1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:১৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সৈয়দপুরে জীবিত স্বামীকে মৃত দেখিয়ে ১৭ বছর থেকে বিধবা ভাতা উত্তোলন, সমাজসেবা কর্তৃপক্ষ নির্বিকার ঝিকরগাছায় আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত জলঢাকায় ১১ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশের মাঝে ১০৯টি বাইসাইকেল বিতরণ জলঢাকায় যানজটে জনদুর্ভোগ বেড়েই চলছে : নিরসনের দাবি পৌরবাসির বেনাপোলে গৃহহীনদের ঘর নিয়ে ভুমি অফিসের সহকারীর বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ। ঝিকরগাছায় সাপের কামড়ে ১ গৃহবধূর মৃত্যু বেনাপোলে র‍্যাবের অভিযানে গাজাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী আটক সৈয়দপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বাইসাইকেল বিতরণ সৈয়দপুরে সাহিত্য আসরের ৪থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন সৈয়দপুরে উপজেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় বক্তারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রকৃত সৈনিকেরা ষড়যন্ত্রকে ভয় পায়না তারা লড়াই করেই বাঁচে, বিজয়ী হয়

হালাল উপার্জনে স্বামী-স্ত্রীর যৌথ প্রচেষ্টা

মাহমুদা নওরিন
  • প্রকাশকাল | শুক্রবার, ৪ জুন, ২০২১
  • ৭৯ বার পঠিত
প্রত্যেক মেয়ে বাবা-মায়ের নয়নমনি, ঘরের আলো। ভাই-বোনের স্নেহ-ভালোবাসার পাত্রী। তাদের নিয়েই আবর্তিত হয় তার জীবন। একসময় তার জীবনধারায় পরিবর্তন আসে। সে হয়ে যায় নতুন কিছু মানুষের আত্মীয়। একজন পুরুষ হয় তার একান্ত আপন- স্বামী। তাকে নিয়ে সে স্বপ্ন দেখে, তাকে ঘিরে নতুন জীবনের নতুন বাগান সাজায়। সৎ ও নেককার স্ত্রী স্বামীর জন্য রহমত। হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) তাকে দুনিয়ার সবচেয়ে উত্তম সম্পদ হিসেবে গণ্য করেছেন।

হজরত আলী (রা.) থেকে বর্ণিত, যখন এই আয়াতটি নাজিল হলোÑ ‘যারা স্বর্ণ-রৌপ্য জমা করে এবং তা আল্লাহর রাস্তায় খরচ করে না, তাদের কষ্টদায়ক মর্মন্তুদ আজাবের সুসংবাদ দিন।’ হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) তিন বার বললেন, ‘স্বর্ণ-রুপার বিনাশ হোক’ কথাটি সাহাবায়ে কেরামের জন্য কিছুটা ভারী মনে হলো। তাই তারা জিজ্ঞেস করলেন, তাহলে আমরা কোন বস্তুকে সম্পদ হিসেবে গ্রহণ করব? তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, জিকিরকারী জবান, শোকরকারী অন্তর এবং এমন স্ত্রী, যে তার স্বামীকে দ্বীনের কাজে সহযোগিতা করবে।’ Ñতাফসিরে ইবনে কাসির : ২/৫৪৮

স্ত্রী হিসেবে নেককার নারী খোঁজ করা সব পুরুষের কর্তব্য। আর নারীর কর্তব্য- স্বামীকে দ্বীনের কাজে পরিপূর্ণ সহযোগিতা করা। নারী হিসেবে বিভিন্নভাবে স্বামীর হালাল উপার্জনে সহযোগিতা করা যায়, স্বামীকে দ্বীনের পথে আনা যায়। দায়িত্বশীল স্ত্রীর উচিত স্বামীকে উৎসাহ দেওয়া এবং প্রতি ওয়াক্তে মসজিদে যাওয়ার ব্যাপারে সহায়তা করা।

স্বামী নামাজ না পড়লে, রোজা না রাখলে স্ত্রীই পারেন বুঝিয়ে শুনিয়ে তাকে নেককার বানাতে, নামাজ রোজাসহ দ্বীনি আমলের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে। বুঝিয়ে শুনিয়ে, ভালোবাসা দিয়ে, আল্লাহর কাছে দোয়া করে স্বামীকে বিভিন্ন অন্যায় থেকে বিরত রাখা সম্ভব। যতদিন বিরত না হয়, ততদিন চেষ্টা করে যেতে হবে।

হতে পারে কারও স্বামীর উপার্জন হালাল নয়। বিভিন্ন অনৈতিক কাজের সঙ্গে তার পেশা যুক্ত। তখন স্ত্রীকে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে নরমে-কঠোরে যেভাবেই হোক হারাম থেকে স্বামীকে মুক্ত করতে হবে। হারামের অভিশাপ থেকে নিজেদের বাঁচাতে হবে। হালাল রিজিকের প্রতি উৎসাহ দিতে হবে। পরিবারের অন্য সদস্যদের ধৈর্য ধারণের জন্য দৃঢ় মনোভাব প্রকাশ করতে হবে। হতাশ হলে চলবে না। সবসময় তাকে বোঝাতে হবে- আমাদের অতিরিক্ত কিছু দরকার নেই। জৌলুসপূর্ণ-চাকচিক্যময় জীবন চাই না। সুস্থতা ও সম্মানের জীবনই যথেষ্ট। বাহারি কোনো কিছুর জন্য আমাদের কোনো আকুলতা কিংবা চাহিদা নেই। এভাবে স্ত্রী তার স্বামীকে বললে স্বামী অন্যায় পথে পা বাড়াবে না।

ঘরে পরিপূর্ণ দ্বীনি পরিবেশ তৈরির এবং শরিয়ত মোতাবেক পরিবার গড়ার জন্য দৃঢ়ভাবে নিজের ইচ্ছার ওপর অটল থাকতে হবে। একজন নারী হিম্মতের সঙ্গে, হেকমতের সঙ্গে যদি এগিয়ে যায় তাহলে তার দ্বারা একটি পরিবারে দ্বীনি পরিবেশ কায়েম হওয়া সহজ।

স্বামী যদি ঘরে ঘুষের টাকা আনে, অবৈধ উপহার কিংবা বস্তু আনে, তাহলে হেকমতের সঙ্গে স্বামীকে বোঝাতে হবে। এ সবের বিভিন্ন কুফল তার সামনে তুলে ধরতে হবে এবং এ সবের প্রতি তার মনে ঘৃণা সৃষ্টি করে ঘর থেকে এগুলো দূর করতে হবে।

আবার এ সবের বিপরীতও হয়। যেমন স্বামী চান, তার স্ত্রী নামাজ পড়ুক, রোজা রাখুক, ইবাদত বন্দেগিতে মশগুল থাকুক, কিন্তু স্ত্রী চায় না। তিনি চান নামাজ- রোজা বাদ দিয়ে আনন্দ বিনোদন আর ভোগ বিলাসে মত্ত থাকতে। কিংবা তার বিভিন্ন অনৈতিক চাহিদা বেশি, তার এটা চাই, ওটা চাই। এক্ষেত্রে স্বামীকে ধৈর্য ধরতে হবে এবং স্ত্রীকে বোঝাতে হবে, আলহামদুলিল্লাহ, আমরা বেশ ভালো আছি, এই দুনিয়ার জীবনই শেষ নয়। এরপরে চিরস্থায়ী একটি জীবন আছে। সেই জিন্দেগি হয় চিরশান্তির হবে, নয় তো চির দুঃখের। কে চায় তার জিন্দেগিটা দুঃখে ভরা থাক। সবাই তো চিরশান্তিই চায়।

পরিবারে দ্বীনি পরিবেশ সৃষ্টি ও বজায় এবং পরিবারের লোকদের মধ্যে দ্বীনি মেজাজ তৈরির জন্য ঘরে বিভিন্ন ধর্মীয় বই-পুস্তকের তালিম, জীবনঘনিষ্ঠ একটি আয়াত কিংবা হাদিসের অনুবাদ শোনানোর ব্যবস্থা করা যেতে পারে। সবচেয়ে বড় কথা, স্বামীর সঙ্গে বোঝাপড়ার সবগুলো কাজ স্ত্রীকে করতে হবে ভেবেচিন্তে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে। হৃদ্যতা, আন্তরিকতা ও ভালোবাসার সঙ্গে। স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হওয়া, অন্যায় আচরণ করা মোটেই সমীচীন নয়। নিজের দুনিয়াবি ভোগবিলাস পরিত্যাগ করে, নিজের অন্যায় চাহিদাগুলোকে বিলীন করে পরিপূর্ণ শরিয়তের আলোকে নিজে চলার চেষ্টা করা। স্বামীকে চলতে উৎসাহ দেওয়া এবং সন্তানদের সেভাবে চালানো।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!