের পর মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানেনি উল্লেখ করে জাহিদ মালেক বলেন, ‘ফলে অক্সিজেনের জন্য কীভাবে দাপাদাপি হয়েছে, সেটা আমরা দেখেছি। অ্যাম্বুলেন্সে, হাসপাতালের বারান্দায় কী হয়েছে, সেটা দেখেছি। ভারতেও এমনটা হয়েছে। এ বিষয়গুলো আমাদের মনে রাখতে হবে। আমরা ভুলে যাই। এটা খুবই অন্যায়। আমরা দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে বিপর্যস্ত করে দিই। অর্থনীতির ক্ষতি হয়। পরিবারের ক্ষতি হয়।’

করোনাভাইরাসের রোগীদের চিকিৎসায় তরল অক্সিজেনের চেয়ে গ্যাস অক্সিজেন বেশি ব্যবহারের নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘লিকুইড ব্যবহার না করে গ্যাস অক্সিজেন ব্যবহার করলে সুবিধা হবে। কারণ, গ্যাস অক্সিজেনের উৎপাদন ভালো অবস্থায় আছে। প্রায় ৫০টি হাসপাতালে বলে দিয়েছি গ্যাস অক্সিজেন ব্যবহার করব আমরা। কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে শুধু লিকুইড অক্সিজেন ব্যবহার করব।’

জাহিদ মালেক জানান, দেশে সাধারণ সময় অক্সিজেনের চাহিদা ৫০ থেকে ৬০ টন। এর মধ্যে অর্ধেক মেডিকেলে, বাকি অর্ধেক শিল্পে। বর্তমানে লাগছে ৭০ থেকে ৮০ টন। করোনাভাইরাসের চূড়ান্ত বিপর্যয়ে অক্সিজেন দরকার ছিল ২১০ টন।

জাহিদ মালেক জানান, বর্তমানে সরকারের হাতে রয়েছে ২২ হাজার অক্সিজেন সিলিন্ডার। তা ছাড়া গ্যাস অক্সিজেন যদি তরল অক্সিজেনের সঙ্গে তুলনা করা হয়, তাহলে বাড়তি ৪০ টন হয়। এ ছাড়া একটি কোম্পানি নতুন করে ৪০ টন উৎপাদন করবে। জুলাই মাসে আরো একটি কোম্পানি ২৫ থেকে ৩০ টন তৈরি করবে। সব মিলিয়ে তখন অক্সিজেনের উৎপাদন দাঁড়াবে ২৭০ টন।

সরকারিভাবে ৯০০ টন অক্সিজেন মজুত আছে বলে জানান মন্ত্রী।

অক্সিজেনের মজুত বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে মজুত ঠিক আছে। তবে সংক্রমণ বাড়লে ঘাটতি হতে পারে। ঈদের বাজারের মতো অবস্থা হলে সংক্রমণ বাড়বে। আমরা ভারতের মতো ভুল করতে চাই না, সেটা থেকে শিখতে চাই।’

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!