1. admin@theinventbd.com : admin :
সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
করোনা: ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু আরও ২২৮, শনাক্ত ১১২৯১ সৈয়দপুরে ৬ মামলা ২০ হাজার জরিমানা ও একজনের জেল অক্সিজেন সেবা নিয়ে করোনা রোগীদের পাশে কিশোরগঞ্জে সিসি ক্যামেরায় গরু চোর শনাক্ত-৪ ঘন্টায় উদ্ধার জলঢাকায় কোরবানির গোস্ত নিয়ে দুস্তদের দুয়ারে দুয়ারে গেলেন ইউএনও মাহবুব হাসান আরও ১৯৫ মৃত্যুতে করোনায় প্রাণহানি ১৯ হাজার ছাড়াল লকডাইন অমান্য করে সৈয়দপুরে পুলিশ কর্মকর্তাকে পেটানোর মামলায় ব্যবসায়ীর দুই পুত্র আটক কিশোরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের স্বপ্নের ঘরে প্রথম ঈদ সৈয়দপুরে বিধিনিষেধ অমান্য করায় ২১মামলা ১ জনের ৭দিনের জেল নীলফামারীতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেলেন এক হাজার পরিবার

সৈয়দপুরে জলাশয় দখল ও বিষ দিয়ে মাছ নিধনের প্রতিবাদে সংবাদ

জয়নাল আবেদীন হিরো,স্টাফ রিপোর্টার :
  • প্রকাশকাল | শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১
  • ৫০ বার পঠিত
নীলফামারীর সৈয়দপুরে জলাশয় জবর দখল ও বিষ দিয়ে মাছ নিধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন হিন্দু ধর্মীয় একটি সংগঠন।
শনিবার ১০ জুলাই বিকালে কয়ামিস্ত্রী পাড়ায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সূযমুখী তরুন সংঘ সাবজনীন দূগাপুজা কমিটির সাবেক সা: সম্পাদক বিমল চন্দ্র রায় । এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সভাপতি শুশান্ত চন্দ্র রায়,সুমন চন্দ্র,বিল্বব চন্দ্র,ডালিম চন্দ্র ও তাপস চন্দ্র রায় ।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় একই এলাকার কাতিক চন্দ্র একটি রাজনৈতিক দলের প্রভাব দেখিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। মন্দিরের নামে জলাশয় দখল এবং বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎও দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী কায়দায় সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর অত্যাচার নির্যাতন ও নিপীড়ন চালিয়ে আসছে।
এরই সূত্র ধরে শুক্রবার ৯ জুলাই সকাল
সাড়ে ১১টায় বোতলাগাড়ি কয়ামিস্ত্রী পাড়ায়
(হিন্দু পাড়ায়) অবস্থিত সংগঠনের (মন্দিরের)
 জলাশয়ে সংগঠনের সভাপতিসহ কয়েকজন মিলে ১৬০ কেজি মাছের পোনা জলাশয়ে ছেড়ে দেন এবং জলাশয়ে সাইন বোর্ড লাগান। এ সময় কাতিক চন্দ্র তার ৩ ছেলে নিপু,কনক,নিম ও ভাড়াটে বাহিনী বাধা সৃষ্টি করেন এবং কমিটির লোকজনকে মার ডাং শুরু করেন। এতে কমিটির ৩ জন গুরুতরভাবে আহত হন। তাদের সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় । কমিটির লোকজন হাসপাতালে ব্যস্ত থাকায় রাতে কাতিক তার লোকজন নিয়ে জলাশয়ে বিষ ও গ্যাস ট্যাবলেট দিয়ে মাছ নিধন করেন। ওই জলাশয়ের আয় থেকে প্রতি বছর দুগাপুজা উদযাপন করা হয় এবং মন্দিরের কাজে ব্যবহার করা হয় । এ ছাড়া কাতিক চন্দ্র নিজেকে সভাপতি পরিচয় দিয়ে ভুয়া রশিদ তৈরী করে মন্দির ও পুজার নামে ব্যবসায়ী,রাজনৈতিক ব্যক্তির কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে আত্মসাৎ করে আসছেন। সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয় জলাশয়টি বাংলাদেশ রেলওয়ের। ০৫/০১/১৯৮৫ ইং তারিখে জলাশয়টি বতমান সভাপতি শ্রী শুশান্ত কুমার রায়ের পিতা উমেশ চন্দ্র রায়ের নামে লীজ করার জন্য এলাকাবাসী টাকা দেন। কিন্তু কাতিক চন্দ্র উমেশ চন্দ্র রায়ের নামে লীজ না করে তার পিতা ঈশ্বর চন্দ্র রায়ের নামে লীজ করেন। এর মধ্য গত ১৬/০২/৯৪ ইং সনে কাতিকের পিতা ঈশ্বর চন্দ্র রায় সাংসারিক সমস্যার কারণে জলাশয়টি নয়মুল চৌধুরীর কাছে ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। পরে নয়মুল চৌধুরী ধর্মীয় বিষয়টি বুঝতে পেরে
১০/১০/০৮ইং সনে হিন্দু ধর্মীয় সংগঠনের কাছে লিখিতভাবে জলাশয়টি বিনামূল্যে ফেরত দেন। ফেরতের সময় বোতলাগাড়ি তৎকালীন চেয়ারম্যান মরহুম ছাইদুর রহমান সরকার ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিনসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন । ওই সময় থেকে জলাশয়ের আয় থেকে শারদীয় দুর্গা উৎসব পালন করা হয় ।
এরপর কাতিক চন্দ্র জলাশয়টি কমিটির কাছ থেকে প্রতি বছর ৫০ হাজার টাকা হিসাবে ইজারা নেন। ২ বছর টাকাও পরিশোধ করেন। ২০১৮ সাল থেকে ইজারার টাকা বাকী রাখেন। পরে কাতিক জানিয়ে দেন যে আর টাকা দিব না । এতেই শুরু দু্পক্ষের মধ্যে ঝগড়ার সূত্রপাত। ঘটনার কাতিক চন্দ্র উল্টো কমিটির লোকদের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ার জন্য থানায় দৌড়ঝাপ শুরু করেছে । তবে কমিটির লোকজন প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচার আশা করছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!