1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১১:১৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত জলঢাকায় ইএসডিও- ডাভ সেলফ এস্টিম প্রকল্পের অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত তিস্তায় পানি বৃদ্ধি ২২ গ্রাম প্লাবিত হুমকির মুখে তিস্তার তীরবর্তী মানুষ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন জলঢাকায় শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন করেছে যুবলীগ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নারী উদ্দোক্তা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আনন্দের ভাগিদার হতে ছুটে এসেছি জলঢাকায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে ড. তুরিন আফরোজ জলঢাকায় মঙ্গলদ্বীপের উদ্যোগে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত জলঢাকায় প্রতিমাকে দৃষ্টিনন্দন করতে রং তুলির কাজে ব্যস্ত এখন কারিগররা জলঢাকায় অনির্বাণ স্কুলে একাডেমিক ভুবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

সৎকর্ম ও পবিত্র শবেকদর

শাহ শাহাব উদ্দিন খান
  • প্রকাশকাল | রবিবার, ৯ মে, ২০২১
  • ৮৪ বার পঠিত

মহাকালের পরিক্রমায় মানব সন্তানের জীবনকাল খুবই সংক্ষিপ্ত। কিন্তু মানবযাত্রার শুরু থেকে বিভিন্ন ঘটনা, প্রকৃতি ও আল্লাহর সৃষ্টি বৈচিত্র্যতায় রয়েছে বিশাল তাৎপর্য। সময়ের স্রোতে ভেসে চলা জীবনে একটু ধীরস্থিরভাবে পর্যবেক্ষণের প্রয়োজনীয়তা ভেবে দেখার সুযোগ হয় না অনেকের। শৈশব, কৈশোর, যৌবন, প্রৌঢ়, বৃদ্ধ, অশীতিপর পর্ব অতিক্রম করে কখন মানুষ মৃত্যুকে আলিঙ্গন করবে তা কারও জানা নেই। এমনই অনিশ্চিত মানবজীবন। দুনিয়ার অনেকের মধ্যেই এই উপলব্ধি নেই বলেই সত্যানুভূতি থেকে মানুষ থাকে অনেক দূরে। আর সত্য থেকে দূরে থাকার কারণে মানুষ জীবনের চরম সত্য মৃত্যুকে ভয় পায়, মৃত্যু থেকে পালিয়ে বেড়ায়।

একজন মানুষ সেই ছোটবেলা থেকে বাবা-দাদা, মা-নানি কিংবা পাড়া-পড়শির কাছ থেকে যে সব আচার-অনুষ্ঠান দেখে, পরিপালন করে বড় হয়Ñ পরিণত বয়সেও সে তাতেই সীমাবদ্ধ থাকে। এসবের তাৎপর্য, সত্য উপলব্ধি কিংবা এসব থেকে শিক্ষাগ্রহণ আর কোনোকালে হয়ে ওঠে না। মুসলিম সম্প্রদায়ে এমনি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ নামÑ শবেবরাত ও শবেকদর। যুগ যুগ ধরে আমাদের সমাজে শাবান মাসের ১৪ তারিখ রাতে শবেবরাত ও ২৬ রমজান রাতে শবেকদর উদযাপিত হয়ে থাকে। বাজারে এ সংক্রান্ত শত সহস্র বই, কিতাব, হাদিস রয়েছে। কিন্তু এসবের নিগূঢ় তাৎপর্য উপলব্ধিতে নেওয়ার মানুষ কম।

অধিকাংশ মানুষ সারা জীবন যা জেনে থাকেন, তা হলো রমজান মাসের শেষ দশদিনের যেকোনো বেজোড় রাতে পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে। যুগে যুগে কোরআন নাজিল সংক্রান্ত হাদিসগুলোর ব্যাখ্যা ও মতের সংখ্যা এত বেশি যে, ক্লান্ত হওয়ার ভয়ে এখন কেউ আর এ সব তলিয়ে দেখার চেষ্টা করেন না। অনুধাবন করার চেষ্টা করেন না, শবেবরাত ও শবেকদরের প্রকৃত তাৎপর্য এবং শানে নুজুল কি?

এটা ধ্রুবসত্য যে, ইসলাম ধর্মের মূলভিত্তি মহাগ্রন্থ আল কোরআন। কোরআনে কারিমে সরাসরি উল্লেখ না থাকলেও শবেমেরাজ, শবেবরাত ও শবেকদর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পালন করেন মুসলিম উম্মাহ। প্রকৃত অর্থে পবিত্র কোরআনে শবেবরাত ও শবেকদরের রাত কোনটি তা- সুনির্দিষ্ট করে উল্লেখ নেই। কোরআনে বলা হয়েছে, ‘রমজান মাসই হলো সে মাস, যাতে নাজিল করা হয়েছে কোরআন, যা মানুষের জন্য হেদায়েত এবং সত্যপথযাত্রীদের জন্য সুস্পষ্ট পথনির্দেশ, আর ন্যায় ও অন্যায়ের মধ্যে পার্থক্য বিধানকারী।’ সুরা বাকারা : ১৮৫

কোরআনে কারিমের অন্যত্র ইরশাদ হয়েছে, ‘আমি একে নাজিল করেছি এক বরকতময় রাতে, নিশ্চয় আমি সতর্ককারী। এ রাতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয় স্থিরীকৃত হয়।’ সুরা আদ দোখান : ৩-৪

আরও ইরশাদ হচ্ছে, ‘আমি একে নাজিল করেছি শবেকদরে, শবেকদর সম্বন্ধে আপনি কি জানেন? শবেকদর হলো এক হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ, এতে প্রত্যেক কাজের জন্যে ফেরেশতারা ও রূহ অবতীর্ণ হয় তাদের পালনকর্তার নির্দেশক্রমে। এটা নিরাপত্তা, যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।’ সুরা আল কদর

ইসলামের শিক্ষা দিবস কিংবা মৌসুমভিত্তিক নয়, সারা বছর ইবাদত-বন্দেগি ও দোয়া-প্রার্থনায় মশগুল থেকে আত্মশুদ্ধি অর্জনপূর্বক সৎকাজের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ। জীবনের প্রতিটি পরতে পরতে আল্লাহর বিধানের প্রতিফলন ঘটানো এবং আল্লাহপ্রদত্ত জীবনদর্শকে হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করা। এমন সৎকর্ম, ইবাদত-বন্দেগি আল্লাহকে সন্তুষ্ট করে। যে কর্ম অন্যের প্রাণে সুপ্ত থাকা সত্যকে, আত্মচেতনাকে জাগিয়ে তোলার মাধ্যমে তার আশা দেয়, প্রাণের অন্ধকার ঘোচায়, কৃতজ্ঞতাবোধ শেখায়, শক্তি, সাহস, প্রেরণা, উৎসাহ, আনন্দ, প্রশান্তি জোগায় এগুলোই সৎকর্ম। শুধু খেয়ে পরে বেঁচে থাকার জন্য যে কর্ম, সেসব তো পশু-প্রাণিরাও করে। তাহলে মানুষের সঙ্গে প্রাণিকূলের তফাৎ কি?

আসলে সৎকর্মের মধ্যেই মানুষের শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদা নিহিত। মনে রাখতে হবে, কোরআনে কারিমে নামাজের কথা বলা হয়েছে ৮২ বার আর সৎকর্মের কথা বলা হয়েছে ১০৭ বার। সুতরাং এ বিষয়ে চিন্তাশীলদের রয়েছে ভাবনার অনেক কিছু।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!