1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত জলঢাকায় ইএসডিও- ডাভ সেলফ এস্টিম প্রকল্পের অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত তিস্তায় পানি বৃদ্ধি ২২ গ্রাম প্লাবিত হুমকির মুখে তিস্তার তীরবর্তী মানুষ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন জলঢাকায় শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন করেছে যুবলীগ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নারী উদ্দোক্তা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আনন্দের ভাগিদার হতে ছুটে এসেছি জলঢাকায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে ড. তুরিন আফরোজ জলঢাকায় মঙ্গলদ্বীপের উদ্যোগে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত জলঢাকায় প্রতিমাকে দৃষ্টিনন্দন করতে রং তুলির কাজে ব্যস্ত এখন কারিগররা জলঢাকায় অনির্বাণ স্কুলে একাডেমিক ভুবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ গানের গীতিকার ফজল-এ-খোদা মারা গেছেন

অনলাইন ডেস্ক |
  • প্রকাশকাল | রবিবার, ৪ জুলাই, ২০২১
  • ৭৮ বার পঠিত

করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ গানের গীতিকার ফজল-এ-খোদা (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

রবিবার ভোর ৪টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।

ফজল-এ-খোদার ছেলে সজীব ওনাসিস রবিবার সকাল সাড়ে ৯টায় দেশ রূপান্তরকে মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন ফজল-এ-খোদা। গত মঙ্গলবার করোনা পজিটিভ আসার পর বাসায় থেকে দু’দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর বৃহস্পতিবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার স্ত্রী মাহমুদা সুলতানা এবং বড় ছেলেও করোনা আক্রান্ত।

ফজল-এ-খোদার মেজো ছেলে সজীব দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘কিছুদিন আগে আমার বড় ভাই করোনা আক্রান্ত হন। পরে আমার বাবা-মাও আক্রান্ত হন। মঙ্গলবার করোনা পজিটিভ হওয়ার খবর আসার পর বাবা বাসায় থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। পরে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’

তিনি জানান, রবিবার সকাল ১১টার দিকে রায়েরবাজার কবরস্থানে তার বাবাকে দাফন করা হবে। এর আগে কবরস্থান মসজিদেই জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

বহু কালজয়ী গানের গীতিকার ফজল-এ-খোদা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- ‘যে দেশেতে শাপলা শালুক ঝিলের জলে ভাসে’, ‘ভালোবাসার মূল্য কতো, আমি কিছু জানি না’, ‘কলসি কাঁধে ঘাটে যায় কোন রূপসী’, ‘বাসন্তী রং শাড়ি পরে কোন রমণী চলে যায়’, ‘আমি প্রদীপের মতো রাত জেগে জেগে’, ‘ভাবনা আমার আহত পাখির মতো’, ‘প্রেমের এক নাম জীবন’, ‘বউ কথা কও পাখির ডাকে ঘুম ভাঙেরে’, ‘খোকন মণি রাগ করে না’।

১৯৬৩ সালে তিনি বেতারে গীতিকার হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। পরের বছর ১৯৬৪ সালে টেলিভিশনে গীতিকার হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

ছড়াকার হিসেবে লেখালেখি শুরু করেছিলেন ফজল-এ-খোদা। দেশাত্মবোধক, আধুনিক, লোকসংগীত এবং ইসলামী গান লিখে তিনি প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

ঢাকা বেতারের সাবেক এই আঞ্চলিক পরিচালক শিশু-কিশোরদের সংগঠন শাপলা-শালুকের আসরের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক।

ফজল-এ-খোদা ১৯৪১ সালের ৯ মার্চ পাবনা জেলার বেড়া থানার বনগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!