1. admin@theinventbd.com : admin :
  2. worksofine@rambler.ru : JefferyDof :
  3. kevin-caraballo@mainello5.tastyarabicacoffee.com : kevincaraballo :
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:১৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
জলঢাকায় ফেন্সিডিল সহ গ্রেফতার- ২ পলাতক-১’জন মোটরসাইকেল জব্দ সৈয়দপুরে জীবিত স্বামীকে মৃত দেখিয়ে ১৭ বছর থেকে বিধবা ভাতা উত্তোলন, সমাজসেবা কর্তৃপক্ষ নির্বিকার ঝিকরগাছায় আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত জলঢাকায় ১১ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশের মাঝে ১০৯টি বাইসাইকেল বিতরণ জলঢাকায় যানজটে জনদুর্ভোগ বেড়েই চলছে : নিরসনের দাবি পৌরবাসির বেনাপোলে গৃহহীনদের ঘর নিয়ে ভুমি অফিসের সহকারীর বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ। ঝিকরগাছায় সাপের কামড়ে ১ গৃহবধূর মৃত্যু বেনাপোলে র‍্যাবের অভিযানে গাজাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী আটক সৈয়দপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বাইসাইকেল বিতরণ সৈয়দপুরে সাহিত্য আসরের ৪থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

কবরী আন্টিকে বকুল ফুল মনে হলো: ফাহমিদা নবী

অনলাইন ডেস্ক |
  • প্রকাশকাল | শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ৮৫ বার পঠিত

সদ্য প্রয়াত অভিনেত্রী, নির্মাতা ও সাবেক সংসদ সদস্য সারাহ বেগম কবরীকে ‘বকুল ফুলের’ সঙ্গে তুলনা করছেন গায়িকা ফাহমিদা নবী।

দীর্ঘ ফেইসবুক স্ট্যাটাস জানালেন শোকের কথা। বললেন, (বকুল ফুল) শুকিয়ে যায় কিন্তু গন্ধ ছড়াতেই থাকে আজীবন, কী আশ্চর্য !

একটি ছবি পোস্ট করে ফাহমিদা লেখেন, “আজ আর কোন ছবি নয়, মনের ভেতর থাকুক সেই ছবি, যে ছবি চির অমলিন।

কিন্তু এই ছবিটা না দিয়ে পারলাম না। কেমন যেন মায়া আর কষ্ট মাখা আত্মবিশ্বাসী ছবিটা! ছবিটাতে একজন সংগ্রামী, কষ্টকে জয় করা এবং আবার স্বপ্ন দেখবার প্রত্যয়ে নিজেকে তৈরী করবার একজন নতুন সাহসী নারীকে দেখলাম, মনে হলো উনাকে নিয়ে লিখে কিছুটা হারানোর বেদনা ভুলি…! মিষ্টি মেয়ে-খ্যাত চিত্রনায়িকা কবরী চিরনিদ্রায় চলেই গেলেন।”

“মনে হচ্ছে অনেক বৃষ্টি হোক, ঝড় হোক ঝরে যাক অব্যক্ত বেদনা এই ভোর রাতে! মৃত্যু যার যখন হবে, তার তখনি চলে যেতে হবে। এ নিয়ে আর কিছু বলবো না। পবিত্র মাসে চলে গেলেন… সেটাই ভালো হলো। আব্বার (গায়ক মাহমুন্নবী) কথা মনে পড়ছে… কাঁদতে পারিনা আর…!”

কবরীকে তার বকুল ফুল মনে হয়। কেন? “কবরী আন্টিকে আমার বকুল ফুল মনে হলো। জানি না কেন! বকুল ফুলকে খুব সাহসী দুঃখী ফুল মনে হয়, সেই ছোটবেলা থেকে। যখনি কুড়াতাম, তখনি মনে হতো, এই ফুল তো ছেড়া যায় না, বিশাল গাছে ছোট্ট ছোট্ট ফুল। ঝরে ঝরে পড়ে, বৃষ্টি ফোটার মতো। বোধহয় কাঁদে আর সুখ বিলায়! শুকিয়ে যায় কিন্তু গন্ধ ছড়াতেই থাকে আজীবন, কী আশ্চর্য! তাই বকুল ফুল অন্যরকম প্রিয় দামি সংগ্রামি ফুল আমার কাছে। যে দুঃখী, সেই তো সংগ্রামী।”

“কষ্টের চোখই তো, এতো মিষ্টি হাসি বহন করতে পারে! আমার কেন যেন তাই মনে হয়েছে তার এই স্থিরচিত্রটি দেখে। অনেক যুদ্ধ করেছেন নিজের সাথেই নিজেই বোধহয়! অনেক ক্লান্ত ছিলেন। অনেক বেদনাকে ছাপিয়ে আবার হাঁটতে পথ খুঁজেছিলেন হয়তো! শিল্পীর জীবন, হাসির আড়ালে কান্না… কেউ বোঝেনা…!”

ফাহমিদ আরও বলেন, “আপনার স্বপ্নের ছবিটা বানানো হলো না! থাক, চির নিদ্রায় আপনার আত্মার শান্তি হোক। আপনার জন্য  বকুল ফুলের ভালোবাসা। আল্লাহ আপনাকে জান্নাত দান করুন। আমিন।”

১৯৫০ সালের ১৯ জুলাই চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে জন্মগ্রহণ করেন কবরী। তার পারিবারিক নাম ছিল মিনা পাল। বাবা শ্রীকৃষ্ণ দাস পাল ও মা লাবণ্য প্রভা পাল। ১৯৬৩ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে নৃত্যশিল্পী হিসেবে মঞ্চে উঠেছিলেন তিনি।

১৯৬৪ সালে সুভাষ দত্তের ‘সুতরাং’ দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় কবরীর। তার অন্যান্য জনপ্রিয় ছবির মধ্যে রয়েছে জলছবি, বাহানা,  সাত ভাই চম্পা, আবির্ভাব, বাঁশরি, যে আগুনে পুড়ি,  দীপ নেভে নাই, দর্পচূর্ণ, ক খ গ ঘ ঙ, বিনিময়, সুজন সখী, আগন্তুক, নীল আকাশের নীচে, ময়নামতি, সারেং বৌ, দেবদাস, হীরামন, চোরাবালি, পারুলের সংসার, আরাধনা, দুই জীবন ও তিতাস একটি নদীর নাম।

৫ দশকের বেশি সময় চলচ্চিত্রে রাজ্জাক, ফারুক, সোহেল রানা, উজ্জ্বল, জাফর ইকবাল ও বুলবুল আহমেদের মতো অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। ঢাকার চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম জনপ্রিয় জুটি ছিলেন রাজ্জাক-কবরী। ফারুক ও বুলবুল আহমেদের সঙ্গেও তার জুটি জনপ্রিয়তা পায়।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-সহ অসংখ্য সম্মাননা পেয়েছেন কবরী।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © The Invent
error: Content is protected !!