1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত জলঢাকায় ইএসডিও- ডাভ সেলফ এস্টিম প্রকল্পের অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত তিস্তায় পানি বৃদ্ধি ২২ গ্রাম প্লাবিত হুমকির মুখে তিস্তার তীরবর্তী মানুষ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন জলঢাকায় শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন করেছে যুবলীগ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নারী উদ্দোক্তা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আনন্দের ভাগিদার হতে ছুটে এসেছি জলঢাকায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে ড. তুরিন আফরোজ জলঢাকায় মঙ্গলদ্বীপের উদ্যোগে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত জলঢাকায় প্রতিমাকে দৃষ্টিনন্দন করতে রং তুলির কাজে ব্যস্ত এখন কারিগররা জলঢাকায় অনির্বাণ স্কুলে একাডেমিক ভুবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

সোহরাওয়ার্দীতে গাছ কাটা নিয়ে এবার আদালত অবমাননার আবেদন

অনলাইন ডেস্ক |
  • প্রকাশকাল | রবিবার, ৯ মে, ২০২১
  • ৬৮ বার পঠিত

উচ্চ আদালতের রায় উপেক্ষা করে ঢাকার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মধ্যে রেস্টুরেন্ট/দোকান নির্মাণের উদ্দেশ্যে গাছ কাটার ঘটনায় হাইকোর্টে আদালত অবমাননার আবেদন করা হয়েছে।

রবিবার পরিবেশ ও মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করেন।

বিষয়টি দেশ রূপান্তরকে নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

আবেদনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ,  গণপূর্ত বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মো. শামীম আকতার এবং স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি মীর মঞ্জুরুর রহমানের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হবে না মর্মে রুলের আরজি জানানো হয়েছে।

এর আগে গত ৬ মে ৪৮ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাছ কাটা বন্ধ করতে এই তিনজনকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।

মনজিল মোরসেদ জানান, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সংরক্ষণের নির্দেশনা চেয়ে ২০০৯ সালে করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট এক রায়ে উদ্যানের সংরক্ষণে কয়েক দফা নির্দেশনা দেয়। রায়ে বলা হয়, রমনা তথা সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকা নিছক একটি এলাকা নয়। এই এলাকাটি ঢাকা শহর পত্তনের সময় থেকেই এ পর্যন্ত একটি বিশেষ এলাকা হিসেবে পরিগণিত হয়েছে এবং এর একটি ঐতিহাসিক ও পরিবেশগত ঐতিহ্য আছে। শুধু তাই নয়, আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের সকল গণতান্ত্রিক ও স্বাধীনতা আন্দোলনের কেন্দ্র এই এলাকা। এই পরিপ্রেক্ষিতেও সম্পূর্ণ এলাকাটি একটি বিশেষ এলাকা হিসেবে সংরক্ষণের দাবি রাখে।

রায়ে আরও বলা হয়, এখানে এমন কোনো স্থাপনা থাকা উচিত নয় যা এই এলাকার ইতিহাস-ঐতিহ্যকে বিন্দুমাত্র ম্লান করতে পারে। পরিবেশগত দিক হতে তা আরও বিধেয় নয়। কারণ রমনার উদ্যান বা রমনা রেসকোর্স ময়দান ঢাকা শহরের দেহে ফুসফুসের ন্যায় অবস্থান করছে। কোনোভাবেই এটাকে রোগাক্রান্ত করা যায় না।

এতে বলা হয়, যেহেতু স্মরণকাল থেকেই এটি উদ্যান হিসেবে পরিচিত, সেহেতু ২০০০ সালের ৩৬নং আইন অনুসারে সোহরাওয়ার্দী ‘উদ্যান’ সংজ্ঞার আওতাধীন এবং এই জায়গার শ্রেণী সাধারণভাবে অপরিবর্তনীয়। এটিকে অনাবশ্যক স্থাপনা দ্বারা ভারাক্রান্ত করা অবৈধ হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!