1. admin@theinventbd.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সৈয়দপুরে ৮ বছরের শিশুকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে একমাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগ।। হাতেনাতে সৎ নানা আটক কিশোরগঞ্জে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভাতাভোগীদের ৯ মাসের টাকা বেহাত কিশোরগঞ্জে ১টি পরিবারকে ৫ দিন ধরে অবরুদ্ধ রাখার অভিযোগ সৈয়দপুরে চালককে ছুরিকাঘাত করে ভ্যান ছিনতাই নীলফামারীতে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী দুই শিক্ষার্থী পেল পোর্টেবল ভিডিও ম্যাগনিফায়ার জলঢাকায় ববিতা রানী সরকারের প্রতিবন্ধীর মাঝে হুইল চেয়ার বিতরন আমজাদ সরকার সভাপতি ও খায়রুল সম্পাদক জলঢাকায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর কমিটি গঠন জলঢাকায় হরিজন সম্প্রদায়ের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই করবেন ব্যারিস্টার তুরিন মিথ্যা প্রতিবেদন প্রকাশের প্রতিবাদে সৈয়দপুর উপজেলা চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন সৈয়দপুরে গোয়াল ঘরের তালা কেটে গাভী চুরি

জাকাতের প্রয়োজনীয় মাসয়ালা

মুফতি আবদুল্লাহ ও মুফতি অহিদুল আলম
  • প্রকাশকাল | মঙ্গলবার, ১১ মে, ২০২১
  • ৭৫ বার পঠিত

ফরজ ইবাদতের একটি হলো জাকাত। আল্লাহতায়ালা কোরআনে কারিমের ৩২ জায়গায় জাকাতের কথা বলেছেন। তন্মধ্যে ২৮ জায়গায় নামাজ এবং জাকাতের কথা একত্রে বলা হয়েছে। জাকাত দেওয়ার নির্দিষ্ট সময়ের বাধ্যবাধকতা না থাকলেও রমজান মাস জাকাত আদায়ের সর্বোত্তম সময়। তাই জাকাতের হিসাবের সুবিধার্থে এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কিছু মাসয়ালা উল্লেখ করা হলো। মাসয়ালাগুলো গ্রন্থনা করেছেন- মুফতি আবদুল্লাহ ও মুফতি অহিদুল আলম

১. যদি কোনো সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন, প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের কাছে নিজের প্রয়োজনীয় আসবাব-সামগ্রী, ব্যবহার্য দ্রব্যাদি ও বাসগৃহ ইত্যাদি ছাড়া ঋণমুক্তভাবে জাকাতের নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকে অর্থাৎ সাড়ে সাত তোলা স্বর্ণ (৮৭.৪৮ গ্রাম) বা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রৌপ্য (৬১২.৩৬ গ্রাম) কিংবা সমপরিমাণ টাকা বা ব্যবসার মাল থাকে এবং তার ওপর বছর অতিক্রান্ত হয় তাহলে ওই সম্পদের চল্লিশ ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ শতকরা আড়াই শতাংশ হারে জাকাত আদায় করা তার ওপর ফরজ। ফতোয়ায়ে আলমগীরী : ১/১৭০-১৭৬

২. যদি কিছু স্বর্ণ, কিছু রূপা ও কিছু নগদ টাকা থাকে কিন্তু পৃথক পৃথকভাবে কোনোটার নেসাবই পূর্ণ হয় না, তবে সবগুলোর মূল্য একত্রে যোগ করলে যে কোনো একটির নেসাব পুরা হয়ে যায়, তাহলে তার ওপর জাকাত ফরজ হবে। তাতারখানিয়া : ২/১৭৪

৩. যদি কারও কাছে বছরের শুরু ও শেষে নেসাব পরিমাণ মাল থাকে কিন্তু বছরের মধ্যে এক থেকে দুমাস নেসাব থেকে কম থাকে তাহলে তার ওপর জাকাত দেওয়া ফরজ। হ্যাঁ, যদি বছরের মধ্যে সম্পদ সম্পূর্ণ নিঃশেষ হয়ে যায়, তাহলে পূর্বের হিসাব বাদ যাবে। পুনরায় যখন নেসাবের মালিক হবে তখন থেকে নতুন হিসাব ধরা হবে। তখন থেকে এক বছর অতিবাহিত হলে জাকাত ফরজ হবে। ফতোয়ায়ে আলমগীরী : ১/১৭৫

৪. অর্থ সম্পদের প্রত্যেকটা অংশের ওপর পূর্ণ এক বছর অতিবাহিত হওয়া শর্ত নয়। কাজেই কারও কাছে যদি বছরের শুরুতে চল্লিশ হাজার টাকা থাকে আর তা বাড়তে বাড়তে বছরের শেষে এক লাখ টাকা হয়ে যায় তাহলে বছরের শেষে তাকে এক লাখ টাকার জাকাত দিতে হবে। তাতারখানিয়া : ২/১৯৩

৫. ব্যবসার উপকরণের ওপর জাকাত আসে না। যেমন মিল-কারখানা, দোকান, উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, মেশিন, ভাড়ায় খাটানো হয় এমন বাড়ি-গাড়ি, রিকশা, সিএনজি, বাস, ট্রাক, লঞ্চ, স্টিমার ইত্যাদি। তবে এগুলো দ্বারা উৎপাদিত পণ্য ও উপার্জিত টাকা নেসাব পরিমাণ হলে তার জাকাত দিতে হবে। ফতোয়ায়ে শামী : ৩/১৮৩

৬. ব্যবসার মাল যার জাকাত আদায় করা শরিয়ত ফরজ করেছে, এর দ্বারা উদ্দেশ হচ্ছে ওই মাল যা মানুষ ব্যবসার উদ্দেশে ক্রয় করেছে। যেমন কেউ প্লট-ফ্ল্যাট, গাড়ি ইত্যাদি ভবিষ্যতে বিক্রি করে লাভবান হওয়ার উদ্দেশে ক্রয় করল, এ সব মালের জাকাত আদায় করা ফরজ। পক্ষান্তরে কারও যদি ক্রয় করার সময় দোদুল্যমানতা থাকে যে নিজের প্রয়োজনে ব্যবহারও করতে পারে, আর লাভের সম্ভাবনা থাকলে বিক্রিও করতে পারে; তাহলে তা ব্যবসার মাল হিসেবে গণ্য হবে না এবং এর জাকাত ওয়াজিব হবে না। হ্যাঁ, পরবর্তী সময়ে তা বিক্রি করলে বিক্রয়লব্ধ টাকার জাকাত দিতে হবে। যদি সে পূর্ব থেকেই নেসাবের মালিক হয়ে থাকে তাহলে ওই নেসাবের সঙ্গে এ টাকারও জাকাত আদায় করবে। অন্যথায় এই টাকা নেসাব পরিমাণ হলে বছর অতিবাহিত হওয়ার পর এর জাকাত ওয়াজিব হবে। খুলাসাতুল ফাতাওয়া : ২/২৪০

৭. দোকান ও ব্যবসার মালের হিসাব তিন প্রকার। ১. খুচরা মূল্য, ২. পাইকারি মূল্য ও ৩. সমস্ত মাল একত্রে বিক্রি করলে যে দাম হয়। জাকাতের হিসাবের সময় তৃতীয় প্রকারের মূল্যের হিসাবে জাকাত দিলেও চলবে। তবে সতর্কতামূলক দ্বিতীয় প্রকার অর্থাৎ পাইকারি মূল্যের হিসাবে জাকাত দেওয়া উত্তম। ফিকহি মাকালাত : ৩/১৫০

৮. বিক্রীত পণ্যের বকেয়া টাকা হস্তগত হওয়ার পর পেছনের বছরগুলোর জাকাতও একত্রে আদায় করতে হবে। আর যদি বকেয়া টাকা বা ঋণ ফেরত পাওয়ার আশা না থাকে, তাহলে জাকাত দিতে হবে না। তবে পেলে বিগত সব বছরের জাকাত দিতে হবে। ফতোয়ায়ে শামী : ৩/২৩৬-২৩৭

৯. স্বর্ণ ও রুপার ওপর সর্বাবস্থায় জাকাত আসে, চাই তা অলংকার আকারে থাকুক কিংবা কাঁচা টুকরা আকারে। ব্যবহৃত হোক কিংবা বাক্সে সংরক্ষিত থাকুক বা কাপড়ে, টুপিতে চশমা ও ঘড়িতে কারুকার্যরূপে থাকুক সর্বাবস্থায় জাকাত আদায় করা ফরজ। আল বাহরুর রায়েক : ২/৩৯৪

১০. নারীর মালিকানায় যে স্বর্ণ বা রুপার অলংকার থাকে এগুলো নেসাব পরিমাণ হলে জাকাত দেওয়া তাদের ওপর ফরজ। নগদ টাকা না থাকলে এগুলো বিক্রি করে হলেও জাকাত আদায় করতে হবে। আর স্বামী যদি স্ত্রীর অনুমতি নিয়ে জাকাত আদায় করে দেয় তাহলেও জাকাত আদায় হয়ে যাবে। উল্লেখ্য, অলংকার যদি স্বামীর মালিকানায় থাকে আর স্ত্রীকে ব্যবহারের জন্য দেয় তাহলে সে অলংকারের জাকাত স্বামীকে আদায় করতে হবে। আহকামুল কোরআন : ৩/১৩৯

১১. স্বর্ণের সঙ্গে যে পরিমাণ খাদ থাকে, খাদের অংশ বাদ দিয়ে শুধু স্বর্ণের অংশের জাকাত আদায় করাই যথেষ্ট। আহসানুল ফাতাওয়া : ৪/২৭০

১২. প্রভিডেন্ড ফান্ডের টাকা পাওয়ার পর বছর অতিবাহিত হলে জাকাত ফরজ। কিন্তু যে টাকা চাকরিজীবীর হাতে আসার পর স্বেচ্ছায় ওই ফান্ডে বা অন্য কোনো কোম্পানির কাছে হস্তান্তর করে, তার জাকাত প্রতি বছর আদায় করতে হবে। আহসানুল ফাতাওয়া : ৪/২৬০

১৩. ইসলামি ব্যাংকগুলোতে যদি কেউ ১০/১৫ বছরের জন্য এফডিআর করে এককালীন বা মাসে মাসে টাকা জমা করতে থাকে এগুলোর জাকাত হিসাব করার নিয়ম হলো জাকাতের বছর শেষে ওই অ্যাকাউন্ট ক্লোজ করলে মূল টাকাসহ যত টাকা লাভ পাওয়া যাবে পুরো টাকার জাকাত আদায় করতে হবে। আর সুদি ব্যাংকে এফডিআর করলে প্রতি বছর মূল জমাকৃত টাকার জাকাত আদায় করতে হবে। যদি প্রতি বছর জাকাত আদায় না করে তাহলে মেয়াদ শেষে টাকা উত্তোলন করলে একসঙ্গে পেছনের সব বছরের মূল টাকার জাকাত আদায় করতে হবে। আর সুদের অংশ পুরোটাই সদকা করে দেবে। জাদিদ ফিকহি মাসায়েল : ১/২১৬

১৪. জীবনবীমা কোম্পানির কাছে জমাকৃত প্রিমিয়ামের জাকাত আদায় করতে হবে। ফাতাওয়ায়ে উসমানি : ২/৭১

১৫. ব্যাংকে ব্যক্তি মালিকানাধীন সব প্রকার অ্যাকাউন্টে গচ্ছিত টাকার জাকাত আদায় জরুরি। তদ্রুপ বিভিন্ন সমিতি, মাল্টিপারপাস কোম্পানি ও সোসাইটিতে সদস্যরা মুজারাবা হিসেবে যে টাকা বিনিয়োগ করেন, সেগুলো নেসাব পরিমাণ হলে বা অন্য মালের সঙ্গে মিলে নেসাব পরিমাণ হলে জাকাত আদায় জরুরি। ফাতাওয়া রহিমিয়া : ২/১৪

১৬. ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে বা অন্য কোথাও গচ্ছিত টাকা তেমনিভাবে যেকোনো জাকাতযোগ্য সম্পদ যদি বন্ধক রাখা হয় তাহলে তার জাকাত আদায় করাতে হবে না। বাদায়েউস সানায়ে : ২/৮৮

১৭. সিকিউরিটি মানি হিসেবে যে টাকা দোকান ও বাড়ির মালিকরা নেন; যদি চুক্তি অনুযায়ী প্রতি মাসে তা ভাড়া বাবদ কর্তন করা হয়, তাহলে মালিকদের ওই টাকার জাকাত দিতে হবে। আর যদি তা ফেরতযোগ্য হয় অর্থাৎ দোকান বা বাড়ি ছেড়ে দিলে তা ফেরত দেওয়া হয় ও মালিকরা ওই টাকা খরচ না করে আমানত হিসেবে রাখেন তাহলে ভাড়াটিয়াকে ওই টাকার জাকাত দিতে হবে। ফাতহুল কাদির: ২/১২১

১৮. জমি, ফ্ল্যাট বা অন্য কিছু কেনার ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে যে টাকা দিয়ে বায়না করা হয়, সে টাকার মালিক বিক্রেতা। অতএব বিক্রেতাকে এর জাকাত দিতে হবে। ফাতাওয়ায়ে উসমানি : ২/৭২

১৯. ঋণ দুই প্রকার ১. ব্যক্তিগত ও সাংসারিক প্রয়োজনে মানুষ যে ঋণ নেয়। জাকাতের নেসাব থেকে এ ধরনের ঋণের টাকা বিয়োগ করে বাকি মালের জাকাত দিতে হবে। ২. বাণিজ্যিক ঋণ যা বাণিজ্যিক স্বার্থে যেমন মিল-কারখানা করা, কাঁচামাল ক্রয় ইত্যাদি এগুলোর জন্য যে ঋণ নেওয়া হয়; যদি তা দ্বারা জাকাতযোগ্য সম্পদ যেমন কাঁচামাল ইত্যাদি ক্রয় করে, তাহলে এই ঋণও জাকাতের নেসাব থেকে বিয়োগ হবে। আর যদি এর দ্বারা এমন সম্পদ ক্রয় করা হয় যা জাকাতযোগ্য নয় যেমন মেশিনারি জিনিস ইত্যাদি। তাহলে এ ঋণ জাকাতের মূল নেসাব থেকে বিয়োগ হবে না। ইসলাম আওর জাদিদ মায়িশাত ওয়া তিজারাত : ৯৪

২০. কাউকে ঋণ দেওয়ার পর আদায়ে গড়িমসি করলে তা জাকাত হিসাবে কর্তন করা যাবে না। হ্যাঁ, জাকাতের টাকা তার হাতে দিয়ে পূর্বের পাওনা বাবদ তা আদায় করে নিতে পারবে। ফতোয়ায়ে তাতারখানিয়া : ২/১৯৯

২১. জাকাত ওয়াজিব হওয়ার পর যদি জাকাত অনাদায়ী থাকে আর ইত্যবসরে সমস্ত মাল বরবাদ হয়ে যায় তাহলে আর জাকাত আদায় করতে হবে না। আর যদি কিছু মাল বরবাদ হয় তাহলে ওই অংশের জাকাত দিতে হবে না। তবে যদি ইচ্ছাকৃতভাবে মাল নষ্ট করে, তাহলে জাকাত আদায় আবশ্যক। শামী : ৩/২০৭-২০৮

২২. স্ত্রীর দেনমোহর অনাদায়ী থাকলে যদি তা পরিশোধ করার ইচ্ছা থাকে তাহলে জাকাতের নেসাব থেকে এই ঋণ বিয়োগ করে বাকি অংশের জাকাত দিলে চলবে। আর যদি পরিশোধের ইচ্ছা না থাকে তাহলে এটাকে এই বছরের নেসাব থেকে বিয়োগ করা যাবে না। ফতোয়ায়ে আলমগীরী : ১/১৭৩

২৩. কেউ যদি হজের জন্য টাকা জমা করে তাহলে ওই টাকার জাকাত আদায় করাও ফরজ। হজের কাজে টাকা খরচ হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রতি বছর ওই টাকার জাকাত আদায় করতে হবে।ফতোয়ায়ে আলমগীরী : ১/১৭৩

২৪. কেউ যদি বাড়ি করার উদ্দেশে টাকা জমা করে তাহলে বাড়ির কাজে ওই টাকা খরচ হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রতি বছর ওই টাকার জাকাত আদায় করতে হবে। নায়াদিদুরুল ফিকহ : ১/৩৭৮-৩৮৪

২৫. যে মাল ক্রয়ের পর এখনো হস্তগত হয়নি তার জাকাত দিতে হবে না। হ্যাঁ, মাল হস্তগত হওয়ার পর জাকাত আদায় জরুরি। আল বাহরুর রায়েক : ২/৩৫৫

২৬. হালাল ও হারাম মিশ্রিত হলে যদি হারাম মালের পরিমাণ ও মালিক জানা থাকে তাহলে তা মালিককে ফেরত দেওয়া জরুরি। আর যদি পরিমাণ জানা থাকে; কিন্তু মালিক জানা নেই বা তাকে পৌঁছানো সম্ভব নয়; তাহলে এক্ষেত্রে ওই টাকাগুলো মালিকের পক্ষ থেকে সদকা করে দেবে। পক্ষান্তরে যদি হারাম মালের পরিমাণ ও মালিক জানা না থাকে; আর হালাল মালের পরিমাণ হারামের চেয়ে বেশি হয় ও হারাম মাল চিহ্নিত করা না যায় এ ক্ষেত্রে সব মাল একত্রে হিসাব করে পুরোটার জাকাত আদায় জরুরি। ইমদাদুল ফাতাওয়া : ২/১৪

২৭. স্বর্ণালংকার ছাড়া অন্য কোনো ধাতুর অলংকার, মুক্তা কিংবা অন্যকোনো মূল্যবান পাথরের অলংকার ব্যবসার উদ্দেশে ক্রয় করা না হলে এগুলোর জাকাত দিতে হবে না। আদ দুররুল মুখতার : ১৯৪

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!