1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
জলঢাকায় ইএসডিও- ডাভ সেলফ এস্টিম প্রকল্পের অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত তিস্তায় পানি বৃদ্ধি ২২ গ্রাম প্লাবিত হুমকির মুখে তিস্তার তীরবর্তী মানুষ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন জলঢাকায় শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন করেছে যুবলীগ জলঢাকায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নারী উদ্দোক্তা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আনন্দের ভাগিদার হতে ছুটে এসেছি জলঢাকায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে ড. তুরিন আফরোজ জলঢাকায় মঙ্গলদ্বীপের উদ্যোগে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত জলঢাকায় প্রতিমাকে দৃষ্টিনন্দন করতে রং তুলির কাজে ব্যস্ত এখন কারিগররা জলঢাকায় অনির্বাণ স্কুলে একাডেমিক ভুবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন জলঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু পরিষদের আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

সৈয়দপুরে জীবিত স্বামীকে মৃত দেখিয়ে ১৭ বছর থেকে বিধবা ভাতা উত্তোলন, সমাজসেবা কর্তৃপক্ষ নির্বিকার

জয়নাল আবেদীন হিরো,স্টাফ রিপোর্টারঃ
  • প্রকাশকাল | বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৬৭ বার পঠিত

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জীবিত স্বামীকে মৃত দেখিয়ে ১৭ বছর থেকে বিধবা ভাতা উত্তোলন করে চলেছে মনজিলা বেওয়া নামে এক নারী। ইউনিয়ন সমাজকর্মীর সাথে ইউপি মেম্বার ও চেয়ারম্যানের জোগসাজসে এমন অনিয়ম করা হচ্ছে বিধায় দীর্ঘদিন থেকে এভাবে সরকারী অর্থ আত্মসাৎ করলেও উপজেলা সমাজসেবা কর্তৃপক্ষ নির্বিকার। এমনকি এলাকাবাসী বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ দেওয়ার পরও কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দূর্নীতি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা চলছে এলাকাজুড়ে।

এ ব্যাপারে খোঁজ নিতে উপজেলার বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের লক্ষণপুর পশ্চিমপাড়া (দোলাপাড়া) এলাকায় গেলে দেখা যায়, মনজিলা বেওয়া নামের মহিলার সেমি পাকা বাড়ি। তার স্বামী চৌমুহনী বাজারে একটি হোটেলে মেসিয়ার হিসেবে কর্মরত। সংবাদকর্মীদের দেখে মনজিলা বেওয়া জানান, ২০০৪ সালে ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার ছিল তার ভাই আইয়ুব আলী। তিনি ইউপি সমাজকর্মী ফরিদা বেগম এর মাধ্যমে তার এই বিধবা ভাতার কার্ড করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, তার স্বামী বাড়িতে নিয়মিত থাকেনা। মাঝে মাঝে সে বাড়ি থেকে চলে যায় এবং দীর্ঘদিন তার কোন খোঁজ খবর থাকেনা। ওই সময় তিনি প্রায় ১ বছর নিখোঁজ ছিল। এমতাবস্থায় সন্তানদের নিয়ে সংসার চালানো দুরহ হওয়ায় ভাই ইউপি মেম্বার সরকারী এই সুবিধা পাইয়ে দিয়েছেন। মনজিলা বেগমের কার্ডটির বই নং-১০৫, হিসাব নং-২২৩, বিআইএন নং-০২৭৩০০১৯৭৬। তিনি গত ১/৭/২০০৪ সাল থেকে নিয়মিত ভাতা উত্তোলন করছেন।

এ ব্যাপারে ইউনিয়ন সমাজকর্মী ফরিদা বেগম জানান, বিধবা ভাতা শুরু হয় ১৯৯৭-৯৮ সালের দিকে। এসময় যারাই এসেছেন তাদেরকে ভাতা কার্ড করে দেওয়া হয়েছে। ইউপি মেম্বার বা চেয়ারম্যান যাচাই করে নামের তালিকা দিতেন। সে অনুযায়ী আমরা ভাতার অন্তর্ভূক্ত করতাম। তিনি বলেন, একেকটি ইউনিয়নে প্রায় ৯ থেকে ১২ হাজার ভাতাভোগী। এত মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তদন্ত করা খোঁজ নেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই হয়তো এমন মিসটেক হয়েছে। এক্ষেত্রে আমাদের করারই বা কি আছে। দীর্ঘ দিনেই কি কেউ এ বিষয়ে অভিযোগ দেয়নি? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি নিরবতা পালন করেন। তবে জানা যায়, তাকে একাধিকবার এ সংক্রান্ত অভিযোগ করলেও তিনি তা ভ্রæক্ষেপ করেননি।

সৈয়দপুর উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার নুর মোহাম্মদ জানান, আমি নতুন এসেছি। তাই এ ব্যাপারে তেমন কিছুই জানিনা। তাছাড়া এটি অনেক দিনের কথা। সুনির্দিষ্টভাবে অভিযোগ দিলে আমরা কার্ডটি বাতিল করে দিবো। কার্ড করে দেওয়ার ক্ষেত্রে যদি আমার অফিসের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারীর জোগসাজশ থাকে এবং তা প্রমানিত হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এতদিন ধরে এভাবে ভূয়া বিধবা সেজে সরকারী টাকা আত্মসাতকারী ভাতাভোগীর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হবে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এধরণের কোন নিয়ম আমাদের নেই। তাই তার ব্যাপারে আমরা কিছুই করতে পারবোনা।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!