1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৪:২০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত জলঢাকায় ইএসডিও- ডাভ সেলফ এস্টিম প্রকল্পের অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত তিস্তায় পানি বৃদ্ধি ২২ গ্রাম প্লাবিত হুমকির মুখে তিস্তার তীরবর্তী মানুষ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন জলঢাকায় শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন করেছে যুবলীগ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নারী উদ্দোক্তা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আনন্দের ভাগিদার হতে ছুটে এসেছি জলঢাকায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে ড. তুরিন আফরোজ জলঢাকায় মঙ্গলদ্বীপের উদ্যোগে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত জলঢাকায় প্রতিমাকে দৃষ্টিনন্দন করতে রং তুলির কাজে ব্যস্ত এখন কারিগররা জলঢাকায় অনির্বাণ স্কুলে একাডেমিক ভুবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

বাংলাবাজার ঘাটে পদ্মা পারের অপেক্ষায় রোগীবাহী অনেক অ্যাম্বুলেন্স

অনলাইন ডেস্ক |
  • প্রকাশকাল | শনিবার, ৮ মে, ২০২১
  • ৬৬ বার পঠিত

বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌপথে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে শনিবার ভোর ৪টা থেকে হঠাৎ করে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়।

দিনের বেলা সম্পূর্ণভাবে ফেরি বন্ধ করার নির্দেশ দেয় বিআইডব্লিউটিসি। এতে শনিবার সকাল থেকেই ঢাকামুখী জরুরি সেবার যানবাহনসহ অসংখ্য মুমূর্ষু রোগীর অ্যাম্বুলেন্স ফেরিতে পদ্মা পারের অপেক্ষায় ঘাটে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

রোগীর স্বজনদের দাবি, দ্রুত নদী পার হয়ে হাসপাতালে সময়মতো রোগীকে না পৌঁছাতে পারলে রোগী মারা যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছেন।

গতকাল শুক্রবার দিনের বেলায় বাড়ি ফেরা মানুষের ঢল নামে মাদারীপুরের বাংলাবাজার ফেরি ঘাটে।

১২শ যাত্রী নিয়ে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট থেকে কোনো প্রকার যানবাহন ছাড়াই যাত্রী চাপ সামলাতে মাদারীপুরের বাংলাবাজার ঘাটে আসে। এতে নতুন করে অসংখ্য মানুষের মাঝে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসি’র ঘাট সূত্র জানায়, বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌপথে স্বাভাবিক অবস্থায়  ১৬টি ফেরি যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে চলাচল করে। লকডাউনের কারণে ১৪ এপ্রিল থেকে সীমিত করা হয় ফেরি চলাচল।

লকডাউনের শুরুতে জরুরি সেবায় ৭টি ছোট ফেরি চলাচল করলেও শুক্রবার ঘরমুখী যাত্রী ও জরুরি প্রয়োজনে আসা যানবাহনের প্রচণ্ড চাপ থাকায় সব কটি ফেরি চলাচল স্বাভাবিক ছিল। তবু পারাপারের জন্য অপেক্ষায় উভয় পাড়ে আটকা পড়েছে অসংখ্য যানবাহন।

এক রোগীর স্বজন মিরাজ বলেন, আমরা ভাই অ্যাজমার রোগী তাকে অবশ্যই জরুরিভাবে ঢাকা নেয়া প্রয়োজন, ঘাটে এসে দেখি সকল ফেরি বন্ধ কি করবো কিছুই ভাবতে পারছি না।’

ক্যানসারে আক্রান্ত এক রোগী বলেন, আমার কালকে কেমো দেওয়ার তারিখ আজ পৌঁছাতে না পারলে কেমো দেওয়া সম্ভব হবে না।

আরেক রোগীর স্বজন বলেন, জরুরি প্রয়োজনে যাদের পদ্মা পার হতে হয় তাদের অবশ্যই পার হতে দেয়া উচিত। এদিকে সরকারের নজর দেয়া উচিত।

তিনি কান্না কান্না করতে বলেন, কেউ কি জরুরি ছাড়া এই মুহূর্তে ঢাকা যেতে চায় বলেন, আমার একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষ অসুস্থ তাকে ডাক্তার দেখিয়ে সুস্থ করতে না পারলে তার সাথে আমাদেরও মরে যেতে হবে।’

শিবচর থানার ওসি মো. মিরাজ হোসেন বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব যাতে না বাড়ে তার জন্য আমরা পুলিশ প্রশাসনসহ ঘাটের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কাজা করে যাচ্ছি তা ছাড়া সকাল থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ আছে।

বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়া ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সাফায়াত আহম্মেদ জানান,  করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দিনের বেলায় শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথ ফেরি চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে সন্ধ্যার পর জরুরি সেবায় সীমিত পরিসরে ছোট কয়েকটি ফেরি চলবে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!