1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
জলঢাকায় ইএসডিও- ডাভ সেলফ এস্টিম প্রকল্পের অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত তিস্তায় পানি বৃদ্ধি ২২ গ্রাম প্লাবিত হুমকির মুখে তিস্তার তীরবর্তী মানুষ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন জলঢাকায় শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন করেছে যুবলীগ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নারী উদ্দোক্তা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আনন্দের ভাগিদার হতে ছুটে এসেছি জলঢাকায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে ড. তুরিন আফরোজ জলঢাকায় মঙ্গলদ্বীপের উদ্যোগে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত জলঢাকায় প্রতিমাকে দৃষ্টিনন্দন করতে রং তুলির কাজে ব্যস্ত এখন কারিগররা জলঢাকায় অনির্বাণ স্কুলে একাডেমিক ভুবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন জলঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু পরিষদের আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

নীলফামারীতে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ৬ সেণ্টিমিটার নিচে

জয়নাল আবেদীন হিরো,স্টাফ রিপোর্টার :
  • প্রকাশকাল | বৃহস্পতিবার, ৮ জুলাই, ২০২১
  • ১০২ বার পঠিত
 নীলফামারীতে তিস্তা নদীর পানি আবারো বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমা ছুই ছুই করছে। এতে করে তিস্তা নদী বেষ্টিত বিভিন্ন চরাঞ্চলের পাঁচ সহস্রাধীক পরিবার পানি বন্দি হয়ে পড়েছেন। বৃহস্পতিবার ৮ জুলাই সন্ধ্যা ৬ টায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে অবস্থিত তিস্তা ব্যারাজে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ৬ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। ওই পয়েণ্টে তিস্তা নদীর বিপদসীমা ৫২ দশমিক ৬০ সেণ্টিমিটার।
এর আগে সেখানে মঙ্গলবার(৬ জুলাই) ২৫ সেণ্টিমিটার এবং বুধবার(৭ জুলাই) ৩০ সেণ্টিমিটার নিচে ছিল।
বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে গত ৪ জুলাই তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৮ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে করে তিস্তা বেষ্টিত গ্রামগুলো প্লাবিত হয়। পরদিন থেকে পানি কমতে থাকলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, কয়েকদিনের বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ৪ জুলাই চরাঞ্চলের গ্রামগুলো প্লাবিত হয়। পরদিন থেকে পানি কমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পানি একটু একটু করে বৃদ্ধি পেয়ে সন্ধ্যা ৬টায় বন্যাবস্থার সৃষ্টি করে।
ডিমলা উপজেলার পুর্ব ছাতনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খাঁন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তিস্তা নদীর পানি বাড়তে শুরু করে, বিকেল থেকে পানি দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এতে করে ইউনিয়নের ঝাড়সিংহেরস্বর ও পুর্ব ছাতনাই গ্রামের প্রায় এক হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েন।
টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান মো. ময়নুল হক বলেন, আজ বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে তিস্তার পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইউনিয়নের প্রায় ৬শত পরিবার এরই মধ্যে পানি বন্দি হয়ে পড়েছেন। পানি বৃদ্ধি অব্যহত আছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের বন্যা পুর্বাভাষ ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সুত্র মতে, আজ বৃহস্পতিবার তিস্তা ব্যারাজ পয়েণ্টে তিস্তা নদীর পানি সকাল ৬ টায় ৫২ দশমিক ৩৭ সেণ্টিমিটার, সকাল ৯ টায় ৫২ দশমিক ৪০ সেণ্টিমিটার, বেলা ১২টায় ৫২ দশমিক ৪০ সেণ্টিমিটার, বিকেল ৩টায় ৫২ দশমিক ৪২ সেণ্টিমিটার এবং সন্ধ্যা ৬টায় ৫২ দশমিক ৫৪ সেণ্টিমিটার দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল।
এ বিষয়ে কথা বললে, পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের দায়িত্বে থাকা নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘ উজানে ভারী বৃষ্টির কারনে তিস্তা নদীর পানি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় বিপদসীমার ৬ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। রাত নয়টার মধ্যে বিপদসীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে। ব্যারাজের ভাটিতে ডাউয়াবাড়ি নামক স্থানে তিস্তা ডানতীর বাধে তিস্তার পানি আঘাত হানছে। সেখানে বালির বস্তা ফোলানো হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তিস্তা ব্যারাজের সব কটি (৪৪) জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!