1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
জলঢাকায় ইএসডিও- ডাভ সেলফ এস্টিম প্রকল্পের অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত তিস্তায় পানি বৃদ্ধি ২২ গ্রাম প্লাবিত হুমকির মুখে তিস্তার তীরবর্তী মানুষ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন জলঢাকায় শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন করেছে যুবলীগ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নারী উদ্দোক্তা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আনন্দের ভাগিদার হতে ছুটে এসেছি জলঢাকায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে ড. তুরিন আফরোজ জলঢাকায় মঙ্গলদ্বীপের উদ্যোগে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত জলঢাকায় প্রতিমাকে দৃষ্টিনন্দন করতে রং তুলির কাজে ব্যস্ত এখন কারিগররা জলঢাকায় অনির্বাণ স্কুলে একাডেমিক ভুবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন জলঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু পরিষদের আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

সরকারের ব্যাংকঋণ কমেছে ১৩ হাজার ৬২৭ কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক |
  • প্রকাশকাল | মঙ্গলবার, ১১ মে, ২০২১
  • ৯১ বার পঠিত

করোনার মধ্যে উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়নের হার কমে যাওয়ায় সরকারের ব্যয় কমেছে। এর ফলে সরকারের ব্যাংকঋণের দরকার পড়ছে না। বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণ দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া পুরনো ঋণ পরিশোধ করছে সরকার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের নিট ঋণ কমেছে ১৩ হাজার কোটি টাকার বেশি।

যেখানে গোটা অর্থবছরে ৮৪ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা ঋণ করার লক্ষ্যমাত্রা ছিল সরকারের। তবে আলোচিত ১০ মাসে সরকার ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে যে পরিমাণ ঋণ নেয়, শোধ করে তার থেকে বেশি। ফলে নিট ঋণ কমে আসে সরকারের। গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকার ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে রেকর্ড ৮০ হাজার ২৩৮ কোটি টাকা ঋণ করে।

তবে এই সময়ে ব্যাংক বহির্ভূত উৎস থেকে বিশেষ করে সঞ্চয়পত্র বিক্রি থেকে ঋণ বেড়েছে সরকারের। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে সঞ্চয়পত্র থেকে ২৯ হাজার ৩১১ কোটি টাকা নিট ঋণ আসে সরকারের। অথচ চলতি অর্থবছরের পুরো সময় জুড়ে সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের নিট ঋণ করার লক্ষ্য ছিল ২০ হাজার কোটি টাকা। ব্যাংক বহির্ভূত উৎস থেকে সরকারের নিট ঋণের লক্ষ্য রয়েছে ২৫ হাজার ৩ কোটি টাকা। বাজেট ঘাটতি মেটাতে চলতি অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে মোট ঋণের লক্ষ্য রয়েছে এক লাখ ৯ হাজার ৯৮৩ কোটি টাকা।

করোনা মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউ শুরুর পরপরই সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধের মধ্যে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো ব্যাংকও সীমিত পরিসরে চলছে। ফলে আর্থিক খাতের অনেক তথ্য সময়মতো হালনাগাদ করতে পারছে না কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো।

সেই হিসেবে মার্চ ও এপ্রিলের সঞ্চয়পত্র বিক্রির তথ্য পাওয়া গেলে সরকারের ব্যাংক বহির্ভূত উৎসের ঋণ সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাওয়া যাবে।

তবে এপ্রিল পর্যন্ত সরকারের ব্যাংকঋণের তথ্যে দেখা যায়, গত জুন থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত সরকারের নিট ঋণ কমেছে ১৩ হাজার ৬২৭ কোটি টাকা। এপ্রিল শেষে সরকারের নিট ব্যাংকঋণের স্থিতি দাঁড়ায় এক লাখ ৬৪ হাজার ১৯৫ কোটি টাকা। গত বছরের জুনে সরকারের ব্যাংকঋণের স্থিতি ছিল এক লাখ ৭৭ হাজার ৮২৩ কোটি টাকা।

প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে সরকার ৪২ হাজার ৭৭৬ কোটি টাকা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করে। একই সময়ের সরকার তফসিলি ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ২৯ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা নতুন করে ঋণ করে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া বড় অঙ্কের ঋণ পরিশোধ করার পরও গত ফেব্রুয়ারি শেষে সরকারের হিসাবে ২৭ হাজার কোটি টাকা আমানত ছিল। যেখানে এক বছর আগে সরকারের ব্যাংক হিসাবে আমানতের পরিমাণ ছিল ৩৩ কোটি টাকা।

এদিকে সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ঋণ নিলেও বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবাহ কম। যে কারণে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর হাতে পর্যাপ্ত তারল্য জমা থাকছে। গত ফেব্রুয়ারি শেষে ব্যাংক খাতে ২ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকার বেশি উদ্বৃত্ত তারল্য জমা ছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণের পরিমাণ বাড়ায় ব্যাংক ঋণের প্রয়োজন পড়ছে না সরকারের। তবে আগের বছর সঞ্চয়পত্র বিক্রি অনলাইনে আনায় এ খাত থেকে সরকারের ঋণ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কমে যায়।

গত ২০১৯-২৯ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৭ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু বছর শেষে এ খাত থেকে সরকারের নিট ঋণ এসেছিল ১৪ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা। অথচ এর আগের অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের নিট ঋণ এসেছিল ৪৯ হাজার ৯৩৯ কোটি টাকা।

চলতি অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে ধীরগতির কারণে সরকারের হাতে অতিরিক্ত অর্থ থেকে যাচ্ছে। যা দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে বলে জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, গত জুলাই-মার্চ সময়ে সরকার সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির মাত্র ৪২ শতাংশ বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের এই হার গত ১১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

এদিকে সরকারের রাজস্ব আয়েও প্রভাব পড়েছে। সম্প্রতি সরকার রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ৩ লাখ ১ কোটি টাকায় নামিয়ে আনে। অর্থবছরের শুরুতে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!