1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
জলঢাকায় ফেন্সিডিল সহ গ্রেফতার- ২ পলাতক-১’জন মোটরসাইকেল জব্দ সৈয়দপুরে জীবিত স্বামীকে মৃত দেখিয়ে ১৭ বছর থেকে বিধবা ভাতা উত্তোলন, সমাজসেবা কর্তৃপক্ষ নির্বিকার ঝিকরগাছায় আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত জলঢাকায় ১১ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশের মাঝে ১০৯টি বাইসাইকেল বিতরণ জলঢাকায় যানজটে জনদুর্ভোগ বেড়েই চলছে : নিরসনের দাবি পৌরবাসির বেনাপোলে গৃহহীনদের ঘর নিয়ে ভুমি অফিসের সহকারীর বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ। ঝিকরগাছায় সাপের কামড়ে ১ গৃহবধূর মৃত্যু বেনাপোলে র‍্যাবের অভিযানে গাজাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী আটক সৈয়দপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বাইসাইকেল বিতরণ সৈয়দপুরে সাহিত্য আসরের ৪থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

প্রকৃতির মহিমায় বদলে গেছে তিস্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক,গাইবান্ধা
  • প্রকাশকাল | মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ, ২০২১
  • ৮৬ বার পঠিত

কালের বিবর্তনে বদলে গেছে তিস্তার রুপ এবং গর্জন। প্রকৃতি যেন আপন মহিমায় তিস্তাকে থামিয়ে দিয়েছে। শুধু তিস্তায় নয় বাংলার বুক জুড়ে প্রবাহমান নদী সমূহ একই দশায় পরিণত হয়েছে। আর সে কারণে পৃথিবীর ভারসাম্য পরিবর্তন হয়ে গেছে। প্রতিদিনের দাবি নদী বাঁচাও দেশ বাঁচাও। নদীর বুকে নির্মাণ করা হচ্ছে বসত বাড়ী, কলকারখানা, পাঁকা রাস্তা, বিনোদন পার্ক, পাওয়ার প্লান্টসহ নানাবিধ অবকাঠামো এবং চাষাবাদ হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতের ফসলের। দেখা দিয়েছে তিস্তার নাব্যতা সংকট। যার কারণে হাজারও নৌ-শ্রমিক ও জেলে বেকার হয়ে পড়েছে। বাপ-দাদার পেশা ছেড়ে অন্য পেশা বেঁচে নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে শ্রমিকরা। পাশাপাশি নাব্যতা সংকটে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে দিনের পর দিন। হারিয়ে যেতে বসেছে নদীতে বসবাসরত বিভিন্ন প্রাণীকুল।

স্বাধীনতার পর আজও গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদী ড্রেজিং, খনন, সংরক্ষণ ও সংস্কার করা হয়নি। সে কারণে দিনের পর দিন উজান থেকে নেমে আসা পলি জমে খর ¯্রােতা রাক্ষুসি অগভীর তিস্তা নদী ভরাট হয়ে ধূ-ধূ বালুচর এবং আবাদি জমিতে পরিণত হয়েছে। তিস্তার গতিপথ পরিবর্তন হয়ে অসংখ্য নানা, খাল ও শাখা নদীতে রুপ নিয়েছে। শুকনা মৌসুমে নদীপথে চলাচল অত্যন্ত দুরহ্ ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। নদীপথে চলাচলের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে পায়ে হেঁটে, ঘোড়ার গাড়ীতে, বাঁশের সাঁকা, মোটর সাইকেল ও বাইসাইকেল চরে। সে কারণে হাজারও নৌ-শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে। নষ্ট হচ্ছে নৌ-শ্রমিকদের উপকরণ নৌকা, জাল, বাশের তৈরি মাছ ধরার যন্ত্র। শ্রমিকরা এখন বাপ দাদার পেশ ছেড়ে দিয়ে রিক্সা, ভ্যান, অটোবাইক চালিয়ে অনেকে রাজমিস্ত্রির ও বিভিন্ন কলকারখানায় দিনমজুরের কাজ করছে। নদী ড্রেজিং, খনন, সংরক্ষন ও সংস্কার না করায় গতিপথ পরিবর্তন হয়ে প্রতিবছর হাজারও একর জমি বসতবাড়িসহ নদীগর্ভে বিলিন হচ্ছে। হারিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, পাখিসহ ঐতিহ্যবাহী প্রাণীকুল। এ কারণে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে দিনের পর দিন। বন্ধ হয়ে গেছে নৌ-পথের ব্যবসা-বাণিজ্য।

উপজেলার মীরগঞ্জ, বেলকা, রামডাকুয়া, তারাপুর, হরিপুর, পাঁচপীর, শ্রীপুর, লালচামার ও কাপাসিয়া খেয়াঘাট থেকে পীরগাছার তাম্বুলপুর, তিস্তা সেতু, হারাগাছ, উলিপুর, চিলমারি, কাশিম বাজার, থানার হাট, রৌমারি, ভুরুঙ্গামারি, যাদুর চর, জামালগঞ্জ, বাহাদরাবাদ, দেওয়ানগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ, চট্টগ্রাম, ঢাকাসহ বিভিন্ন রুটে নৌ-চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

কথা হয় বেলকা ইউনিয়নের নৌ-শ্রমিক সুশীল কুমারের সাথে। তিনি বলেন, নদী ভরে যাওয়ায় এখন আর নৌকা চলে না। শুধু মাত্র বর্ষাকালে ২-৩ মাস নৌকা চলাচল করা যায়। সে কারণে তারা মাঝি মাল্লার পেশা ছেড়ে দিয়েছে।

হরিপুর ইউনিয়নের জেলে আকবর আলী জানান, নদীতে আর মাছ পাওয়া যায় না। মুল নদী এখন নালা ও খালে রুপ নিয়েছে। সারাদিন বিভিন্ন শাখা নদীতে মাছ ধরে বিক্রি করে একদিনের সংসার চালানোর মত টাকা রোজগার করা যায় না।

হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাফিউল ইসলাম জিমি জানান, নাব্যতা সংকট দুর করতে হলে প্রয়োজন নদী ড্রেজিং করা ও খনন করা। এতে করে সকল প্রকার সমাস্য সমাধান হবে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারি প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান জানান, নদী ড্রেজিং ও খনন করা একটি দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা। সরকারের উপরের মহলের সিদ্ধান্ত ছাড়া এটি সম্ভব নয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!