1. admin@theinventbd.com : admin :
বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ১১:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ

সৈয়দপুর গোলাহাট গণহত্যা দিবস

জয়নাল আবেদীন হিরো,স্টাফ রিপোর্টার :
  • প্রকাশকাল | রবিবার, ১৩ জুন, ২০২১
  • ৩৩ বার পঠিত

নীলফামারীর সৈয়দপুরের গোলাহাট গণহত্যা দিবস আজ ১৩ জুন। ১৯৭১ সালের আজকের দিনে পাকিস্তানি বাহিনীর দোসররা শহরের গোলাহাটে স্বাধীনতাকামী হিন্দু সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ ও শিশুদের নৃশংসভাবে হত্যা করে।

বর্বর হত্যাযজ্ঞের স্থানটি গোলাহাট বধ্যভূমি হিসেবে পরিচিত। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে সৈয়দপুরের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।
১৯৪৭ সালে পাকিস্তান ও ভারতের বিভক্তির পর বিপুলসংখ্যক অবাঙালি (উর্দুভাষী) সৈয়দপুর শহরে আশ্রয় নেয়। স্বাধীনতাযুদ্ধকালে মুক্তিকামী বাঙালিদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় অবাঙালিরা। এরা ছিল হানাদার বাহিনীর বিশ্বস্ত। এদের প্রত্যক্ষ মদদে হানাদার বাহিনীর শক্ত ঘাঁটিতে পরিণত হয় সৈয়দপুর।

যুদ্ধের সময় এসব অবাঙালির হত্যাযজ্ঞের শিকার হয় অগণিত বাঙালি। এর মধ্যে ১৩ জুন সংঘটিত হয় সর্ববৃহৎ লোমহর্ষক গণহত্যা।

এদিন শহরের হিন্দু ও মাড়োয়ারি সম্প্রদায়ের লোকজনকে ভারতে পৌঁছে দেয়ার কথা বলে সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশনে আনা হয়। এরপর সবাইকে একটি বিশেষ ট্রেনে তুলে ট্রেনটি স্টেশন থেকে চিলাহাটি অভিমুখে ছেড়ে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে গোলাহাট এলাকায় থামানো হয়।
অবাঙালিরা তলোয়ার দিয়ে জবাই করে একে একে ৪৪৮ জন নারী-পুরুষ-শিশুকে নির্মমভাবে হত্যা করে। সেই দিনের নৃশংস হত্যাযজ্ঞ থেকে ভাগ্যক্রমে মাত্র কজন পালিয়ে বাঁচলেও সেদিনের স্মৃতি মনে করে আজও আঁতকে ওঠেন তারা। কেউবা নীরবে ফেলেন চোখের পানি।
শহীদ পরিবারের সদস্য নিজু কুমার আগরওয়ালা বলেন, ‘১৩ জুন আমাদের জীবনে শোকাবহ একটি দিন। এখনও শহীদ পরিবারের স্বীকৃতি না পেয়ে খারাপ লাগে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমরা আমাদের স্বীকৃতির জন্য লড়ব।’
তিনি জানান, দিনটি স্মরণে সন্ধ্যায় গীতাপাঠ, শ্রদ্ধাঞ্জলি ও মোমবাতি প্রজ্বালন করা হয়।

২০১৪ সালে স্থানীয় সংসদ সদস্য শওকত চৌধুরীর উদ্যোগে স্মৃতিসৌধের নির্মাণকাজ শুরু হলেও অর্থাভাবে তা থমকে রয়েছে।
স্থানীয়রা দ্রুত সেটি বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!