1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:১৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
জলঢাকায় ফেন্সিডিল সহ গ্রেফতার- ২ পলাতক-১’জন মোটরসাইকেল জব্দ সৈয়দপুরে জীবিত স্বামীকে মৃত দেখিয়ে ১৭ বছর থেকে বিধবা ভাতা উত্তোলন, সমাজসেবা কর্তৃপক্ষ নির্বিকার ঝিকরগাছায় আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত জলঢাকায় ১১ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশের মাঝে ১০৯টি বাইসাইকেল বিতরণ জলঢাকায় যানজটে জনদুর্ভোগ বেড়েই চলছে : নিরসনের দাবি পৌরবাসির বেনাপোলে গৃহহীনদের ঘর নিয়ে ভুমি অফিসের সহকারীর বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ। ঝিকরগাছায় সাপের কামড়ে ১ গৃহবধূর মৃত্যু বেনাপোলে র‍্যাবের অভিযানে গাজাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী আটক সৈয়দপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বাইসাইকেল বিতরণ সৈয়দপুরে সাহিত্য আসরের ৪থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

দেশে তৈরি মোবাইল ফোনসেট রপ্তানির হাতছানি

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশকাল | শুক্রবার, ১৯ মার্চ, ২০২১
  • ৬১ বার পঠিত

দেশের তৈরি মোবাইল ফোনসেট বিদেশে রপ্তানি হতে পারে আগামী বছর থেকে। এরই মধ্যে মাদারবোর্ড তৈরির প্রস্তুতি নিয়েছে কয়েকটি হ্যান্ডসেট কারখানা। আগামী দিনগুলোতে অন্যান্য যন্ত্রাংশ তৈরির মাধ্যমে পুরো হ্যান্ডসেটই দেশে উৎপাদন সম্ভব হবে। ওইসব হ্যান্ডসেট দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, প্রযুক্তি খাতে অবকাঠামো তৈরিসহ নানা উদ্যোগ নেওয়ায় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে মোবাইল ফোন তৈরি করছে। এরই মধ্যে ইলেকট্রনিক জায়ান্ট স্যামসাং দেশের কারখানায় প্রায় ১৫ লাখ মোবাইল হ্যান্ডসেট তৈরি করেছে। আগামী বছর থেকে এ কারখানায় ২৫ লাখ মোবাইল হ্যান্ডসেট তৈরি করা হবে। আর ওই বছর থেকে বাংলাদেশে আর কোনো স্যামসাং হ্যান্ডসেট আমদানি হবে না। আগামী বছর থেকে শুরু হবে মোবাইল হ্যান্ডসেট রপ্তানি।

মোবাইল হ্যান্ডসেট আমদানিকারকদের সংগঠন বাংলাদশে মোবাইল ফোন ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমপিআইএ) সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া শাহিদ বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রতি বছর ফিচার ও স্মার্টফোন মিলিয়ে ৩ কোটি ৫০ লাখের বেশি হ্যান্ডসেটের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে ১ কোটি ১০ লাখের মতো স্মার্টফোনের চাহিদা রয়েছে, তা বর্তমানে পুরোটাই বাংলাদেশে তৈরি বা সংযোজন হচ্ছে। ফিচার ফোনের ৬০ শতাংশের বেশি দেশে তৈরি বা সংযোজন হচ্ছে, যা চলতি বছরের মধ্যে শতভাগে পৌঁছাবে বলে আশা করি।’

টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির হিসাবে, বর্তমানে দেশে ১২টি প্রতিষ্ঠানের মোবাইল হ্যান্ডসেট উৎপাদনের লাইসেন্স রয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ফেয়ার ইলেকট্রনিক (স্যামসাং), এডিসন ইন্ডাস্ট্রিজ (সিম্ফনি), আলামিন অ্যান্ড ব্রাদার্স (৫ স্টার), কার্লকেয়ার টেকনোলজি বিডি লিমিটেড (আইটেল ও টেকনো), আনিরা ইন্টারন্যাশনাল (ইউনস্টার), বেস্ট টাইকুল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড (ভিভো), গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশন (লাভা), বাংলাট্রিনিক টেকনোলজি (ডিটিসি), বেনলি ইলেকট্রনিক এন্টারপ্রাইজ (অপো), ওকে মোবাইল ও মাইসেল টেকনোলজি।

স্যামসাং পণ্যের বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান এবং স্যামসাং লোকাল অ্যাসেম্বলি পার্টনার ফেয়ার ইলেকট্র্রনিকের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, বর্তমানে স্যামসাং মোবাইল ফোনের চাহিদার প্রায় শতভাগ পূরণ করা যাচ্ছে নিজস্ব ফ্যাক্টরিতে সংযোজন করা হ্যান্ডসেটের মাধ্যমে। স্যামসাং ‘হাই-অ্যান্ড ডিভাইস’ যেমন গ্যালাক্সি এস-২১ আলট্রা ফাইভ-জি সংযোজন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আগামী দিনে দেশে ফাইভ-জি আসছে, এসব হ্যান্ডসেট সংযোজন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কারখানাগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, দেশের গার্মেন্ট কারখানাগুলো প্রথমে পুরোটা সক্ষমতা নিয়ে শুরু করতে পারেনি। সংযোজন কারখানাগুলো এখন শুধু এ কাজ করলেও আগামীদিনে আরো বড় পরিসরে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিএমপিআইএর যুগ্ম সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন বলেন, কয়েকটি কারখানা এরই মধ্যে মাদারবোর্ড তৈরির প্রস্তুতি নিয়েছে, আগামীদিনে এসব যন্ত্রাংশ তৈরির মাধ্যমে এক সময়ে পুরো হ্যান্ডসেটই দেশে উৎপাদন সম্ভব হবে। এছাড়া দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানিতেও বড় ভূমিকা পালন করবে এ খাত।

ট্রানশান বাংলাদেশের (কার্লকেয়ার টেকনোলজি বিডি লিমিটেড, টেকনো ও আইটেল ব্র্যান্ড) সিইও রেজওয়ানুল হক বলেন, টেকনো ও আইটেল ব্র্যান্ড নিয়ে বছরে প্রায় ৫৫ লাখ ইউনিট হ্যান্ডসেট তৈরি হচ্ছে কারখানায়। প্রায় দুই বছর ধরে শুরু হওয়া কারখানায় বছরে ১৫ লাখের বেশি স্মার্ট হ্যান্ডসেট তৈরি করা হচ্ছে। চলতি বছরের চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে উৎপাদন বাড়ানোরও পরিকল্পনা আছে।

২০১৭ সালের ডিসেম্বর থেকে ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ হ্যান্ডসেট সংযোজন করে যাচ্ছে। ওয়ালটনের হেড অব সেলস আসিফুর রহমান খান বলেন, গত বছর মহামারির সময়ে ফিচার ও স্মার্টফোন মিলিয়ে মোট ৪৪ লাখ ইউনিট উৎপাদন হয়েছে। এর মধ্যে চার লাখ স্মার্টফোন তৈরি করা হয়েছে। আগামী বছর এ উৎপাদন দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। হ্যান্ডসেট আমদানিকারক ও উৎপাদকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশে ডজনখানেক কারখানায় মোবাইল হ্যান্ডসেট সংযোজন হওয়ায় বিদেশ থেকে সেট আমদানি কমে আসছে। গত দেড় বছরে দেশে মোবাইল হ্যান্ডসেট আমদানি হয়েছে ১ কোটি ৬৩ লাখ। এর মধ্যে গত ৬ মাসে আমদানি হয়েছে মাত্র ১৮ লাখ হ্যান্ডসেট। একই সময়ে দেশে মোবাইল হ্যান্ডসেট তৈরি হয়েছে ৩ কোটি ৩৮ লাখ। এর মধ্যে গত ৬ মাসে প্রায় ১ কোটি ৮৮ লাখ হ্যান্ডসেট তৈরি হয়েছে। তারা বলছেন, বর্তমানে দেশে হ্যান্ডসেট সংযোজন কারখানাগুলোতে স্মার্টফোন চাহিদার প্রায় শতভাগ পূরণ হচ্ছে। আর ফিচার ফোনের চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশ মেটাতে পারছে দেশি কারখানাগুলো।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি হ্যান্ডসেটের বাজার রয়েছে। এ চাহিদা মেটাতে বিদেশে থেকে হ্যান্ডসেট আমদানি করতে গিয়ে সব মিলিয়ে ৬০ শতাংশের বেশি শুল্ক দিতে হয়। স্থানীয় পর্যায়ে মোবাইল টেলিফোন সেট উৎপাদনের ওপর মূসক অব্যাহতি এবং সংযোজন খাতে ৫ শতাংশ হারে মূসক রয়েছে।

টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১৭ সালে দেশে হ্যান্ডসেট সংযোজন শুরু হওয়ার আগে চাহিদার পুরোটাই আমদানি করা হতো। গত দেড় বছরে দেশে মোবাইল হ্যান্ডসেট আমদানি হয়েছে ১ কোটি ৬৩ লাখ। তার মধ্যে গত ৬ মাসে আমদানি হয়েছে মাত্র ১৮ লাখ হ্যান্ডসেট।

এদিকে দেশে স্মার্টফোনের চাহিদার পুরোটাই দেশীয় কারখানাগুলোতে সংযোজন হচ্ছে। এখন সেখানে সেটের বদলে যন্ত্রাংশ আমদানি করে কারখানাগুলোতে সেগুলো সংযোজন করে সেট তৈরি করা হচ্ছে। গত দেড় বছরে দেশে মোবাইল হ্যান্ডসেট তৈরি হয়েছে ৩ কোটি ৩৮ লাখ। এর মধ্যে গত ছয় মাসে প্রায় ১ কোটি ৮৮ লাখ হ্যান্ডসেট তৈরি হয়েছে। চাহিদার ৬০ শতাংশ ফিচার ফোন দেশীয় কারখানাগুলোতেই তৈরি হচ্ছে, এ বছরেই তা শতভাগে উন্নীতের আশা করছে খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!